বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক বিভাজনে ইকোচেম্বারের প্রভাব

ইকোচেম্বারে আটকে পড়া ব্যক্তি মূলত বুদ্ধিবৃত্তিক সীমাবদ্ধতার এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকেন। এই মানসিক বন্দিত্ব থেকে মুক্ত হতে হলে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র সবাইকে মিলিতভাবে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

সীতাকুণ্ডের ‘সুন্দরবন’ রক্ষায় সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে
প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো কেন বনভূমিকে খালি জমি হিসেবেই দেখে? কেন দেশের জলবায়ু সুরক্ষার জন্য আইনি সুরক্ষিত পরিবেশব্যবস্থা হিসেবে দেখছে না?
২২ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন সম্পাদকীয়
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যের জন্য সাধুবাদ, নির্বাচিতদের অবশ্যই সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে
যেসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো গেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো—নিম্নকক্ষের নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে (পিআর) সংসদের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের অনুমোদন।
১ আগস্ট ২০২৫, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন মতামত

নারী বান্ধব নগরীর প্রতীক্ষায়

মধ্য দুপুরে বাসের ভেতর গাদাগাদি ভিড়। সামনের দিকে বেশিরভাগ নারী যাত্রী। অল্প কিছু পুরুষ। হঠাৎ নারী কণ্ঠের ঝাঁঝালো চিৎকার- গায়ে হাত দিচ্ছেন কেন? সরে দাঁড়ান। উৎসুক দৃষ্টিতে যাকে জড়িয়ে কথা বলা, তার দিকে তাকালাম। কেতাদুরস্ত ভদ্রবেশী। হাফহাতা শার্ট, প্যান্ট, পরিপাটি জুতো জোড়া। এক হাতে বগলদাবা করা একটা ফাইল। তার দিকেই সন্দেহের তীর।
৫ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

‘আমি ভালো আছি’

এই আমি কে, এ কি শুধুই আমি? আমি কি আমার বাবা-মা, ভাইবোন, সন্তান নিয়ে? এই আমি কি পাশের বাসার প্রতিবেশীকে নিয়ে না? যেখানে আমি আছি তার উপরের বা নিচের প্রতিবেশী, পাশের বিল্ডিং এর বাসিন্দা, আমার গলি, মহল্লা, ঢাকা শহর, ওই গ্রামের বিউটি না? না না তা হবে কেন? আমি কেন বিউটি, তনু হতে যাবো, আমি তো দিব্য আছি।
৩ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

যাত্রাপথের যত খাবার

ছোট বেলায় ঢাকা থেকে রংপুর বাসে যাওয়ার পথে আরিচাতে ফেরি পার হতে হতো। সময়টা ৭০/৮০ এর দশক এবং ৯০ এর প্রথম ভাগ। সে সময় ফেরি পারাপার ছিল বেশ ঝক্কির ও সময়সাপেক্ষ একটা ব্যাপার। দুই-তিন ঘণ্টা থেকে চার-পাঁচ ঘণ্টাও লেগে যেত কখনও কখনও। তখন খাওয়া দাওয়ার জন্য যমুনা নদীর ঘাটে যেমন ছিল ছোট-ছোট বেড়ার চালার অসংখ্য দোকান, তেমনি ছিল থাকার জন্য দুই-তিন তলা টিনের হোটেল।
১৯ মার্চ ২০১৮, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

‘মন্তব্য’ এর নামে এসব কী লিখছে মানুষ?

প্রিয় স্বদেশ, প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে চলে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী। আমি বিশ্বাস করি আমাদের মা যেখানেই থাকবেন, শান্তিতে থাকবেন। একজন মুক্তিযোদ্ধার স্থান যে স্বর্গে হবে, সেকথাও আমরা জানি। শুধু ভয়ে ভয়ে ছিলাম ওনার মৃত্যুর খবর সংবাদ মাধ্যমগুলোর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হওয়ার পর, সেইসব সংবাদের নীচে মন্তব্যের ঘরে কে কী লিখছে, এই ভেবে।
৮ মার্চ ২০১৮, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রওশন লজ্জা পান!

একই সঙ্গে সরকার ও বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টিকে (জাপা) প্রকৃত বিরোধী দল হওয়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। গত মঙ্গলবার সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে তার দলের এমপিদের বাদ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই হাস্যকর আহ্বান জানিয়েছেন।
৩ মার্চ ২০১৮, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের উত্থান দেখছে ভারত

যোগী আদিত্যনাথ নির্বাচনে জয়ের পর মুসলমান নামের মত শোনায় উত্তর প্রদেশের এমন সব জায়গার নাম পাল্টে দিয়েছেন। গো সংরক্ষণের নামে ব্যাপক সহিংসতা সৃষ্টি করেছে। একই অবস্থা পূর্ব ভারতের রাজ্য আসামেও।
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

ফোরজি কি জীবনের গতি বাড়াবে?

ফোরজি আসছে, ফোরজি আসছে—গোটা টেলিকম বা ডিজিটাল সেক্টরেই যেন আনন্দে হৈ হৈ অবস্থা।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

কী দিয়েছে থ্রিজি, কী দিবে ফোরজি

এক জিবি’র একটি ফাইল ডাউনলোড করতে গ্রহণযোগ্য থ্রিজি নেটওয়ার্ক পরিস্থিতিতে যেখানে ২০ মিনিট লাগছে, একই রকম পরিস্থিতিতে ফোরজিতে সেটি সম্ভব হবে পাঁচ থেকে ছয় মিনিটে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ: আমাদের লাকি সেভেন?

অনেক কারণেই রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সৌভাগ্যবান। কোনো বিতর্ক ছাড়াই সসম্মানে বঙ্গভবনে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে চলেছেন তিনি। শুধু তাই নয় দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হওয়ারও জোর সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। তাঁর পূর্বসূরি আর কারো এই সৌভাগ্য হয়নি।
২৫ জানুয়ারি ২০১৮, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

ওসমান পরিবারের উত্থান, পতন

নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের চমকপ্রদ ইতিহাস রয়েছে। প্রগতির পক্ষে সব লড়াইয়ে সামনের সারিতে থেকে নারায়ণগঞ্জে যে পরিবারটির উত্থান হয়েছিল দুই পুরুষ বাদে সেই পরিবারেরই উত্তরসূরিদের কর্মকাণ্ডের কারণে অতীত মান-মর্যাদা আজ ডুবতে বসেছে।
২১ জানুয়ারি ২০১৮, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

মানবতাবাদের গুরু লালন সাঁই

সহজিয়া সাধনা মানুষের অন্তর থেকে সৃষ্টি। আর এই সাধনায় গতি সঞ্চার হয়েছে মধ্যযুগে। যার মহামিলনক্ষেত্র ভারতবর্ষ। যুগে যুগে নানা ধর্ম ও মত সৃষ্টিও এখানেই। জ্ঞানপথ, যোগপথ, ভক্তিপথ ও কর্মপথসহ সব পথেরই সন্ধান দিয়েছেন ভারতবর্ষের সাধকরা।
১৬ অক্টোবর ২০১৭, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

আমাদের ডিম প্রেম

প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে হরদম ডিম ব্যবহারের ঘটনা ঘটছে বিভিন্ন দেশে। প্রতিবাদকারীরা রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী এবং নানা প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিদের উপর ডিম ছুঁড়ে প্রতিবাদ জানান। তাহলে ডিম শুধু আমিষের জোগান দেয় না, ডিমের বহুমুখী ব্যবহার কম বেশি সবার জানা।
১৪ অক্টোবর ২০১৭, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

কর্মক্ষেত্রে চাপ কি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে?

আমরা যখন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ি, তখন আমাদের একটা পেপার ছিল কমিউনিকেশন এন্ড সোসাইটি। সেই বিষয়ে পড়াতে গিয়ে স্যার বলেছিলেন জাপানিরা ক্রমশ সমাজ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে কাজ করতে করতে। তারা এতটাই ওয়ার্কোহলিক হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পথে। তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠছে যন্ত্রের সাথে।
১১ অক্টোবর ২০১৭, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গা ইস্যু: কেন চীন-রাশিয়ার উচিত জাতিসংঘকে সমর্থন করা?

রাজনৈতিক স্মৃতি স্বল্পস্থায়ী! মাত্র তিন বছর আগে রুয়ান্ডার গণহত্যার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত অলোচনায় চীন ও রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদের অন্য সদস্যদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গণহত্যার বিপক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছিল। গণহত্যা বন্ধে নিরাপত্তা পরিষদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তাদের সমর্থনে সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাবও পাশ হয়।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

সু চি মিয়ানমারের জনগণেরও শত্রু

২০১০ সালে মুক্ত হবার পরপরই গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সু চি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, মানবাধিকার আইকন হিসেবে নয়, তিনি নিজেকে একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রকাশ করতেই পছন্দ করেন। এখন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি ক্ষমতা চান। ক্ষমতার স্বার্থে তিনি নিজ দেশের বর্বর সামরিক বাহিনীর সাথে যেকোনো আপোষ করতে পারেন।
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের এখনই সময়

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পছন্দ না করার অসংখ্য কারণ রয়েছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই নানা অশোভন এবং আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে তিনি সমালোচিত এবং নিন্দিত। তার অনেক মন্তব্য মানবাধিকার বিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। সেই ট্রাম্পও এখন রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলছেন।
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

এটাই সু চি’র আসল চেহারা

মিয়ানমারের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া অং সান সু চি’র ভাষণের খসড়া কারা তৈরি করেছেন? তার নির্দেশে তার দপ্তরের কর্মকর্তারা? নাকি সামরিক বাহিনীর কর্তা ব্যক্তিরা নিজেদের পছন্দমত শব্দে খসড়া তৈরি করে দিয়েছেন? আর হাতে কপি পেয়ে তিনি সেটা পাঠ করেছেন। তোতা পাখির মতো শেখা বুলি আউড়ে গেছেন। সে জন্যই কোনো কিছু না জানার ভান করে গোটা বিশ্বকে বলতে পেরেছেন “রাখাইন থেকে মুসলিমরা কেন পালিয়ে বাংলাদেশে যাচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে চাই।”
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

সু চি'র ভাষণ রোহিঙ্গাদের জন্য নয়

এক সেনা জেনারেলের কন্যা সু চি। তার বাবাও ক্ষুদ্র নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠীর অধিকারের পক্ষে ছিলেন না। সেই বাবার সন্তান হয়ে সু চি কী করে রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলবেন?
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

আটকে পড়া রোহিঙ্গা হবে না তো?

হাজার হাজার রোহিঙ্গা দলে দলে সীমান্তের দিকে ধেয়ে আসছে। প্রথম দিকে তাদের আটকানোর চেষ্টা করা হল, সীমান্ত পাহারা জোরালো করা হল কিন্তু আস্তে আস্তে মানবিকতার খাতিরে তাদের আশ্রয় দেওয়া হল -- এটাই স্বাভাবিক। পার্শ্ববর্তী দেশে এরকম মানবিক বিপর্যয় হলে অন্যদেশ তাদের আশ্রয় দেয় -- এর অনেক উদাহরণ আমরা পাই। কিন্তু আমরা কি ভাবছি শেষ পর্যন্ত এর ফলাফল কী হতে পারে?
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:০৪ অপরাহ্ন

ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুর চরিত্র নিয়ে কোনো প্রশ্ন নয়

আমাদের চারপাশে ধর্ষকদের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। অনেকে সরাসরি ধর্ষণ না করলেও নানাভাবে ধর্ষকদের পক্ষে থাকছে। যৌন হয়রানির তো সীমা-পরিসীমা নেই। এক শ্রেণির লম্পট খুব সহজেই এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

নারী বান্ধব নগরীর প্রতীক্ষায়

মধ্য দুপুরে বাসের ভেতর গাদাগাদি ভিড়। সামনের দিকে বেশিরভাগ নারী যাত্রী। অল্প কিছু পুরুষ। হঠাৎ নারী কণ্ঠের ঝাঁঝালো চিৎকার- গায়ে হাত দিচ্ছেন কেন? সরে দাঁড়ান। উৎসুক দৃষ্টিতে যাকে জড়িয়ে কথা বলা, তার দিকে তাকালাম। কেতাদুরস্ত ভদ্রবেশী। হাফহাতা শার্ট, প্যান্ট, পরিপাটি জুতো জোড়া। এক হাতে বগলদাবা করা একটা ফাইল। তার দিকেই সন্দেহের তীর।
৫ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

‘আমি ভালো আছি’

এই আমি কে, এ কি শুধুই আমি? আমি কি আমার বাবা-মা, ভাইবোন, সন্তান নিয়ে? এই আমি কি পাশের বাসার প্রতিবেশীকে নিয়ে না? যেখানে আমি আছি তার উপরের বা নিচের প্রতিবেশী, পাশের বিল্ডিং এর বাসিন্দা, আমার গলি, মহল্লা, ঢাকা শহর, ওই গ্রামের বিউটি না? না না তা হবে কেন? আমি কেন বিউটি, তনু হতে যাবো, আমি তো দিব্য আছি।
৩ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

যাত্রাপথের যত খাবার

ছোট বেলায় ঢাকা থেকে রংপুর বাসে যাওয়ার পথে আরিচাতে ফেরি পার হতে হতো। সময়টা ৭০/৮০ এর দশক এবং ৯০ এর প্রথম ভাগ। সে সময় ফেরি পারাপার ছিল বেশ ঝক্কির ও সময়সাপেক্ষ একটা ব্যাপার। দুই-তিন ঘণ্টা থেকে চার-পাঁচ ঘণ্টাও লেগে যেত কখনও কখনও। তখন খাওয়া দাওয়ার জন্য যমুনা নদীর ঘাটে যেমন ছিল ছোট-ছোট বেড়ার চালার অসংখ্য দোকান, তেমনি ছিল থাকার জন্য দুই-তিন তলা টিনের হোটেল।
১৯ মার্চ ২০১৮, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

‘মন্তব্য’ এর নামে এসব কী লিখছে মানুষ?

প্রিয় স্বদেশ, প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে চলে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী। আমি বিশ্বাস করি আমাদের মা যেখানেই থাকবেন, শান্তিতে থাকবেন। একজন মুক্তিযোদ্ধার স্থান যে স্বর্গে হবে, সেকথাও আমরা জানি। শুধু ভয়ে ভয়ে ছিলাম ওনার মৃত্যুর খবর সংবাদ মাধ্যমগুলোর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হওয়ার পর, সেইসব সংবাদের নীচে মন্তব্যের ঘরে কে কী লিখছে, এই ভেবে।
৮ মার্চ ২০১৮, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রওশন লজ্জা পান!

একই সঙ্গে সরকার ও বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টিকে (জাপা) প্রকৃত বিরোধী দল হওয়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। গত মঙ্গলবার সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে তার দলের এমপিদের বাদ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই হাস্যকর আহ্বান জানিয়েছেন।
৩ মার্চ ২০১৮, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের উত্থান দেখছে ভারত

যোগী আদিত্যনাথ নির্বাচনে জয়ের পর মুসলমান নামের মত শোনায় উত্তর প্রদেশের এমন সব জায়গার নাম পাল্টে দিয়েছেন। গো সংরক্ষণের নামে ব্যাপক সহিংসতা সৃষ্টি করেছে। একই অবস্থা পূর্ব ভারতের রাজ্য আসামেও।
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

ফোরজি কি জীবনের গতি বাড়াবে?

ফোরজি আসছে, ফোরজি আসছে—গোটা টেলিকম বা ডিজিটাল সেক্টরেই যেন আনন্দে হৈ হৈ অবস্থা।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

কী দিয়েছে থ্রিজি, কী দিবে ফোরজি

এক জিবি’র একটি ফাইল ডাউনলোড করতে গ্রহণযোগ্য থ্রিজি নেটওয়ার্ক পরিস্থিতিতে যেখানে ২০ মিনিট লাগছে, একই রকম পরিস্থিতিতে ফোরজিতে সেটি সম্ভব হবে পাঁচ থেকে ছয় মিনিটে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ: আমাদের লাকি সেভেন?

অনেক কারণেই রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সৌভাগ্যবান। কোনো বিতর্ক ছাড়াই সসম্মানে বঙ্গভবনে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে চলেছেন তিনি। শুধু তাই নয় দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হওয়ারও জোর সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। তাঁর পূর্বসূরি আর কারো এই সৌভাগ্য হয়নি।
২৫ জানুয়ারি ২০১৮, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

ওসমান পরিবারের উত্থান, পতন

নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের চমকপ্রদ ইতিহাস রয়েছে। প্রগতির পক্ষে সব লড়াইয়ে সামনের সারিতে থেকে নারায়ণগঞ্জে যে পরিবারটির উত্থান হয়েছিল দুই পুরুষ বাদে সেই পরিবারেরই উত্তরসূরিদের কর্মকাণ্ডের কারণে অতীত মান-মর্যাদা আজ ডুবতে বসেছে।
২১ জানুয়ারি ২০১৮, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

মানবতাবাদের গুরু লালন সাঁই

সহজিয়া সাধনা মানুষের অন্তর থেকে সৃষ্টি। আর এই সাধনায় গতি সঞ্চার হয়েছে মধ্যযুগে। যার মহামিলনক্ষেত্র ভারতবর্ষ। যুগে যুগে নানা ধর্ম ও মত সৃষ্টিও এখানেই। জ্ঞানপথ, যোগপথ, ভক্তিপথ ও কর্মপথসহ সব পথেরই সন্ধান দিয়েছেন ভারতবর্ষের সাধকরা।
১৬ অক্টোবর ২০১৭, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

আমাদের ডিম প্রেম

প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে হরদম ডিম ব্যবহারের ঘটনা ঘটছে বিভিন্ন দেশে। প্রতিবাদকারীরা রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী এবং নানা প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিদের উপর ডিম ছুঁড়ে প্রতিবাদ জানান। তাহলে ডিম শুধু আমিষের জোগান দেয় না, ডিমের বহুমুখী ব্যবহার কম বেশি সবার জানা।
১৪ অক্টোবর ২০১৭, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

কর্মক্ষেত্রে চাপ কি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে?

আমরা যখন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ি, তখন আমাদের একটা পেপার ছিল কমিউনিকেশন এন্ড সোসাইটি। সেই বিষয়ে পড়াতে গিয়ে স্যার বলেছিলেন জাপানিরা ক্রমশ সমাজ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে কাজ করতে করতে। তারা এতটাই ওয়ার্কোহলিক হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পথে। তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠছে যন্ত্রের সাথে।
১১ অক্টোবর ২০১৭, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গা ইস্যু: কেন চীন-রাশিয়ার উচিত জাতিসংঘকে সমর্থন করা?

রাজনৈতিক স্মৃতি স্বল্পস্থায়ী! মাত্র তিন বছর আগে রুয়ান্ডার গণহত্যার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত অলোচনায় চীন ও রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদের অন্য সদস্যদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গণহত্যার বিপক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছিল। গণহত্যা বন্ধে নিরাপত্তা পরিষদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তাদের সমর্থনে সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাবও পাশ হয়।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

সু চি মিয়ানমারের জনগণেরও শত্রু

২০১০ সালে মুক্ত হবার পরপরই গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সু চি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, মানবাধিকার আইকন হিসেবে নয়, তিনি নিজেকে একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রকাশ করতেই পছন্দ করেন। এখন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি ক্ষমতা চান। ক্ষমতার স্বার্থে তিনি নিজ দেশের বর্বর সামরিক বাহিনীর সাথে যেকোনো আপোষ করতে পারেন।
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের এখনই সময়

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পছন্দ না করার অসংখ্য কারণ রয়েছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই নানা অশোভন এবং আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে তিনি সমালোচিত এবং নিন্দিত। তার অনেক মন্তব্য মানবাধিকার বিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। সেই ট্রাম্পও এখন রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলছেন।
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

এটাই সু চি’র আসল চেহারা

মিয়ানমারের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া অং সান সু চি’র ভাষণের খসড়া কারা তৈরি করেছেন? তার নির্দেশে তার দপ্তরের কর্মকর্তারা? নাকি সামরিক বাহিনীর কর্তা ব্যক্তিরা নিজেদের পছন্দমত শব্দে খসড়া তৈরি করে দিয়েছেন? আর হাতে কপি পেয়ে তিনি সেটা পাঠ করেছেন। তোতা পাখির মতো শেখা বুলি আউড়ে গেছেন। সে জন্যই কোনো কিছু না জানার ভান করে গোটা বিশ্বকে বলতে পেরেছেন “রাখাইন থেকে মুসলিমরা কেন পালিয়ে বাংলাদেশে যাচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে চাই।”
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

সু চি'র ভাষণ রোহিঙ্গাদের জন্য নয়

এক সেনা জেনারেলের কন্যা সু চি। তার বাবাও ক্ষুদ্র নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠীর অধিকারের পক্ষে ছিলেন না। সেই বাবার সন্তান হয়ে সু চি কী করে রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলবেন?
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

আটকে পড়া রোহিঙ্গা হবে না তো?

হাজার হাজার রোহিঙ্গা দলে দলে সীমান্তের দিকে ধেয়ে আসছে। প্রথম দিকে তাদের আটকানোর চেষ্টা করা হল, সীমান্ত পাহারা জোরালো করা হল কিন্তু আস্তে আস্তে মানবিকতার খাতিরে তাদের আশ্রয় দেওয়া হল -- এটাই স্বাভাবিক। পার্শ্ববর্তী দেশে এরকম মানবিক বিপর্যয় হলে অন্যদেশ তাদের আশ্রয় দেয় -- এর অনেক উদাহরণ আমরা পাই। কিন্তু আমরা কি ভাবছি শেষ পর্যন্ত এর ফলাফল কী হতে পারে?
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:০৪ অপরাহ্ন

ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুর চরিত্র নিয়ে কোনো প্রশ্ন নয়

আমাদের চারপাশে ধর্ষকদের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। অনেকে সরাসরি ধর্ষণ না করলেও নানাভাবে ধর্ষকদের পক্ষে থাকছে। যৌন হয়রানির তো সীমা-পরিসীমা নেই। এক শ্রেণির লম্পট খুব সহজেই এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন