অধিনায়ককেও বাদ, বিশ্বকাপ দলে বড় চমক তিউনিসিয়ার
বিশ্বকাপের আগে দল ঘোষণায় বড় চমক দেখাল তিউনিসিয়া। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ও সাম্প্রতিক সময়ের অধিনায়ক ফেরজানি সাসিকে স্কোয়াডে রাখেননি কোচ সাব্রি লামৌচি। জাতীয় দলের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা এই ফুটবলারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে ফুটবল অঙ্গনে।
৩৪ বছর বয়সী সাসি তিউনিসিয়ার হয়ে খেলেছেন ১০১টি ম্যাচ। চলতি বছরের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেও ছিলেন দলের অংশ, এমনকি জানুয়ারিতেও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে সেই টুর্নামেন্টের পর মালির কাছে টাইব্রেকারে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেয় তিউনিসিয়া। এরপরই দায়িত্ব নেন লামৌচি এবং মার্চের প্রীতি ম্যাচগুলোতেও ডাক পাননি সাসি।
শুধু সাসিই নন, ৯৫ ম্যাচ খেলা অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইয়াসিন মেরিয়াহকেও দলে রাখেননি কোচ। যদিও এবারের আফকনে তিনি মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছিলেন।
তবে তরুণদের ওপর আস্থা রেখেছেন লামুশি। বার্নলির মিডফিল্ডার হ্যানিবাল মেজব্রি দ্বিতীয়বারের মতো খেলবেন বিশ্বকাপে। প্রায় দশ মাস পর জাতীয় দলে ফিরে আসা আনিস বেন স্লিমানেও জায়গা পেয়েছেন চূড়ান্ত দলে।
এ ছাড়া কানাডা থেকে আনুগত্য বদলে তিউনিসিয়ার হয়ে খেলা শুরু করা ১৮ বছর বয়সী রায়ান এল্লৌমি প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। পিএসজির যুব দলে খেলা খলিল আয়রিও জায়গা করে নিয়েছেন প্রথম বড় টুর্নামেন্টের স্কোয়াডে। আর জার্মানির হয়ে খেলার সুযোগ ছেড়ে দেওয়া রানি খেদিরাও এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলবেন। তিনি ২০১৪ বিশ্বকাপজয়ী সামি খেদিরার ছোট ভাই।
তিউনিসিয়ার ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: সাবরি বেন হেসেন, আবদেলমৌহিব শামাখ, আয়মেন দাহমান।
ডিফেন্ডার: আলি আবদি, আদেম আরুস, মোহাম্মদ আমিন বেন হামিদা, ডিলান ব্রন, রায়েদ চিকাউই, মুতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি।
মিডফিল্ডার: মোরতাধা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমানে, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, মোহাম্মদ হাজ মাহমুদ, হ্যানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি।
ফরোয়ার্ড: এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়রি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লৌমি, হাজেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি।