বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক বিভাজনে ইকোচেম্বারের প্রভাব

ইকোচেম্বারে আটকে পড়া ব্যক্তি মূলত বুদ্ধিবৃত্তিক সীমাবদ্ধতার এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকেন। এই মানসিক বন্দিত্ব থেকে মুক্ত হতে হলে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র সবাইকে মিলিতভাবে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

সীতাকুণ্ডের ‘সুন্দরবন’ রক্ষায় সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে
প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো কেন বনভূমিকে খালি জমি হিসেবেই দেখে? কেন দেশের জলবায়ু সুরক্ষার জন্য আইনি সুরক্ষিত পরিবেশব্যবস্থা হিসেবে দেখছে না?
২২ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন সম্পাদকীয়
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যের জন্য সাধুবাদ, নির্বাচিতদের অবশ্যই সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে
যেসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো গেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো—নিম্নকক্ষের নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে (পিআর) সংসদের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের অনুমোদন।
১ আগস্ট ২০২৫, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন মতামত

ডাক্তার বা করোনাভাইরাস কি বিরোধীদল?

সব কিছুকেই আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি। মোকাবিলাও করতে চাই রাজনীতি দিয়ে। এর একটি কারণ হয়ত এই যে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিরোধীদল মোকাবিলায় আমরা সক্ষমতা অর্জন করেছি। সেই সক্ষমতায় ‘সুবিধা নেওয়া ও দায় চাপানো’র অতুলনীয় দক্ষতা অর্জন করেছি। করোনাভাইরাসকেও আমরা বিরোধীদলের মর্যাদা দিয়ে মোকাবিলার চেষ্টা করেছি।
১০ এপ্রিল ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

ধর্ষক, চোর ও ঘুষখোরের দেশে করোনা

বোধ হয় আমাদের কিছুই বদলাবে না। একটি ভাইরাসের কারণে সারা পৃথিবী যেখানে অচল; পুরো পৃথিবীর মানবজাতি এক ভয়াবহ সংকটে নিপতিত এবং কবে এই মহাবিপর্যয় থেকে তাদের মুক্তি মিলবে সেই আশায় দিন গুণছে; যখন সারা পৃথিবীর মানুষ এখন মানসিকভাবে ঐক্যবদ্ধ যে, যেভাবেই হোক এই অদৃশ্য শত্রুকে পরাস্ত করতেই হবে; যখন বলা হচ্ছে করোনাউত্তর পৃথিবীতে হয়তো অনেক কিছুই বদল যাবে, ক্ষমতার কেন্দ্র পাল্টে যাবে, বিশ্বনেতাদের চিন্তায়ও হয়তো পরিবর্তন আসবে— সেই মুহূর্তেও আমাদের দেশে পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত নেই।
১০ এপ্রিল ২০২০, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন

মাজেদের আটক ও একটি ন্যারেটিভ ফিকশন

উপহারটি হতে পারত ভারত সরকারের পক্ষ থেকে অথবা বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য, যদি খুনি নিজে এসে ধরা না দিত। মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে বছরের পর বছর পালিয়ে থাকা একজন খুনি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সিল করা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ধরা দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন।
৮ এপ্রিল ২০২০, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

গৃহবন্দিকালের যোদ্ধা বাবা-মায়েরা চাপ সামলাবেন কীভাবে

সেলিনা হোসেন একজন কর্মজীবী নারী। করোনা নিয়ে বন্ধে বাড়িতে বসে কাজ করছেন। উনি সবচেয়ে সমস্যায় আছেন তার দুই টিনএজ ছেলেকে নিয়ে। বললেন, ‘ওদের স্কুল-কলেজ বন্ধ, টিউশনি বন্ধ, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। ফলে ঘরে বসে বসে অস্থির হয়ে যাচ্ছে। সুযোগ পেলেই বাইরে যেতে চাইছে। যেতে মানা করলে রাগ হচ্ছে। রাতে দেরিতে ঘুমাচ্ছে, সকালে দেরি করে উঠছে। আর সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে আছে। পড়াশোনা করতে চাইছে না। এই নিয়ে ছেলেদের সঙ্গে ওদের বাবার গোলযোগ চলছেই।’
৮ এপ্রিল ২০২০, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

মন ভালো করা ভুটানের চিকিৎসা ব্যবস্থা

একজন বাংলাদেশি ডাক্তারের সূত্রে জানার সুযোগ হলো, করোনো ভাইরাস প্রতিরোধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ভুটান। দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিষয়ে আমরা জানি। ‘সুখি মানুষের দেশ‘ হিসেবেও কিছুটা জানি। জানি, ভুটানী শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে পড়তে আসে। এর চেয়ে খুব বেশি তথ্য আমরা অনেকেই জানি না। ভুটানকে খুব একটা গুরুত্বের মধ্যেও ধরি না। এক সময় ভুটানকে ফুটবলে সাত-আট গোলে হারাতাম। সেই দিন আর নেই। এখন মাঝে-মধ্যে আমরা ভুটানের কাছে হেরেও যাই।
৭ এপ্রিল ২০২০, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন

নিষ্ঠুর মাসে নিষ্ঠুর বিজিএমইএ

এপ্রিল মাসকে বলা হয় বছরের সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম মাস। আর এই নিষ্ঠুর মাসে আরেকটি নিষ্ঠুরতম কাজ করল দেশের তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
৬ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

‘মরে গেলে বেঁচে গেলাম, বেঁচে থাকলে খাব কী’

যখন সবকিছু বন্ধ, তখন কেন পোশাক কারখানা খুলতে হবে এবং কেন লাখ লাখ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হবে? প্রশ্ন উঠেছে, মালিকরা যদি শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তারা কেন সরকারের কাছে প্রণোদনার প্রত্যাশা করেন বা সরকার কেন জনগণের টাকায় তাদের সেই প্রণোদনা দেবে?
৪ এপ্রিল ২০২০, ০৩:৩০ অপরাহ্ন

করোনার দিনে অন্যান্য রোগীদের যা করতে হবে

শ্বাসকষ্ট হলেই করোনা আক্রান্ত রোগী হিসেবে ধরে নেওয় কোনোভাবেই ঠিক নয়। অন্য অনেক রোগের কারণে শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। হাঁপানি, ক্রনিক পালমোনারি অবস্ট্রাকটিভ ডিজিস, হার্ট ফেইলর, ক্রনিক কিডনি ডিজিস, এমনকি অতি মাত্রায় রক্তশূন্যতা থেকেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। করোনা ছাড়া অন্য শ্বাসকষ্টের রোগীর এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা পাওয়ার কি অধিকার নেই?
৪ এপ্রিল ২০২০, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

করোনা, মিডিয়ার জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা!

এক্সটিনশন, হ্যাঁ- ইংরেজিতে এই শব্দটিই ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলা একাডেমি যার অর্থ করেছে ধ্বংস। বিলোপ বা বিলুপ্ত হওয়াও বুঝায়। বিষয়টি আঁতকে ওঠার মত। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার সঠিক খবর পৌঁছে দিতে সংবাদকর্মীরা যখন সকল ঝুঁকি নিয়েও কাজ করে চলেছেন, ‘আপনি ঘরে থাকুন, খবর আমরা পৌঁছে দেব’ বলে যে তথ্যসেবার বানী উচ্চারণ করছেন, মিথ্যা রটনা আর গুজব প্রতিহত করে বস্তুনিষ্ঠ খবর জানিয়ে দিতে সদা সচেতন রয়েছেন, ঠিক তখনই পেশা হিসেবে সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেক মিডিয়ার ক্ষেত্রে বিলুপ্তির পর্যায়ে হুমকি রয়েছে বলেই উল্লেখ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
৪ এপ্রিল ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

ফিরিয়ে দেওয়া রোগীর মৃত্যু ও চিকিৎসকের শপথ

একটি হাসপাতাল যখন চালু করা হয়, তার প্রধান শর্তই থাকে সেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিতে হবে। হাসপাতাল থাকবে কিন্তু চিকিৎসক থাকবে না, সেটা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না। চিকিৎসকবিহীন হাসপাতাল আর পানি বিহীন সমুদ্র একই কথা।
২ এপ্রিল ২০২০, ০১:৩০ অপরাহ্ন

পুলিশ যেভাবে ‘ভিলেন’ হয়

সেই ছোট বেলার কথা। বিটিভিতে প্রতি শুক্রবার বেলা তিনটায় একটা করে বাংলা সিনেমা দেখাত। আমরা যারা ছেলে-পুলে কিংবা আশপাশের বাড়ির মামী, খালারা দল বেধে টিভি দেখতে যেতাম। যতগুলো বাংলা ছবি সেই ছোট বয়সে দেখেছি, তার কোনটিতে পুলিশ চরিত্রগুলো ছিল হয় ‘ঘুষখোর’ না হয় ‘বড় লোকের চামচা’।
২ এপ্রিল ২০২০, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

প্রসঙ্গ গুজব: ভাইরাস যখন ভাইরাল হয়ে যায়

করোনা আক্রান্ত রোগী নিয়ে গুজবের কোনো শেষ নেই। করোনা মারাত্মক ছোঁয়াচে এ কথা সত্য। তাই সবাইকে সচেতন থাকার কথা বলা হচ্ছে বারবার। এই রোগ ও রোগীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকাই ভালো। কাছে গেলেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে যেতে হবে। এমনকি, মৃতদেহ দাফন করার ক্ষেত্রেও রয়েছে নিয়ম।
১ এপ্রিল ২০২০, ১২:১৮ অপরাহ্ন

করোনা-ঝুঁকি: কাজ করতে চা-শ্রমিকদের ‘না’

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গত ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়ে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে জনসমাগম বন্ধ রাখা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
১ এপ্রিল ২০২০, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

দূরত্ব বজায় রাখুন, ভিড় এড়িয়ে চলুন

​করোনাভারাসের সংক্রমণ বন্ধ করতে বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশেও ১০ দিনের বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে যা এরই মধ্যে আরও পাঁচ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর জন্য করণীয় সম্পর্কে জানিয়েছেন স্বনামধন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ।
৩১ মার্চ ২০২০, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে এখনও হামে শিশু মরে পাহাড়ে

পার্বত্য চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ত্রিপুরা ও ম্রো সম্প্রদায়ের নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কেন বারবার এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না। নেওয়া হচ্ছে না প্রতিকারের ব্যবস্থা।
৩১ মার্চ ২০২০, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

১ শতাংশও নয়, ০.১৪ শতাংশের করোনা পরীক্ষা ও মীরজাদির তথ্য

যদি কারো জ্বর-কাশি-শ্বাসকষ্ট জাতীয় সমস্যা পরিলক্ষিত হয়, তিনি আইইডিসিআরে ফোন করবেন। ফোনে শুনে যদি মনে হয় এটা করোনাভাইসের লক্ষণ, তবে আইইসিডিআরের পক্ষ থেকে তার কাছে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। সেই নমুনা ঢাকার আইইডিসিআরের ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় যদি করেনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তাহলে হাসপাতালের ভর্তি করা হবে। করোনাভাইরাসের লক্ষণ মনে করে সরাসরি আইইডিসিআরে চলে যাওয়া যাবে না। এটাই আইইডিসিআরের বা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা।
৩১ মার্চ ২০২০, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন

গরিব পেটানোর মূলেও আইনের শাসনহীন বিচারহীনতা

মানুষকে অপমান-অসম্মান ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার মধ্যে এক ধরনের আনন্দের উপলক্ষ লুকিয়ে থাকে। বিশেষ করে ক্ষমতাবানরা ক্ষমতাহীন দরিদ্রদের নিপীড়ন করে আনন্দ পায়। এই আনন্দের হয়ত নৃতাত্ত্বিক-সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখা বা বিশ্লেষণ আছে। তা না হলে রীতি কিছুকাল অনুপস্থিত থেকে আবার ফিরে আসবে কেন!
৩০ মার্চ ২০২০, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

মানব মনের ‘কদর্য’ মৃত্যুকে করেছে বড়ই অসুন্দর

রাত চলে গেছে, সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়েছে, দুপুর থেকে সন্ধ্যা। মৃতদেহ নিয়ে ঘরে একা কেঁদে চলেছেন তার স্ত্রী। না এসেছেন ডাক্তার না কোন প্রতিবেশী। মানুষ মরে গেলে সমবেদনা প্রকাশের যে রীতিও তাও যেন ভূলুণ্ঠিত হলো।
২৯ মার্চ ২০২০, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

করোনা আলো ফেললো কলসের ফুটায়

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় ঘরে থাকা, একা থাকা ও অন্যের থেকে প্রয়োজনীয় দুরত্ব বজায় রাখা। তাই করছি মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। প্রাণঘাতী ভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কিত সংবাদ আর সিনেমা দেখেই সময় কাটছে। গভীর রাতে ইয়োরগোস লানথিমোসের দ্য কিলিং অফ এ সেকরেড ডিয়ার সিনেমাটি আবারও দেখছিলাম।
২৯ মার্চ ২০২০, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

অস্ট্রেলিয়া কি ভুল পথে হাঁটছে?

অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে জ্যামিতিক হারে। পরিসংখ্যান বলছে, ইতালির মতো মহাবিপর্যের দিকে নিয়ত এগিয়ে চলেছে প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ের এই দেশ। উৎকণ্ঠা নিয়ে বিপর্যস্ত ও অনিশ্চিত জীবনযাপন করছেন দেশটির আড়াই কোটি মানুষ। সরকারের বেশ কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্ত করোনা বিপর্যয়কে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে বলে স্থানীয় মিডিয়া ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভও বাড়ছে।
২৯ মার্চ ২০২০, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন

ডাক্তার বা করোনাভাইরাস কি বিরোধীদল?

সব কিছুকেই আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি। মোকাবিলাও করতে চাই রাজনীতি দিয়ে। এর একটি কারণ হয়ত এই যে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিরোধীদল মোকাবিলায় আমরা সক্ষমতা অর্জন করেছি। সেই সক্ষমতায় ‘সুবিধা নেওয়া ও দায় চাপানো’র অতুলনীয় দক্ষতা অর্জন করেছি। করোনাভাইরাসকেও আমরা বিরোধীদলের মর্যাদা দিয়ে মোকাবিলার চেষ্টা করেছি।
১০ এপ্রিল ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

ধর্ষক, চোর ও ঘুষখোরের দেশে করোনা

বোধ হয় আমাদের কিছুই বদলাবে না। একটি ভাইরাসের কারণে সারা পৃথিবী যেখানে অচল; পুরো পৃথিবীর মানবজাতি এক ভয়াবহ সংকটে নিপতিত এবং কবে এই মহাবিপর্যয় থেকে তাদের মুক্তি মিলবে সেই আশায় দিন গুণছে; যখন সারা পৃথিবীর মানুষ এখন মানসিকভাবে ঐক্যবদ্ধ যে, যেভাবেই হোক এই অদৃশ্য শত্রুকে পরাস্ত করতেই হবে; যখন বলা হচ্ছে করোনাউত্তর পৃথিবীতে হয়তো অনেক কিছুই বদল যাবে, ক্ষমতার কেন্দ্র পাল্টে যাবে, বিশ্বনেতাদের চিন্তায়ও হয়তো পরিবর্তন আসবে— সেই মুহূর্তেও আমাদের দেশে পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত নেই।
১০ এপ্রিল ২০২০, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন

মাজেদের আটক ও একটি ন্যারেটিভ ফিকশন

উপহারটি হতে পারত ভারত সরকারের পক্ষ থেকে অথবা বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য, যদি খুনি নিজে এসে ধরা না দিত। মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে বছরের পর বছর পালিয়ে থাকা একজন খুনি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সিল করা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ধরা দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন।
৮ এপ্রিল ২০২০, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

গৃহবন্দিকালের যোদ্ধা বাবা-মায়েরা চাপ সামলাবেন কীভাবে

সেলিনা হোসেন একজন কর্মজীবী নারী। করোনা নিয়ে বন্ধে বাড়িতে বসে কাজ করছেন। উনি সবচেয়ে সমস্যায় আছেন তার দুই টিনএজ ছেলেকে নিয়ে। বললেন, ‘ওদের স্কুল-কলেজ বন্ধ, টিউশনি বন্ধ, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। ফলে ঘরে বসে বসে অস্থির হয়ে যাচ্ছে। সুযোগ পেলেই বাইরে যেতে চাইছে। যেতে মানা করলে রাগ হচ্ছে। রাতে দেরিতে ঘুমাচ্ছে, সকালে দেরি করে উঠছে। আর সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে আছে। পড়াশোনা করতে চাইছে না। এই নিয়ে ছেলেদের সঙ্গে ওদের বাবার গোলযোগ চলছেই।’
৮ এপ্রিল ২০২০, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

মন ভালো করা ভুটানের চিকিৎসা ব্যবস্থা

একজন বাংলাদেশি ডাক্তারের সূত্রে জানার সুযোগ হলো, করোনো ভাইরাস প্রতিরোধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ভুটান। দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিষয়ে আমরা জানি। ‘সুখি মানুষের দেশ‘ হিসেবেও কিছুটা জানি। জানি, ভুটানী শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে পড়তে আসে। এর চেয়ে খুব বেশি তথ্য আমরা অনেকেই জানি না। ভুটানকে খুব একটা গুরুত্বের মধ্যেও ধরি না। এক সময় ভুটানকে ফুটবলে সাত-আট গোলে হারাতাম। সেই দিন আর নেই। এখন মাঝে-মধ্যে আমরা ভুটানের কাছে হেরেও যাই।
৭ এপ্রিল ২০২০, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন

নিষ্ঠুর মাসে নিষ্ঠুর বিজিএমইএ

এপ্রিল মাসকে বলা হয় বছরের সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম মাস। আর এই নিষ্ঠুর মাসে আরেকটি নিষ্ঠুরতম কাজ করল দেশের তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
৬ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

‘মরে গেলে বেঁচে গেলাম, বেঁচে থাকলে খাব কী’

যখন সবকিছু বন্ধ, তখন কেন পোশাক কারখানা খুলতে হবে এবং কেন লাখ লাখ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হবে? প্রশ্ন উঠেছে, মালিকরা যদি শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তারা কেন সরকারের কাছে প্রণোদনার প্রত্যাশা করেন বা সরকার কেন জনগণের টাকায় তাদের সেই প্রণোদনা দেবে?
৪ এপ্রিল ২০২০, ০৩:৩০ অপরাহ্ন

করোনার দিনে অন্যান্য রোগীদের যা করতে হবে

শ্বাসকষ্ট হলেই করোনা আক্রান্ত রোগী হিসেবে ধরে নেওয় কোনোভাবেই ঠিক নয়। অন্য অনেক রোগের কারণে শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। হাঁপানি, ক্রনিক পালমোনারি অবস্ট্রাকটিভ ডিজিস, হার্ট ফেইলর, ক্রনিক কিডনি ডিজিস, এমনকি অতি মাত্রায় রক্তশূন্যতা থেকেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। করোনা ছাড়া অন্য শ্বাসকষ্টের রোগীর এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা পাওয়ার কি অধিকার নেই?
৪ এপ্রিল ২০২০, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

করোনা, মিডিয়ার জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা!

এক্সটিনশন, হ্যাঁ- ইংরেজিতে এই শব্দটিই ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলা একাডেমি যার অর্থ করেছে ধ্বংস। বিলোপ বা বিলুপ্ত হওয়াও বুঝায়। বিষয়টি আঁতকে ওঠার মত। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার সঠিক খবর পৌঁছে দিতে সংবাদকর্মীরা যখন সকল ঝুঁকি নিয়েও কাজ করে চলেছেন, ‘আপনি ঘরে থাকুন, খবর আমরা পৌঁছে দেব’ বলে যে তথ্যসেবার বানী উচ্চারণ করছেন, মিথ্যা রটনা আর গুজব প্রতিহত করে বস্তুনিষ্ঠ খবর জানিয়ে দিতে সদা সচেতন রয়েছেন, ঠিক তখনই পেশা হিসেবে সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেক মিডিয়ার ক্ষেত্রে বিলুপ্তির পর্যায়ে হুমকি রয়েছে বলেই উল্লেখ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
৪ এপ্রিল ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

ফিরিয়ে দেওয়া রোগীর মৃত্যু ও চিকিৎসকের শপথ

একটি হাসপাতাল যখন চালু করা হয়, তার প্রধান শর্তই থাকে সেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিতে হবে। হাসপাতাল থাকবে কিন্তু চিকিৎসক থাকবে না, সেটা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না। চিকিৎসকবিহীন হাসপাতাল আর পানি বিহীন সমুদ্র একই কথা।
২ এপ্রিল ২০২০, ০১:৩০ অপরাহ্ন

পুলিশ যেভাবে ‘ভিলেন’ হয়

সেই ছোট বেলার কথা। বিটিভিতে প্রতি শুক্রবার বেলা তিনটায় একটা করে বাংলা সিনেমা দেখাত। আমরা যারা ছেলে-পুলে কিংবা আশপাশের বাড়ির মামী, খালারা দল বেধে টিভি দেখতে যেতাম। যতগুলো বাংলা ছবি সেই ছোট বয়সে দেখেছি, তার কোনটিতে পুলিশ চরিত্রগুলো ছিল হয় ‘ঘুষখোর’ না হয় ‘বড় লোকের চামচা’।
২ এপ্রিল ২০২০, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

প্রসঙ্গ গুজব: ভাইরাস যখন ভাইরাল হয়ে যায়

করোনা আক্রান্ত রোগী নিয়ে গুজবের কোনো শেষ নেই। করোনা মারাত্মক ছোঁয়াচে এ কথা সত্য। তাই সবাইকে সচেতন থাকার কথা বলা হচ্ছে বারবার। এই রোগ ও রোগীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকাই ভালো। কাছে গেলেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে যেতে হবে। এমনকি, মৃতদেহ দাফন করার ক্ষেত্রেও রয়েছে নিয়ম।
১ এপ্রিল ২০২০, ১২:১৮ অপরাহ্ন

করোনা-ঝুঁকি: কাজ করতে চা-শ্রমিকদের ‘না’

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গত ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়ে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে জনসমাগম বন্ধ রাখা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
১ এপ্রিল ২০২০, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

দূরত্ব বজায় রাখুন, ভিড় এড়িয়ে চলুন

​করোনাভারাসের সংক্রমণ বন্ধ করতে বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশেও ১০ দিনের বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে যা এরই মধ্যে আরও পাঁচ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর জন্য করণীয় সম্পর্কে জানিয়েছেন স্বনামধন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ।
৩১ মার্চ ২০২০, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে এখনও হামে শিশু মরে পাহাড়ে

পার্বত্য চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ত্রিপুরা ও ম্রো সম্প্রদায়ের নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কেন বারবার এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না। নেওয়া হচ্ছে না প্রতিকারের ব্যবস্থা।
৩১ মার্চ ২০২০, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

১ শতাংশও নয়, ০.১৪ শতাংশের করোনা পরীক্ষা ও মীরজাদির তথ্য

যদি কারো জ্বর-কাশি-শ্বাসকষ্ট জাতীয় সমস্যা পরিলক্ষিত হয়, তিনি আইইডিসিআরে ফোন করবেন। ফোনে শুনে যদি মনে হয় এটা করোনাভাইসের লক্ষণ, তবে আইইসিডিআরের পক্ষ থেকে তার কাছে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। সেই নমুনা ঢাকার আইইডিসিআরের ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় যদি করেনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তাহলে হাসপাতালের ভর্তি করা হবে। করোনাভাইরাসের লক্ষণ মনে করে সরাসরি আইইডিসিআরে চলে যাওয়া যাবে না। এটাই আইইডিসিআরের বা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা।
৩১ মার্চ ২০২০, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন

গরিব পেটানোর মূলেও আইনের শাসনহীন বিচারহীনতা

মানুষকে অপমান-অসম্মান ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার মধ্যে এক ধরনের আনন্দের উপলক্ষ লুকিয়ে থাকে। বিশেষ করে ক্ষমতাবানরা ক্ষমতাহীন দরিদ্রদের নিপীড়ন করে আনন্দ পায়। এই আনন্দের হয়ত নৃতাত্ত্বিক-সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখা বা বিশ্লেষণ আছে। তা না হলে রীতি কিছুকাল অনুপস্থিত থেকে আবার ফিরে আসবে কেন!
৩০ মার্চ ২০২০, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

মানব মনের ‘কদর্য’ মৃত্যুকে করেছে বড়ই অসুন্দর

রাত চলে গেছে, সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়েছে, দুপুর থেকে সন্ধ্যা। মৃতদেহ নিয়ে ঘরে একা কেঁদে চলেছেন তার স্ত্রী। না এসেছেন ডাক্তার না কোন প্রতিবেশী। মানুষ মরে গেলে সমবেদনা প্রকাশের যে রীতিও তাও যেন ভূলুণ্ঠিত হলো।
২৯ মার্চ ২০২০, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

করোনা আলো ফেললো কলসের ফুটায়

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় ঘরে থাকা, একা থাকা ও অন্যের থেকে প্রয়োজনীয় দুরত্ব বজায় রাখা। তাই করছি মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। প্রাণঘাতী ভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কিত সংবাদ আর সিনেমা দেখেই সময় কাটছে। গভীর রাতে ইয়োরগোস লানথিমোসের দ্য কিলিং অফ এ সেকরেড ডিয়ার সিনেমাটি আবারও দেখছিলাম।
২৯ মার্চ ২০২০, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

অস্ট্রেলিয়া কি ভুল পথে হাঁটছে?

অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে জ্যামিতিক হারে। পরিসংখ্যান বলছে, ইতালির মতো মহাবিপর্যের দিকে নিয়ত এগিয়ে চলেছে প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ের এই দেশ। উৎকণ্ঠা নিয়ে বিপর্যস্ত ও অনিশ্চিত জীবনযাপন করছেন দেশটির আড়াই কোটি মানুষ। সরকারের বেশ কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্ত করোনা বিপর্যয়কে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে বলে স্থানীয় মিডিয়া ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভও বাড়ছে।
২৯ মার্চ ২০২০, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন