নেতানিয়াহুর ‘ইরান যুদ্ধের ফাঁদে’ ইসরায়েল
এপ্রিল ৭, ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা পড়ছে ইরানে। উপসাগরীয় দেশটির প্রতিশোধমূলক হামলাও চলছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। তবে ভিন্ন এক কারণে দিনটি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
একই দিনে বিশ্ব রাজনৈতিক মঞ্চে ‘বোমা’ ফাটায় পিউ রিসার্চ সেন্টার।
সেদিন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক এই জরিপ-গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানায়—প্রতি ১০ জনের ৬ জন অর্থাৎ, ৬০ শতাংশ মার্কিনি ইসরায়েলের ‘বিপক্ষে’। গত বছর এই হার ছিল ৫৩ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়—৫৯ শতাংশ মার্কিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর ‘বিশ্বাস’ হারিয়েছেন। গত বছর সেই হার ছিল ৫২ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যেই ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির হার ঊর্ধ্বমুখী। বিশ্বের এক নম্বর শক্তিধর দেশটিতে ৫০ বছর বয়সের নিচে যারা আছেন, মূলত তারা ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুর প্রতি নিজেদের ‘বিরক্তি’ প্রকাশ করেছেন।
গত ২৩ থেকে ২৯ মার্চ তথা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্যে এই জরিপ চালানোর কথা জানায় পিউ রিসার্চের পক্ষ থেকে।
ইসরায়েলিদের বিশ্বাসেও ‘ধস’
পিউ-জরিপের ২ দিন আগে, অর্থাৎ গত ৫ এপ্রিল সিএনএন এক প্রতিবেদনের শিরোনাম করে—‘ইরান যুদ্ধ যতই জোরালো হচ্ছে, ততই কমছে ইসরায়েলের প্রতি সংহতি’।
ইসরায়েলের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএনএসএস) বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, ইরানের সরকার পরিবর্তনের বিষয়ে ইসরায়েলিদের বিশ্বাসে ‘ধস’ নেমেছে।
আগে ৭০ শতাংশ ইসরায়েলি বিশ্বাস করতেন—যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে শাসকগোষ্ঠীর পতন হবে। এখন তা কমে হয়েছে সাড়ে ৪৩ শতাংশ।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংসে তেল আবিবের সক্ষমতা নিয়েও ইসরায়েলিদের মধ্যে সংশয় বেড়েছে। আগে ৬২ শতাংশ ইসরায়েলি বিশ্বাস করতেন ইসরায়েলের সেই সক্ষমতা আছে। এখন তা ৪৮ শতাংশ।
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার ক্ষেত্রে তেল আবিবের সক্ষমতাতেও বিশ্বাস হারাচ্ছেন ইসরায়েলিরা। আগে ৭৩ শতাংশ ইসরায়েলি বিশ্বাস করতেন যে তারা ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখেন; এখন তা কমে হয়েছে ৫৭ শতাংশ।
এমনকি, ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার বিষয়েও ইসরায়েলিরা দ্বিধাবিভক্ত, বলেও জানিয়েছে আইএনএসএস।
‘ইসরায়েলমুক্ত’ আমেরিকা চাই
গত ১০ এপ্রিল ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল ও ইহুদিবিরোধী মনোভাব দেশটির আগামী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।
এতে আরও জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী তথা কংগ্রেস নির্বাচনে প্রার্থিতার জন্য এমন সব রাজনৈতিক নেতা প্রচারণা চালাচ্ছেন যারা বিশ্বাস করেন—নিউইয়র্কের টুইট টাওয়ার ধ্বংসের জন্য ‘ইসরায়েল ও ইহুদিরা’ দায়ী; ইসরায়েলবিরোধী ট্রাম্পভক্ত চার্লি কার্ককে হত্যার পেছনে ‘মোসাদের হাত’ ও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের সশস্ত্র হামলা ‘সাজানো নাটক’, ইত্যাদি।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, মার্কিন জনগণ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ইসরায়েলের প্রভাবমুক্ত’ করার ওপর বেশ জোর দিচ্ছেন। তারা মার্কিন নির্বাচন ও রাজনীতিকে ‘ইসরায়েলের অর্থমুক্ত’ দেখতে চান।
গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরুর প্রাক্কালে ইরানের অন্যতম উপরাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ সমাজমাধ্যম এক্স-এ বলেছিলেন, ‘ইসরায়েলের স্বার্থ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নিজের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।’
রেজা আরেফের এমন মন্তব্য যেন এখনকার মার্কিনিদের মনের কথার প্রতিধ্বনি।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে যাওয়াকে মার্কিন জনগণের স্বার্থবিরোধী বলে ক্রমাগত মন্তব্য করে যাচ্ছেন।
তাদের ভাষ্য: হোয়াইট হাউস নিজ দেশের স্বার্থের তুলনায় ইসরায়েলের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
২০২৫ সালের ৩১ জুলাই ইউটিউবে পোস্ট করা এক পডকাস্টে আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ে স্বনামধন্য মার্কিন গবেষক জন মিয়ারশিমার ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ ও বর্তমানে তীব্র সমালোচক টাকার কার্লসনকে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যতই বলুক ‘আমেরিকা ফার্স্ট’, বাস্তবতা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের নীতি হলো ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-নীতি মার্কিন জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলেও মন্তব্য করেন ওই দুই রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
মার্কিন মুলুকে আল জাজিরার ‘দাপট’
গত ৯ এপ্রিল ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুসালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়—ইরান যুদ্ধের খবর পেতে বিশাল সংখ্যক মার্কিনির ভরসা ছিল কাতারভিত্তিক আল জাজিরা।
ইরান যুদ্ধের বিষয়ে মার্কিনিরা নিজ দেশের প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাটপন্থি সিএনএন ও রিপাবলিকানপন্থি ফক্স নিউজ থেকে অনেকটাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
এতে বলা হয়—ইরান যুদ্ধের সময় ইউটিউবে আল জাজিরা ইংলিশের সাবস্ক্রাইবার বেড়ে হয় ১ কোটি ৭০ লাখ ৯০ হাজার। বিপরীতে, সিএনএন-এর সাবস্ক্রাইবার ১ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত এক মাসে আল জাজিরা ইংলিশের সাবস্ক্রাইবার বেড়েছে ৫ লাখ।
এতে আরও জানানো হয়, ইউটিউবে রিপাবলিকানপন্থি ফক্স নিউজের সাবস্ক্রাইবার ১ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার। অর্থাৎ, আল জাজিরা ইংলিশ এর তুলনায় বেশ কম।
দ্য জেরুসালেম পোস্ট আরও জানায়—প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিনি ইরান যুদ্ধের খবর নিয়েছেন আল জাজিরার মাধ্যমে। আল জাজিরা আরবির সাবস্ক্রাইবার ২ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজারের মতো।
ইউটিউবে আল জাজিরার অন্যান্য ভাষা মিলিয়ে মোট সাবস্ক্রাইবার ৪ কোটির বেশি। অথচ, সিএনএন ও ফক্স নিউজের মোট সাবস্ক্রাইবার ৩ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার।
আগামী দশকে তথ্য যুদ্ধে পেন্টাগনের ব্রিফিং ও বিশেষজ্ঞদের গবেষণার তুলনায় কাতারের আল জাজিরা বেশি এগিয়ে থাকবে বলেও প্রতিবেদনটিতে মন্তব্য করা হয়।
অথচ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজা ও পশ্চিমতীরে আল জাজিরার সাংবাদিক হত্যার পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নিপীড়ন ‘সবিস্তার’ তুলে ধরার অভিযোগে আল জাজিরাকে ইসরায়েলে নিষিদ্ধ করে রেখেছে নেতানিয়াহু সরকার।
ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকিতে নেতানিয়াহু
গত ১০ এপ্রিল টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়—৯ এপ্রিল প্রকাশিত গণমাধ্যম জরিপে দেখা গেছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির জনসমর্থন কমেছে।
মূলত, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ায় ইসরায়েলিরা নেতানিয়াহুর ওপর নাখোশ।
প্রতিবেদন অনুসারে—ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কান, বেসরকারি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টুয়েলভ ও চ্যানেল থার্টিন-এর পৃথক পৃথক জরিপে দেখা গেছে যে এই মুহূর্তে ইসরায়েলের আইনপরিষদ নেসেটে ১২০ আসনের নির্বাচন হলে নেতানিয়াহুবিরোধী কট্টর জায়নবাদী দলগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে।
তবে কট্টরপন্থি এই দলগুলো সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না।
কানের জরিপে নেতানিয়াহুবিরোধী রক্ষণশীল জায়নবাদী দলগুলো ৫৯ আসন পেতে পারে। চ্যানেল টুয়েলভ-এর জরিপে সেই সংখ্যা হতে পারে ৬০ ও চ্যানেল থার্টিনের জরিপে তা হতে পারে ৫৫ আসন।
ইসরায়েলে সরকার গড়তে প্রয়োজন হয় ৬১ আসন। সেই হিসাবে সরকার গড়তে কট্টরপন্থি দলগুলোকে অন্যদের সমর্থন নিতে হবে।
আগামী অক্টোবরে ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিনি যেকোনো অজুহাতে সেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
একই দিনে দ্য জেরুসালেম পোস্ট জানায়—নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে দেশটির বিরোধীদলের নেতা ইয়ার রাপিদ ‘বাস্তবতা আরও কঠিন’ বলে মন্তব্য করেছেন।
তার ভাষ্য: ‘ইসরায়েলের মানুষ দেখেছে ইরানে শাসক-পরিবর্তন হয়নি। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ইসরায়েলে এসে পড়ছে। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ হয়নি। ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়ে সামরিক সাফল্য পেলেও কূটনৈতিক সাফল্য পায়নি।’
তার মতে, ‘সেনারা সাফল্য দেখিয়েছে। জনতা কষ্ট সহ্য করেছে। নেতানিয়াহু পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।’
দেশটির অপর বিরোধীনেতা ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইয়ার গোলানের বক্তব্য: ‘আমরা আগেও বলেছি—সরকার কূটনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধান করতে না পারলে সব সামরিক সাফল্য ভাগাড়ে গিয়ে পড়বে।’
ইরান যুদ্ধের ‘ফাঁদে’ ইসরায়েল
গত ১০ এপ্রিল বিবিসি এক প্রতিবেদনের শিরোনাম করে—‘গোটা প্রজন্ম বিশ্বকে দেখবে ইরান সংঘাতের চোখ দিয়ে।’ এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারর্মার।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সংঘাত-পীড়িত মধ্যপ্রাচ্যে ৩ দিনের সফরে এসে সৌদি আরব, বাহরাইন, আরব আমিরাত ও কাতারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
কিয়ার স্টারর্মার সাংবাদিকদের বলেন, ‘পশ্চিমের দেশগুলোর মতো মধ্যপ্রাচ্যেও একই পরিস্থিতি দেখছি। ইরান সংঘাতের ঘটনা মাথায় রেখে গোটা প্রজন্ম বিশ্ব ব্যবস্থাকে দেখবে। আমাদের অবশ্যই এর প্রতিকার করতে হবে। আমরা তা করবো। সর্বশক্তি দিয়ে তা করবো।’
ইরান সংঘাত কীভাবে তার দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তাও তিনি তুলে ধরেন।
প্রতিবেদন অনুসারে—যুক্তরাজ্যের অতিরক্ষণশীল রিফর্ম ইউকে দলের নেতা নাইজেল ফারাজ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক নষ্ট করছেন।
তবে লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বে চলা আমেরিকাকে বিশ্বাস করা যুক্তরাজ্যের কোনোভাবেই উচিত হবে না।
গত ৯ এপ্রিল দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়—গ্রিন পার্টির প্রধান জ্যাক পোলানস্কি বলেছেন, লেবাননে হামলার কারণে যুক্তরাজ্যের উচিত ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে আসা।
একই দিনে ইসরায়েলের হারেৎজ পত্রিকার এক বিশ্লেষণে বলা হয়—ইরান যুদ্ধ থেকে ইসরায়েল যা শিখেছে তার জন্য তেল আবিবের খরচ হয়েছে ১৬ থেকে ৩২ বিলিয়ন ডলার।
এতে বলা হয়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরান হয়ত দুর্বল হয়েছে। কিন্তু, তেহরান নতুন অর্থনৈতিক ভারসাম্যের বাস্তবতা তৈরি করেছে।
গত ১০ এপ্রিল দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিভুন রিসার্চ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কমিউনিকেশনসের মিৎশেল বারাক মনে করেন, ‘নেতানিয়াহু সবাইকে বলবেন যে তিনি বিশাল বিজয় অর্জন করেছেন। তার সব লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। কিন্তু, বিরোধীদের বক্তব্য এটা নেতানিয়াহুর বিজয় নয়, ব্যর্থতা।’
এমন বাস্তবতায় বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন: ইরান যুদ্ধের মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার দেশবাসীকে দেওয়া নিরাপত্তার বুলি ‘ফাঁকা’ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আসলে ইসরায়েলকে ‘ইরান যুদ্ধের ফাঁদে’ ফেলেছেন বলেও মনে করছেন অনেকে।







