বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রাফিনিয়ার
হাইতির বিপক্ষে দাপুটে জয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে ব্রাজিল। তবে সেই জয়ের আনন্দের মাঝেই নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন রাফিনিয়া। ম্যাচ চলাকালীন ডান উরুর পেছনের পেশিতে ব্যথা অনুভব করার পর মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলের এই তারকা উইঙ্গারকে। এখন তার চোটের প্রকৃতি নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে দলের চিকিৎসক দল।
ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের সময়ই সমস্যাটি অনুভব করেন রাফিনিয়া। বদলি হওয়ার পর বেঞ্চেই তার প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে ব্রাজিল জাতীয় দলের মেডিকেল বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে তার পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে ডান উরুর পেছনের পেশিতে ব্যথা অনুভব করেন রাফিনিয়া। তিনি চিকিৎসা শুরু করেছেন এবং তাকে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।'
শনিবার বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রাফিনিয়ার চোটের মাত্রা নির্ধারণ করা হবে। এরপরই বোঝা যাবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ কিংবা টুর্নামেন্টের বাকি অংশে তাকে পাওয়া যাবে কি না।
রাফিনিয়ার চোট ব্রাজিলের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ। কারণ জাতীয় দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য এই উইঙ্গার আগেও একই ধরনের সমস্যায় ভুগেছেন। গত মার্চে ফ্রান্সের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ডান উরুর পেছনের পেশিতেই চোট পেয়েছিলেন বার্সেলোনার এই ফুটবলার।
যদি পরীক্ষার ফল আশঙ্কাজনক হয় এবং রাফিনিয়া বিশ্বকাপের বাকি অংশে খেলতে না পারেন, তাহলে ব্রাজিল বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। কারণ টুর্নামেন্টের স্কোয়াড পরিবর্তনের সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত খেলোয়াড় পরিবর্তনের সুযোগ ছিল। প্রথম রাউন্ড শেষ হওয়ার পর আর কোনো দলই নতুন খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে না।
তবে বিকল্প হিসেবে আনচেলত্তির হাতে রয়েছেন রায়ান ও লুইজ এনরিকে। হাইতির বিপক্ষে রাফিনিয়া মাঠ ছাড়ার পর রায়ানকেই নামানো হয়েছিল। তবুও অভিজ্ঞতা ও সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় রাফিনিয়ার অনুপস্থিতি ব্রাজিলের আক্রমণভাগে বড় শূন্যতা তৈরি করতে পারে।