নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় তিন জেলায় আহত অন্তত ১৮

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আজ শুক্রবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। 

সংঘর্ষে ফরিদপুরের সালথায় ১১ জন, কিশোরগঞ্জে ৪ জন ও মুন্সিগঞ্জে ৩ জন আহত হয়েছে।

ফরিদপুর

সালথায় রামকান্তপুর ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের সমর্থকদের তর্কের জেরে সংঘর্ষ ঘটে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, আজ শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে এ সংঘর্ষে ১১ জন আহত ও ৬টি বাড়ি ভাঙচুর হয়।

ওই এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মাঠে রয়েছে বলে জানান ওসি। 
 

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও পরাজিত বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বাজিতপুর উপজেলার হুমায়ুনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বাজিতপুর থানার ওসি এস এম শাহিদুল্লাহ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আহত চারজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিজয়ী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের সমর্থক হুমায়ুনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুর রশিদ এবং পরাজিত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাইয়ুম খানের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। 

এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে ১৩ হাজার ১৫৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে হাঁস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল।

মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ এলাকায় নির্বাচন নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছে।’ 

আহতদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।