ফরিদপুরে ঈদের নামাজের পর সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় ৮-১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে এ সংঘর্ষ।
এলাকাবাসী জানায়, গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে। একপক্ষের নেতৃত্বে গ্রামের ইসমাইল মুন্সী (৬৫) ও অপর পক্ষের নেতৃত্বে একই গ্রামের কামরুল মিয়া (৪৫)।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে কামরুল মিয়ার সঙ্গে ইসমাইল মুন্সীর ছেলে ফুয়াদ হোসেনের কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপরে গ্রামের দুই পক্ষই ঢাল, সড়কি, রামদা ও ইটপাটকেল নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার দিকে সংঘর্ষে জড়ায়।
টর্চলাইট জ্বালিয়ে ঘণ্টাখানেক এ সংঘর্ষ চলে। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও এলাকার মাতব্বরদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১২ জন আহত হন। এর জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন আর ৮-১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।