ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ
হারারেতে একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করে চরম বিব্রতকর অভিজ্ঞতায় ডুবেছে বাংলাদেশ দল। মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে সফরকারীদের ইনিংস ও ৮৫ রানে হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছে স্বাগতিকরা।
আগের দিনের ১ উইকেটে ৪০ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ এক সেশনের সামান্য বেশি সময় টিকতে পারে। মাত্র ৪৫ ওভারে ১৮৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় তারা।
দিনের দ্বিতীয় ওভারেই ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ব্লেসিং মুজারাবানির গুড লেংথ থেকে লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারি জয়ের ব্যাটের কানায় লেগে গালিতে সহজ ক্যাচে পরিণত হয়।
প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করে সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ গড়া মুমিনুল হক এই ইনিংসে ব্যর্থ হন। মুজারাবানির ফুল ডেলিভারি ঠেকাতে গিয়ে স্লিপে ব্র্যাড ইভান্সের দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন তিনি।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বাংলাদেশের সংগ্রহ শতরান পার হয়। বড় স্কোরের ইঙ্গিত দেওয়া শান্ত ৩০ রান করে নিউমান নিয়ামহুরির ফুলটস বলে ইনসাইড-এজ হয়ে আউট হন।
কিছুক্ষণ পরই ৩৪ রান করে বিদায় নেন মুশফিকও। লেগ সাইডের একটি ডেলিভারি তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে জমা পড়ে। তার আউটের পরপরই মধ্যাহ্নভোজের বিরতি দেওয়া হয়। প্রথম সেশনে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১১৭ রান।
দ্বিতীয় সেশনেও কোনো স্বস্তি মেলেনি। ক্রিজে পা আটকে রেখে খেলতে গিয়ে মুজারাবানির বলে এজ হয়ে ৯ রানে আউট হন অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয়। রিচার্ড এনগারাভার শিকার হওয়ার আগে ২৫ রানের ইনিংস খেলার পথে কয়েকটি বাউন্ডারি হাঁকান অমিত হাসান।
শেষ ব্যাটার হিসেবে হাসান মাহমুদ আউট হওয়ার মাধ্যমে ইনিংস ব্যবধানে বিশাল হার নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় টেস্ট জয়ের রূপকার মুজারাবানি ৬৫ রানে ৪ উইকেট নেন। অন্যদিকে এনগারাভা তিনটি ও নিয়ামহুরি দুটি উইকেট শিকার করেন।