‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর গণমুখী চিন্তার বাস্তবায়ন’

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

অন্তর্বর্তী সরকারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন ও মূল্য নির্ধারণ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর গণমুখী স্বাস্থ্য চিন্তার বাস্তবায়ন বলে মনে করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও ওষুধের মূল্য নির্ধারণের গাইডলাইন অনুমোদনের পর আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত গণমানুষের জন্য ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

সরকার অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের তালিকা প্রণয়ন করেছে এবং এগুলোর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দেবে।

এতে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা সুলভ ও সহজতর হবে বলে মনে করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকারের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধ নীতির ফলেই পরনির্ভরশীল ওষুধশিল্প স্বাবলম্বী হয়েছে। এ নীতির প্রধান রূপকার ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

পরে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থেকে সরকার সরে আসে এবং মাত্র ১১৭টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব রেখে বাকিগুলো ছেড়ে দিয়েছিল। এতে বাকি ওষুধগুলোর মূল্য পার্থক্য বাড়ছিল।

নতুন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের কল্যাণমুখী রূপান্তরের পথে অন্যতম মাইলফলক বলে মনে করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।