পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা বন্ধের অজুহাত দিলে বুঝবো ডাল মে কুছ কালা হ্যায়: শিক্ষামন্ত্রী
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পারিক ভাব বিনিময় হচ্ছে কি না, শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাস করে কি না, শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো মনোযোগ দেয় কি না—সরকার এগুলো বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘সেই সঙ্গে পরীক্ষার হলে সিসি ক্যামেরা থাকবে। আমাদের দুশ্চিন্তা একটু কমে গেল, কারণ আমাদের তো সেই আগের দিন নেই যে, হঠাৎ করে হেলিকপ্টার নিয়ে হাজির হতে হবে। আমি ঘরে বসে যদি পৃথিবী দেখতে পারি, ঘরে বসে ক্লাস দেখতে পারবো না কেন?’
আজ শনিবার সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘আঞ্চলিক স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’ সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষকদের উদ্দেশে মিলন বলেন, ‘আবার বলবেন না—পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ ছিল না, সেই জন্য আমাদের ক্যামেরাগুলো অন ছিল না। যারা এটা বলবেন, মনে মনে ভাববো ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। তারপর কিন্তু আমার তদন্ত শুরু হয়ে যাবে আপনার দিকে। কারণ আইপিএস দিয়ে যদি হেড মাস্টারের রুমে একটি ফ্যান চলতে পারে। আইপিএসে কিন্তু ক্যামেরা চার্জ খুব কম লাগে। আমরা জানি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সারা বাংলাদেশে চিঠি দিয়ে দেবো, পরীক্ষার সময় যাতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট না হয়। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে দেওয়া হবে।’
‘তারপরও বলছি, টেকনিক্যাল রিজন হলে কিন্তু আপনার কোনো রিজনেবল রিজন থাকবে না। আর যদি কেউ ওই রিজনেবল রিজন করেন, তাহলে বুঝবো চালাকি হচ্ছে। তখন ওই দিকেই কিন্তু আমার ধনুক যাবে বেশি,’ যোগ করেন তিনি।

