নারী এশিয়া কাপ সেমিফাইনাল

সুযোগ হাতছাড়ার মিছিলে কঠিন লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ভারতকে আগে ব্যাট করতে দিয়ে শুরুতেই চেপে ধরার সুযোগ মিলেছিলো বাংলাদেশের। তবে সেটা নিতে হবে তো! বাংলাদেশের বোলাররা সুযোগ আনলেই ফিল্ডাররা থাকলেন হাতে মাখন মেখে নেমেছিলেন। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করা শেফালি বর্মা থিতু হওয়ার আগেই পান দুই জীবন, ফিফটি পেরিয়ে আরও দুবার। ফলে ভারতকে নাগালের ভেতর আটকাতে পারেনি নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ৬ উইকেটে ১৪৯ রান করেছে ভারত। ভারতের হয়ে শেফালি ৪০ বলে করেন সর্বোচ্চ ৬৪ রান। হারমানপ্রিত এক প্রান্ত ধরে ২৪ রান করলেও রানের গতি বাড়ান রিচা ঘোষ (১৬ বলে ২১) ও দীপ্তি শর্মা (৬ বলে ১৩)। ৩০ রানে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার সুলতানা খাতুন। 

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সুলতানা খাতুনের বলে শেফালির সহজ ক্যাচ বাউন্ডারি লাইনে ফেলে দেন ফাহিমা খাতুন। ৬ রানে জীবন পাওয়ার পর ১১ রানে আরেক ক্যাচ পড়ে তার। এবার ফেলেন নাহিদা আক্তার। 

ওই দুই জীবনের পর হাত খুলে রান বাড়াতে থাকেন ভারতীয় ওপেনার। বড় বড় ছক্কায় হতাশা বাড়াতে থাকেন তিনি। স্মৃতি মান্ধানা রান না পেলেও দলের উপর চাপ বাড়তে দেননি তিনি। প্রতিকা রাওয়ালকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৪ বলে যোগ করেন ৫০ রান। হারমানপ্রিত কাউরকে নিয়ে আনেন ৩৩ রান। 

এই পথে ২০তম ফিফটি পেরিয়ে যান শেফালি। ফিফটি স্পর্শ করেন রান আউটের সুযোগ দিয়েছিলেন। ফাহিমা সহজতম সুযোগ হাতছাটা করার পর ৫৬ রানেও বাউন্ডারি লাইনে শেফালির ক্যাচ ফেলেন শারমিন আক্তার। পরে ৬৪ রানে গিয়ে তাকে থামাতে পারে বাংলাদেশ। সুলতানার বলে এবার ক্যাচ ফেলেনি বদলি ফিল্ডার ফারজানা।

হারমানপ্রিত সেভাবে ঝড় তুলতে না পারলেও শেষ দিকে রিচা ও দীপ্তি ভারতকে নিয়ে যান শক্ত অবস্থানে।