ইসলামাবাদে শেহবাজ শরিফের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের আলাদা বৈঠক

স্টার অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামাতে ইসলামাবাদে মূল আলোচনা শুরুর আগেই প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। গঠনমূলকভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য উভয় প্রতিনিধিদলের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেছেন শেহবাজ শরিফ।

আজ শনিবার বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা নির্দিষ্ট সময়ে আলোচনাস্থল ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে পৌঁছান।

প্রথমে ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন।

 

ইরানের প্রতিনিধি দল
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধি দল

 

এরপর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেন, যা এখনও চলছে বলে  জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই আলোচনা এই অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি সোপান হিসেবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী আরও পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রগতির জন্য উভয়পক্ষকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে আগ্রহী পাকিস্তান।

ইরানি সংবাদ মাধ্যমের বরাতে এএফপি জানায়, আলোচনার সঠিক কাঠামোটি এখনো নির্ধারিত হয়নি। দুই পক্ষ মুখোমুখি বসবে নাকি পাকিস্তানের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চালিয়ে যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইরান এর আগে জানিয়েছিল, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের যেকোনো চুক্তিতে অবশ্যই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করতে হবে এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে। যদিও জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট করেছেন যে, লেবানন ইস্যু নিয়ে ইসলামাবাদে কোনো আলোচনা হবে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার মূল বিষয়ের মধ্যে রয়েছে—নিষেধাজ্ঞা, লেবানন ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া।