নোয়াখালীতে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকার দারুল উলুম একাডেমি মাদ্রাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত আলী হোসেন তাহসিন (১১) একই ওয়ার্ডের পশ্চিম করালিয়া গ্রামের মো. নুর টিপুর ছেলে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে তাহসিন। শুক্রবার ভোর রাতে ফজর নামাজ পড়ার জন্য তাকে ডাকে সহপাঠীরা। কোনো সাড়া না পেয়ে তার মুখে পানি ছিটানো হয়। এতেও সাড়া না পাওয়ায় তাহসিনকে বসুরহাট পৌরসভার ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে দারুল উলুম মাদ্রাসার দায়িত্বে থাকা শিক্ষক ইমরান হোসাইন ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘যা বলার পুলিশকে বলেছি, আপনাকে কেন বলব? আপনি কি পুলিশের চেয়ে বড়?’। পরে তিনি সংযোগ কেটে দেন।
মাদ্রাসার প্রধান আবদুল মোতালেব মোবাইল ফোনে ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি বরিশাল আছি। ছাত্র মারা যাওয়ার ঘটনা শুনে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি।’
মৃত তাহসিনের বোন জেরিন আক্তার ডেইলি স্টারকে বলেন, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে মাদ্রাসা থেকে ফোন করে জানানো হয়, তাহসিন স্ট্রোক করে মারা গেছে।
ওসি নুরুল হাকিম বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) লিয়াকত আকবর ডেইলি স্টারকে বলেন, ওই শিক্ষার্থী কীভাবে মারা গেছে, তা জানতে কাজ করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।