বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নাহিদের লিভ টু আপিল শুনানি নির্বাচনের পর
ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলামের দায়ের করা লিভ টু আপিলের শুনানি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আবেদনটির বিষয়ে আজ আদেশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান।
এর ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে এ বিষয়ে আর কোনো শুনানি হচ্ছে না। আগামী দুদিন সরকারি ছুটি এবং পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটির কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট পুনরায় খোলার পর এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।
গতকাল সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব লিভ টু আপিল আবেদনটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।
আজ শুনানিতে নাহিদ ইসলামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু। অন্যদিকে কাইয়ুমের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা নাহিদের রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ৫ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসার মাধ্যমে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল দায়ের করেন নাহিদ।
লিভ টু আপিল আবেদনে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ডা. কাইয়ুমের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে এবং তিনি ইসিতে জমা দেওয়া হলফনামায় এ তথ্য গোপন করেছেন।
নাহিদের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ডা. কাইয়ুম ভানুয়াতু প্রজাতন্ত্রের নাগরিক এবং এ তথ্য গোপন করায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না।
এদিকে একই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণায় ইসির সিদ্ধান্তের স্থগিতাদেশ চেয়ে গতত ৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন।
তার আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্লা বলেন, নাহিদ ইসলাম কমনওয়েলথ অব ডোমিনিকার নাগরিক এবং তিনি ইসিতে জমা দেওয়া হলফনামায় এ তথ্য গোপন করেছেন।