নেচার ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিলো বিরল সাদা তিমির ছবি
প্রতি বছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ার্ল্ড নেচার ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড। একটি বিরল জাতের সাদা হাম্পব্যাক তিমি ও তার মায়ের ছবি তুলে এবারের শীর্ষ পুরস্কারটি জিতে নিয়েছেন ফটোগ্রাফার জোনো অ্যালেন।
আজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জোনো অ্যালেন পুরস্কার হিসেবে নগদ এক হাজার ডলার পেয়েছেন। তিনি জানান, শিশু তিমি ও তার মায়ের ছবি তোলার স্মৃতি তিনি আজীবন মনে রাখবেন।
:max_bytes(150000):strip_icc():focal(665x0:667x2):format(webp)/jono-allen6-7925-6f113174ea984b519690240356a3189d.jpg)
এই ঘটনাটি ‘তার জীবনকে আমূল বদলে দিয়েছে’, বলে উল্লেখ করেন ওই ফটোগ্রাফার।
সাদা রঙের হাম্পব্যাক তিমি খুবই বিরল।
‘অ্যালবাইনিজম’ নামের রোগে আক্রান্ত হাম্পব্যাক তিমির ত্বক, চুল ও চোখ সাদা হতে থাকে। প্রতি ৪০ হাজার তিমির মধ্যে মাত্র একটি তিমি এই রোগে আক্রান্ত হয়।
অ্যালেনের ছবিতে ধরা পড়া শিশু তিমির নাম মাহিনা।
২০২৪ সালের গ্রীষ্মে টোঙ্গার ভাভাউ অঞ্চলে প্রথমবারের মতো মাহিনাকে শনাক্ত করা হয়। সে সময়ও অ্যালেন বাচ্চা তিমিটিকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
টোঙ্গার ভাষায় মাহিনা অর্থ ‘চাঁদ’।
প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ভিত্তিক ছবি তোলার এই প্রতিযোগিতায় ৫১টি দেশের ফটোগ্রাফাররা অংশ নেন।
ওয়ার্ল্ড নেচার ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার জিতেছে উগান্ডার জঙ্গলে প্রজাপতির দিকে তাকিয়ে থাকা গোরিলার ছবি, নামিবিয়ার নামিদ মরুভূমিতে বালুঝড়ের মধ্যে একটি নামাকুয়া গিরগিটি এবং কানাডার ম্যানিটোবায় শ্বেত ভল্লুকের ই-বর্জ্য পর্যবেক্ষণ।

ইতোমধ্যে আগামী বছরের প্রতিযোগিতার জন্য ছবি জমা দেওয়া শুরু হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা বাড়ছে বলে মত দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার’স রেড লিস্ট নামে একটি সংস্থা।
সংস্থাটির মতে, এই জাতের তিমির পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ‘একেবারেই নেই’।

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে বাণিজ্যিকভাবে তিমি নিধনের বিরুদ্ধে বড় আকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়
এরপর থেকেই বাড়ছে হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা।
২০১৮ সালে সারা বিশ্বের হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ ৩৫ হাজার।

