নকল নামক জিনিসটি বাংলাদেশে আর নেই, শেষ হয়ে গেছে: শিক্ষামন্ত্রী
‘নকল নামক জিনিসটি বাংলাদেশে আর নেই, এটি শেষ হয়ে গেছে। এখন শিক্ষার মান উন্নয়নে কি কি করা প্রয়োজন, সেটি আমরা করছি।’
আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মানসম্পন্ন করতে শিক্ষকদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা সকলের কমডিটি। এমনকি এর আগে মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারতাম না, সেগুলো মহামান্য আদালত কনভেন্সে নিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মামলাটির রায় ২ জুলাই হচ্ছে। এটি যুগ যুগ ধরে আটকে ছিল। শিক্ষা ব্যবস্থায় যেন সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারি, সেজন্য সহযোগিতা করছেন মহামান্য আদালত।’
শিক্ষার্থীদের ফলাফল চ্যালেঞ্জের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগে শুধুমাত্র খাতায় নম্বরের যোগে ভুল হয়েছে কিনা, সেটি দেখা যেতো। কিন্তু এ বিষয়ে আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। এক্সামিনার খাতা ঠিকমতো দেখেছে কিনা বা নম্বর কম দিয়েছে কিনা, এসব ইনক্লুড করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘২০২৭ সালের এসএসসি ব্যাচকে আমরা স্ট্যান্ডার্ড ধরে নিচ্ছি। এখান থেকে আমরা এগোচ্ছি। প্রত্যেকটা পরীক্ষায় দুইমাসের মধ্যে রেজাল্ট হতে হবে, রেজাল্টের সাথে সাথে এডমিশন হতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা সময়মতো হতে হবে। অনাকাঙ্ক্ষিত সময় নষ্ট করা যাবে না।’
‘তিন বছরের কোর্স তিন বছরে, চার বছরের কোর্স চার বছরের শেষ হতে হবে। শিক্ষার্থীরা ছয় বছর বয়সে শিক্ষাবর্ষ শুরু করে ১৬ বছরে এসএসসি, ১৮ বছরের এসএসসি শেষ করতে হবে। কোনোভাবেই সময় নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না’, যোগ করেন তিনি।
দুর্নীতি যারা করছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো প্রকার দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবো না।’
তিনি বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের ১৭ লাখ ট্যাবের বিষয়টি আমরা দেখছি, যাতে করে তারা স্মার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে পারেন।’
শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টের বকেয়া টাকা দেওয়া হবে। বেসরকারি শিক্ষকরা সরকারি শিক্ষকদের প্রায় সমান বেতন পাচ্ছেন। বাড়ি ভাড়া তারা মাত্র ১৫ শতাংশ। পাচ্ছেন। বেসরকারি শিক্ষকরা বাড়িতে থেকেই শিক্ষকতা করতে পারছেন।’