প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারালো বাংলাদেশ
মেঘে ঢাকা আকাশে ঘাসের ছোঁয়া থাকা উইকেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই টপ অর্ডারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিলো বাংলাদেশ। কন্ডিশনের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মোহাম্মদ আব্বাস ও খুররম শাহজাদ হয়ে উঠছিলেন বিপদজনক। তবে সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে দলকে ভরসা দিচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০১ রান। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২৬ ওভার খেলে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৬ ও মুশফিকুর রহিম ১৮ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন।
ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়। আগের টেস্টে রান না পাওয়া ওপেনার মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ধরা দেন স্লিপে।
শুরুর ধাক্কা সামলে বাংলাদেশ ছুটছিলো ভালোই। অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম খেলছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। এই কারণেই মূলত টেস্টে নেওয়া হয়েছে তাকে। মুমিনুল হকের সঙ্গে গড়ে উঠে জুটি। তবে ইনিংসটা বড় করতে পারেননি তিনি। সাদা বলে খেলার অভ্যাস থেকেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে ছটফট করছিলেন। আব্বাসের বলে অবশ্য ক্যাচ দেন জায়গায় দাঁড়িয়ে। যেটাকে ক্রিকেটীয় ভাষায় বলা যায় 'নাথিং শট'। আব্বাস নিজেই লুফেন সহজ ক্যাচ। এর আগে হাসান আলীর বলে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। সেই ক্যাচ নিতে গিয়ে আহত হয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়েছিলেন হাসান। পরে অবশ্য ফিরে আসেন।
তিনে নামা মুমিনুলও পরিস্থিতির দাবি মেনে ছুটছিলেন। তবে আগের টেস্টের ছন্দ টানতে পারেননি। খুররম শাহজাদ তাকে অ্যাঙ্গেল বানিয়ে অ্যারাউন্ড দ্য উইকেটে বল করছিলেন। ভেতরে ঢোকা তেমন এক ডেলিভারিতে লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে যান ৪১ বলে ২২ রান করা বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর জমে যায় মুশফিক-শান্তর জুটি। দুজনেই খেলছেন সাবলীল গতিতে। ৬১ বলে ৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে সেশন পার করেন শান্ত-মুশফিক।