কমলা দাসীদের দুঃখ কি এ বছর যাবে
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় ৬৯ বছর বয়সী নারী কমলা দাসী প্রায় ৩৫ বছর আগে বিধবা হয়েছেন এবং গত ১৫ বছর ধরে তিনি বিধবা ভাতা পাচ্ছেন। প্রথম দিকে ভাতা পেতেন ২০০ টাকা। এখন পান ৫০০ টাকা।
৩ জানুয়ারী ২০২৩, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
চা-শ্রমিকদের ধর্মঘটের অবসান, তারপর
আগস্টের ৯-২৭ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চা-বাগানগুলোয় শ্রমিকরা দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে নজিরবিহীন ধর্মঘট পালন করেন। ধর্মঘটের এক পর্যায়ে বাগান মালিক পক্ষ দৈনিক নগদ ১৪৫ টাকা মজুরি দিতে সম্মত হয়। এতে শ্রমিক অসন্তোষ আরও বেড়ে যায়।
৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
মধুপুর বনে কেন কৃত্রিম হ্রদ?
মধুপুর শালবন এলাকায় বন বিভাগ একটি বাইদ খনন করে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করতে চাচ্ছে। মধুপুর গড় এলাকার নিচু জমিকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় বাইদ, যেখানে ধানসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ হয়। আর নিচু জমি থেকে ৩-৪ ফুট উঁচু জমি চালা হিসেবে পরিচিত। শালসহ অন্যান্য প্রজাতির বৃক্ষ দেখা যায় এখানে। এটিই লাল মাটির শালবনের স্বাভাবিক চিত্র। মধুপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় শাল ও অন্যান্য দেশি প্রজাতির বৃক্ষ বিলীন হয়েছে। সেখানে জায়গা করে নিয়েছে বিদেশি প্রজাতির অ্যাকাশিয়া, আনারস, কলা ও মসলার আবাদ। আর এভাবেই মধুপুর শালবনের অধিকাংশ জায়গায় বাইদ-চালার সৌন্দর্য বিলুপ্ত হয়েছে।
৫ এপ্রিল ২০২২, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
মহামারিকালে অবহেলিত চা-শ্রমিক
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার রামপুর চা-বাগানের শ্রমিক পবন পাল (৩৮) মারা গেছেন গত ৬ জুলাই। রামপুর বাগানটি ফিনলে চা কোম্পানির মালিকানাধীন রশিদপুর চা-বাগানের একটি ফাঁড়ি বাগান।
২৫ আগস্ট ২০২১, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
চা-শ্রমিকদের জন্যে উদ্ভট মজুরি কাঠামোর বিশ্লেষণ
ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গত ১৩ জুন এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্যে খসড়া মজুরি কাঠামো ঘোষণা করেছে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে গঠিত হয়েছে মজুরি বোর্ড। চা-বাগানে সাপ্তাহিক ও মাসিক মজুরির ভিত্তিতে শ্রমিক রয়েছে। দৈনিক ভিত্তিতে যারা কাজ করে, তাদের মজুরি নিয়ে নানা বিতর্ক আছে।
৪ জুলাই ২০২১, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
চা-শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি দেওয়ার এখনই সময়
মৌলভীবাজার জেলার দলই চা-বাগানের শ্রমিক রতন সাধু (৫৬) দৈনিক নগদ মজুরি পান ১০২ টাকা। এই মজুরি থেকেই কেটে রাখা হয় প্রভিডেন্ট ফান্ডে শ্রমিকের প্রদেয় অংশ, ধর্মীয় ফান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য-চাঁদা। রতন দৈনিক নগদ মজুরির সঙ্গে আরও যা পান, তার মধ্যে অন্যতম পাঁচ কেজি চাল বা আটা (সাড়ে তিন কেজি তার নিজের জন্য এবং দুই কেজি স্ত্রীর জন্য)। ভর্তুকি মূল্যে প্রতি কেজি চাল বা আটার জন্য তাকে অর্থ ব্যয় করতে হয়। নিবন্ধিত শ্রমিক হওয়ায় তিনি বছরে ৪ হাজার ৫৯০ টাকার দুটি বাৎসরিক বোনাসও পান। অন্যান্য চা-শ্রমিকের মতো তিনিও লেবার লাইনে বসবাস করেন এবং সেখানে তাকে ঘরভাড়া দিতে হয় না। এসবের পাশাপাশি তিনি আরও পান বিনা মূল্যে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা। রতন ও তার স্ত্রীর দুটি কন্যা সন্তান। একজনের বয়স ১৭, আরেকজনের ১৪। তাদের সন্তানেরা রেশন পায় না। কারণ রেশন সুবিধা পায় নিবন্ধিত শ্রমিকের দুই জন নির্ভরশীল সন্তান, যাদের বয়স ১২ বছরের কম।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
চা-শ্রমিকরা কেন শ্রম আইনের আওতার বাইরে?
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী চলমান লকডাউনের শুরুর দিকে এক বা দুই দিনের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন সিলেট বিভাগের প্রায় ৬০টি চা-বাগানের শ্রমিকরা। মালিকরা বাগানের কার্যক্রম বন্ধ করতে না চাইলেও তারা সেটি অগ্রাহ্য করেন। বাগান মালিকরা আত্মতৃপ্তির সঙ্গে দাবি করেন, চা-শ্রমিকদের আবাসস্থল ও কর্মস্থল নিরাপদ। তাই তাদের করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি নেই।
১ মে ২০২০, ০৩:২০ অপরাহ্ন
কোথাও কেউ ক্ষুধার্ত না থাকুক কিংবা অবহেলায় কারো মৃত্যু না হোক
ধনী-গরিব সবার ওপরেই পড়েছে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাব। তবুও, রাষ্ট্র ও সচ্ছল মানুষদের উচিত— সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া, প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি এ সময়ে বিশেষ নজর দেওয়া। এসব সম্প্রদায়ের সিংহভাগই কেবল দরিদ্র কিংবা হতদরিদ্র নয়, তারা দারিদ্র্যের ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জ ও দুর্বলতার মুখোমুখি। দেশে চলমান দুর্যোগকালীন তাদের অনেকেই হয়তো ক্ষুধার্ত কিংবা অনাহারে জীবন যাপন করে থাকতে পারেন। দেশে চলমান লকডাউনে কীভাবে এসব সম্প্রদায়ের মানুষের দিন কাটছে, সে চিত্র আমাদের জানা উচিত।
১৭ এপ্রিল ২০২০, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
করোনা-ঝুঁকি: কাজ করতে চা-শ্রমিকদের ‘না’
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গত ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়ে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে জনসমাগম বন্ধ রাখা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
১ এপ্রিল ২০২০, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন