আবুল মনসুর আহমদের রাষ্ট্রকল্প ও উৎসব-ভাবনা
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
সাহিত্য
থম্পসন লাইব্রেরি / যেভাবে শহরের অংশ হয়ে ওঠে একটি লাইব্রেরি
২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
সংস্কৃতি
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়েই উপেক্ষিত নজরুল স্মৃতি ও গবেষণা
২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সাহিত্য
হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৩ জন
২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
সাহিত্য
ঐতিহ্য ফেরাতে চলনবিলে পুঁথি পাঠের আসর
২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ
মুরাকামি দেখান আমরা একসঙ্গে থেকেও বিচ্ছিন্ন
পৃথিবীর প্রথম প্রাণী হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণ করেছিল লাইকা নামের একটি কুকুর। ১৯৫৭ সালের সোভিয়েত মহাকাশযান স্পুটনিক-২ তে চড়ে রওনা দিলেও বেশি দিন বাঁচতে পারেনি কুকুরটি। মহাকাশের অন্ধকার শূন্যতায় হারিয়ে যেতে যেতে লাইকা কি দেখেছিল শুধুই নিঃসঙ্গতা? হারুকি মুরাকামির 'স্পুটনিক সুইটহার্ট' বই জুড়েও রইলো সেরকমই এক অদেখা শূন্যতা।
৬ মে ২০২৩, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
‘দেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে হলে সে দেশের বইগুলোকে নিতে হবে’
‘দেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে হলে সে দেশের বইগুলোকে নিতে হবে সবার আগে, সে দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষদের জীবন ও কীর্তি নিয়ে যেতে হবে। তাহলেই দেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়বে যথাযথ বার্তা।’
৫ মে ২০২৩, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
মুক্তচিন্তার পথিকৃৎ আবুল ফজল
৪ দশক আগে ১৯৮৩ সালের আজকের দিনে চলে গিয়েছিলেন মুক্তচিন্তা ও চিন্তাশীলতার পথিকৃৎ আবুল ফজল।
৪ মে ২০২৩, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম: বাংলার হৃদয়ে জ্বেলেছেন যিনি অনির্বাণ শিখা
জাহানারা ইমামের ছড়িয়ে দেওয়া সেই আলোকশিখা প্রজ্বালিত থাকবে হাজার বছর। ৯৪তম জন্মদিবসে জাতির আলোকবর্তিকা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
৩ মে ২০২৩, ০৩:২১ অপরাহ্ন
সত্যজিৎ রায় বাংলা ও বাঙালির গর্ব: সেলিনা হোসেন
সত্যজিৎ রায় বাংলা ও বাঙালির গর্ব। তিনি তার অনন্যসাধারণ চলচ্চিত্রগুচ্ছের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রকে নতুন গন্তব্য দান করেছেন।'
২ মে ২০২৩, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
প্রশ্নহীন সময়ে প্রশ্ন তুলতে শিখিয়েছেন যিনি
একজন গবেষকের প্রধান গুণ কি? বিশ্লেষণের ক্ষমতা ছাড়া, এ প্রশ্নের যুতসই কোন উত্তর নেই। ইতিহাসবেত্তার কাজও তাই। কেবল বিশ্লেষণ নয়, সেটাকে কতগুলো মাত্রায় ও কত রকমের স্তর থেকে বিশ্লেষণ করা যায় সেটাই হল প্রকৃত গুণবিচারী ক্ষমতা । যে গুণে অনন্য ছিলেন রণজিৎ গুহ। যে কোন বিষয়কে হোলিস্টিক প্রসেসে অর্থাৎ সমগ্রক রূপে দেখায় তিনি যে দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন তা সবার জন্যই অমূল্য এক পাথেয়।
২ মে ২০২৩, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
কেন বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যায়
উন্নয়নের দেশে কিসের অভাবে বন্ধ হয়ে যায় বইয়ের দোকান? এর মধ্য দিয়ে কী বার্তা দেয়, সেটা কখনো কি জানার ও ভাবার চেষ্টা করেছি? ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান, সমাজ থেকে রাষ্ট্র, কোনো পর্যায়ে এসব নিয়ে ভাবান্তর সদর্থক অর্থে দৃশ্যমান হয়নি। এসবের পেছেন কারণ কি একটাই-- জাতি হিসেবে আমরা বই বিমুখ? যদি এই অভিযোগ সত্য হলে, তাহলে তো পাল্টা প্রশ্নও করা যায়, এর থেকে উত্তরণের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই কেন? দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মিত হচ্ছে যখন, সে সময়ে বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার অপসংস্কৃতিতে স্পষ্ট হয় আমরা কাঠামোগত উন্নয়নে যতটা আন্তরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে উল্টোপথে ও জ্ঞানচর্চার মূলস্রোত থেকে অনেক দূরে।
৩০ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
রণজিৎ গুহর মতো সৃজনশীল গবেষক আমাদের সময়ে আর নেই: দীপেশ চক্রবর্তী
‘রণজিৎ গুহ--এমন একজন ইতিহাসবিদ যিনি আমাদের কালে ছিলেন, তা আমাদের জন্য সৌভাগ্য,’—অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধায় কথাগুলো বলছিলেন ইতিহাসবিদ দীপেশ চক্রবর্তী।
২৯ এপ্রিল ২০২৩, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
ভারতীয় ইতিহাসবিদ রণজিৎ গুহ মারা গেছেন
প্রখ্যাত ভারতীয় ইতিহাসবিদ রণজিৎ গুহ আর নেই। আজ ভোরে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
২৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
‘ইতিহাসভিত্তিক বিচারের বোধ আজ গভীর সংকটে’
বাঙালি ইতিহাসবিদ দীপেশ চক্রবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ইউনিভার্সিটির ইতিহাস বিভাগের লরেন্স এ কিম্পটন ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস প্রফেসর। তার গবেষণার বিষয় নিম্নবর্গের অধ্যয়ন, উত্তর–উপনিবেশ তত্ত্ব এবং জলবায়ু ও পরিবেশ। পূর্ববঙ্গ, বাংলাদেশ ও তৃতীয় বাংলা তার অন্যান্য আগ্রহ ও অনুসন্ধানের বিষয়।
২৩ এপ্রিল ২০২৩, ১২:৫০ অপরাহ্ন
কেমন ছিল শতবছর পূর্বের ঈদ
এখন আমরা যেভাবে ঈদুল ফিতর উদযাপন করি আমাদের পূর্ব পুরুষরা অবশ্যই এভাবে করতেন না
২২ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে যাদের জন্ম তাদের ডাকা হয় নাইন্টিজ কিড বলে। নব্বইয়ের দশকে যাদের জন্ম গ্রামে তারা জীবনকে দেখেছে দুটি ভাগে। একদিকে শৈশব কৈশোরে মাটির ছোঁয়া, অন্যদিকে তারুণ্যে এসে প্রযুক্তির মেলবন্ধন। গ্রামের কাদা মাটি ডিঙ্গিয়ে, আলো বাতাস ছুঁয়ে বেড়ানো সেই অপ্রতিরোধ্য শৈশব যেমন ছিল প্রাণখোলা, ঠিক তেমনই দেখেছি প্রযুক্তি নির্ভর জীবনের আরেক রূপ।
২১ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
সর্বজনীন উৎসবের আকাঙ্ক্ষা
এক মাসের ভেতরে পরপর তিনটি উৎসব। স্বাধীনতা দিবস, বাংলা নববর্ষ আর ঈদ। প্রথম দুটো সর্বজনীন (!), আর শেষটা মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এরকম উৎসবমুখর সময়ে তো দেশজুড়ে আনন্দযজ্ঞ চলার কথা। তা কি হচ্ছে? মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে কী দেখতে পাচ্ছেন আপনারা? বাধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাস-উল্লাস-আয়োজন নাকি বিষাদ-বিপন্নতা-হতাশা-হাহাকার?
২১ এপ্রিল ২০২৩, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
হারানো কাসিদার খোঁজে
‘কাসিদা গাইতে গিয়া বহুত পবিত্র লাগত। ওইটা আসলে বুঝান যাইব না। এখন তো মাইক হইছে, মসজিদ থেইকা ডাইকা দেয়, ঘড়ি হইছে, মোবাইল আছে। কাসিদার দিন গেছেগা।’
১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
জাতীয়তাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের লড়াই
গণবিক্ষোভ ও আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাবার জন্য ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট আয়োজন করেছিল সাধারণ নির্বাচনের। নির্বাচনের পরে দাঙ্গা বাধে, এবং ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যাবার দিকে অনিবার্যভাবে অগ্রসর হয়। বলাবাহুল্য দেশভাগে জাতীয়তাবাদী হিন্দু মহাসভার উৎসাহ ছিল সর্বাধিক।
১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
‘বাংলাদেশের কালচার’ ও প্রাসঙ্গিক বৈশাখ ভাবনা
আবুল মনসুর আহমদের 'বাংলাদেশের কালচার' বইয়ের রিভিউ প্রতিযোগিতায় আমি প্রথম স্থান অর্জন করি। স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছি ৫ হাজার টাকার বই! সেইসব বই দেখতে দেখতে আমার আনন্দ-উত্তেজনা পৌঁছেছে ভিন্ন মাত্রায়। সেইসব অভিজ্ঞতায় ‘বাংলাদেশের কালচার’ পড়াকালীন চিন্তা ও চলমান সাংস্কৃতিক সংকট নিয়ে লেখাটি।
১৮ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতিতে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা
‘কি দেব তোমারে, নাই যে ধান খামারে
মোর কপাল গুণে রে –
কাঠফাটা রোদের আগুনে
আয় বৃষ্টি ঝেঁপে আয় রে –’
১৭ এপ্রিল ২০২৩, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
জাফরুল্লাহ চৌধুরী: কতটা সম্মানের, কতটা পেলেন
একজন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, একজন চে, একজন গৌতম বুদ্ধ। তিন সময়ের তিনজন মানুষ। যাদের ভূগোল ও ভগবান এক ছিল না। কিন্তু কর্মগুণে, জীবনের অভীপ্সায়, বৃহত্তর মানুষের কল্যাণ ও মুক্তির দিশায় অভিন্ন বৈশিষ্ট্যর অধিকারী ছিলেন। যে বৈশিষ্ট্যের কথা আমরা চে-র কাছে ধার নিয়ে বলতে পারি, ‘হাস্তা লা ভিক্টোরিয়া সিয়েম্প্রে’-বিজয় না পর্যন্ত লড়াই কর। একজন গৌতম, একজন চে, একজন জাফরুল্লাহ চৌধুরী এই সত্যে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত রেখেছিলেন প্রবল প্রতীতি।
১৭ এপ্রিল ২০২৩, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর তিনটি বইয়ের বহুমাত্রিক ব্যঞ্জনা
বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে আমাদের কম বেশি ধারণা রয়েছে। কিন্তু ২০১২ সালে অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশের পর থেকেই লেখক বঙ্গবন্ধুর পরিচয় সামনে আসে। ২০১৭ সালে কারাগারের রোজনামচা, ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় আমার দেখা নয়াচীন।
১৬ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
সাংস্কৃতিক জাগরণে হবীবুল্লাহ্ বাহার এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
“মুসলিম বাংলার জাতীয় জাগরণ আনয়নের ব্যাপারে নজরুল ইসলামের জ্বালাময়ী কবিতা ও আব্বাসউদ্দীনের উদ্দীপনাপূর্ণ কণ্ঠসঙ্গীতের সাথে হবীবুল্লাহ্ বাহার পরিচালিত মোহামেডান স্পোর্টিং-এর বিজয়াভিযানও একসূত্রে গ্রথিত।” মূল্যায়নটি বিখ্যাত সাংবাদিক আবুল কালাম শামসুদ্দীনের। নজরুলের কবিতা ও আব্বাসউদ্দীনের গানের সাথে মোহামেডান স্পোর্টিং-এর তুলনা করা চাট্টিখানি কথা নয়। অর্থাৎ, ত্রিশের দশকে বাংলার মুসলমান সমাজে যে জাগরণের ডাক উঠেছিল তার পেছনে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল। কেমন ছিল সে ভূমিকা? জানবো বিস্তারিত।
১৫ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
মুরাকামি দেখান আমরা একসঙ্গে থেকেও বিচ্ছিন্ন
পৃথিবীর প্রথম প্রাণী হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণ করেছিল লাইকা নামের একটি কুকুর। ১৯৫৭ সালের সোভিয়েত মহাকাশযান স্পুটনিক-২ তে চড়ে রওনা দিলেও বেশি দিন বাঁচতে পারেনি কুকুরটি। মহাকাশের অন্ধকার শূন্যতায় হারিয়ে যেতে যেতে লাইকা কি দেখেছিল শুধুই নিঃসঙ্গতা? হারুকি মুরাকামির 'স্পুটনিক সুইটহার্ট' বই জুড়েও রইলো সেরকমই এক অদেখা শূন্যতা।
৬ মে ২০২৩, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
‘দেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে হলে সে দেশের বইগুলোকে নিতে হবে’
‘দেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে হলে সে দেশের বইগুলোকে নিতে হবে সবার আগে, সে দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষদের জীবন ও কীর্তি নিয়ে যেতে হবে। তাহলেই দেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়বে যথাযথ বার্তা।’
৫ মে ২০২৩, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
মুক্তচিন্তার পথিকৃৎ আবুল ফজল
৪ দশক আগে ১৯৮৩ সালের আজকের দিনে চলে গিয়েছিলেন মুক্তচিন্তা ও চিন্তাশীলতার পথিকৃৎ আবুল ফজল।
৪ মে ২০২৩, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম: বাংলার হৃদয়ে জ্বেলেছেন যিনি অনির্বাণ শিখা
জাহানারা ইমামের ছড়িয়ে দেওয়া সেই আলোকশিখা প্রজ্বালিত থাকবে হাজার বছর। ৯৪তম জন্মদিবসে জাতির আলোকবর্তিকা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
৩ মে ২০২৩, ০৩:২১ অপরাহ্ন
সত্যজিৎ রায় বাংলা ও বাঙালির গর্ব: সেলিনা হোসেন
সত্যজিৎ রায় বাংলা ও বাঙালির গর্ব। তিনি তার অনন্যসাধারণ চলচ্চিত্রগুচ্ছের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রকে নতুন গন্তব্য দান করেছেন।'
২ মে ২০২৩, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
প্রশ্নহীন সময়ে প্রশ্ন তুলতে শিখিয়েছেন যিনি
একজন গবেষকের প্রধান গুণ কি? বিশ্লেষণের ক্ষমতা ছাড়া, এ প্রশ্নের যুতসই কোন উত্তর নেই। ইতিহাসবেত্তার কাজও তাই। কেবল বিশ্লেষণ নয়, সেটাকে কতগুলো মাত্রায় ও কত রকমের স্তর থেকে বিশ্লেষণ করা যায় সেটাই হল প্রকৃত গুণবিচারী ক্ষমতা । যে গুণে অনন্য ছিলেন রণজিৎ গুহ। যে কোন বিষয়কে হোলিস্টিক প্রসেসে অর্থাৎ সমগ্রক রূপে দেখায় তিনি যে দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন তা সবার জন্যই অমূল্য এক পাথেয়।
২ মে ২০২৩, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
কেন বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যায়
উন্নয়নের দেশে কিসের অভাবে বন্ধ হয়ে যায় বইয়ের দোকান? এর মধ্য দিয়ে কী বার্তা দেয়, সেটা কখনো কি জানার ও ভাবার চেষ্টা করেছি? ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান, সমাজ থেকে রাষ্ট্র, কোনো পর্যায়ে এসব নিয়ে ভাবান্তর সদর্থক অর্থে দৃশ্যমান হয়নি। এসবের পেছেন কারণ কি একটাই-- জাতি হিসেবে আমরা বই বিমুখ? যদি এই অভিযোগ সত্য হলে, তাহলে তো পাল্টা প্রশ্নও করা যায়, এর থেকে উত্তরণের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই কেন? দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মিত হচ্ছে যখন, সে সময়ে বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার অপসংস্কৃতিতে স্পষ্ট হয় আমরা কাঠামোগত উন্নয়নে যতটা আন্তরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে উল্টোপথে ও জ্ঞানচর্চার মূলস্রোত থেকে অনেক দূরে।
৩০ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
রণজিৎ গুহর মতো সৃজনশীল গবেষক আমাদের সময়ে আর নেই: দীপেশ চক্রবর্তী
‘রণজিৎ গুহ--এমন একজন ইতিহাসবিদ যিনি আমাদের কালে ছিলেন, তা আমাদের জন্য সৌভাগ্য,’—অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধায় কথাগুলো বলছিলেন ইতিহাসবিদ দীপেশ চক্রবর্তী।
২৯ এপ্রিল ২০২৩, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
ভারতীয় ইতিহাসবিদ রণজিৎ গুহ মারা গেছেন
প্রখ্যাত ভারতীয় ইতিহাসবিদ রণজিৎ গুহ আর নেই। আজ ভোরে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
২৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
‘ইতিহাসভিত্তিক বিচারের বোধ আজ গভীর সংকটে’
বাঙালি ইতিহাসবিদ দীপেশ চক্রবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ইউনিভার্সিটির ইতিহাস বিভাগের লরেন্স এ কিম্পটন ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস প্রফেসর। তার গবেষণার বিষয় নিম্নবর্গের অধ্যয়ন, উত্তর–উপনিবেশ তত্ত্ব এবং জলবায়ু ও পরিবেশ। পূর্ববঙ্গ, বাংলাদেশ ও তৃতীয় বাংলা তার অন্যান্য আগ্রহ ও অনুসন্ধানের বিষয়।
২৩ এপ্রিল ২০২৩, ১২:৫০ অপরাহ্ন
কেমন ছিল শতবছর পূর্বের ঈদ
এখন আমরা যেভাবে ঈদুল ফিতর উদযাপন করি আমাদের পূর্ব পুরুষরা অবশ্যই এভাবে করতেন না
২২ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে যাদের জন্ম তাদের ডাকা হয় নাইন্টিজ কিড বলে। নব্বইয়ের দশকে যাদের জন্ম গ্রামে তারা জীবনকে দেখেছে দুটি ভাগে। একদিকে শৈশব কৈশোরে মাটির ছোঁয়া, অন্যদিকে তারুণ্যে এসে প্রযুক্তির মেলবন্ধন। গ্রামের কাদা মাটি ডিঙ্গিয়ে, আলো বাতাস ছুঁয়ে বেড়ানো সেই অপ্রতিরোধ্য শৈশব যেমন ছিল প্রাণখোলা, ঠিক তেমনই দেখেছি প্রযুক্তি নির্ভর জীবনের আরেক রূপ।
২১ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
সর্বজনীন উৎসবের আকাঙ্ক্ষা
এক মাসের ভেতরে পরপর তিনটি উৎসব। স্বাধীনতা দিবস, বাংলা নববর্ষ আর ঈদ। প্রথম দুটো সর্বজনীন (!), আর শেষটা মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এরকম উৎসবমুখর সময়ে তো দেশজুড়ে আনন্দযজ্ঞ চলার কথা। তা কি হচ্ছে? মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে কী দেখতে পাচ্ছেন আপনারা? বাধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাস-উল্লাস-আয়োজন নাকি বিষাদ-বিপন্নতা-হতাশা-হাহাকার?
২১ এপ্রিল ২০২৩, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
হারানো কাসিদার খোঁজে
‘কাসিদা গাইতে গিয়া বহুত পবিত্র লাগত। ওইটা আসলে বুঝান যাইব না। এখন তো মাইক হইছে, মসজিদ থেইকা ডাইকা দেয়, ঘড়ি হইছে, মোবাইল আছে। কাসিদার দিন গেছেগা।’
১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
জাতীয়তাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের লড়াই
গণবিক্ষোভ ও আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাবার জন্য ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট আয়োজন করেছিল সাধারণ নির্বাচনের। নির্বাচনের পরে দাঙ্গা বাধে, এবং ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যাবার দিকে অনিবার্যভাবে অগ্রসর হয়। বলাবাহুল্য দেশভাগে জাতীয়তাবাদী হিন্দু মহাসভার উৎসাহ ছিল সর্বাধিক।
১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
‘বাংলাদেশের কালচার’ ও প্রাসঙ্গিক বৈশাখ ভাবনা
আবুল মনসুর আহমদের 'বাংলাদেশের কালচার' বইয়ের রিভিউ প্রতিযোগিতায় আমি প্রথম স্থান অর্জন করি। স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছি ৫ হাজার টাকার বই! সেইসব বই দেখতে দেখতে আমার আনন্দ-উত্তেজনা পৌঁছেছে ভিন্ন মাত্রায়। সেইসব অভিজ্ঞতায় ‘বাংলাদেশের কালচার’ পড়াকালীন চিন্তা ও চলমান সাংস্কৃতিক সংকট নিয়ে লেখাটি।
১৮ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতিতে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা
‘কি দেব তোমারে, নাই যে ধান খামারে
মোর কপাল গুণে রে –
কাঠফাটা রোদের আগুনে
আয় বৃষ্টি ঝেঁপে আয় রে –’
১৭ এপ্রিল ২০২৩, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
জাফরুল্লাহ চৌধুরী: কতটা সম্মানের, কতটা পেলেন
একজন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, একজন চে, একজন গৌতম বুদ্ধ। তিন সময়ের তিনজন মানুষ। যাদের ভূগোল ও ভগবান এক ছিল না। কিন্তু কর্মগুণে, জীবনের অভীপ্সায়, বৃহত্তর মানুষের কল্যাণ ও মুক্তির দিশায় অভিন্ন বৈশিষ্ট্যর অধিকারী ছিলেন। যে বৈশিষ্ট্যের কথা আমরা চে-র কাছে ধার নিয়ে বলতে পারি, ‘হাস্তা লা ভিক্টোরিয়া সিয়েম্প্রে’-বিজয় না পর্যন্ত লড়াই কর। একজন গৌতম, একজন চে, একজন জাফরুল্লাহ চৌধুরী এই সত্যে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত রেখেছিলেন প্রবল প্রতীতি।
১৭ এপ্রিল ২০২৩, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর তিনটি বইয়ের বহুমাত্রিক ব্যঞ্জনা
বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে আমাদের কম বেশি ধারণা রয়েছে। কিন্তু ২০১২ সালে অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশের পর থেকেই লেখক বঙ্গবন্ধুর পরিচয় সামনে আসে। ২০১৭ সালে কারাগারের রোজনামচা, ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় আমার দেখা নয়াচীন।
১৬ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
সাংস্কৃতিক জাগরণে হবীবুল্লাহ্ বাহার এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
“মুসলিম বাংলার জাতীয় জাগরণ আনয়নের ব্যাপারে নজরুল ইসলামের জ্বালাময়ী কবিতা ও আব্বাসউদ্দীনের উদ্দীপনাপূর্ণ কণ্ঠসঙ্গীতের সাথে হবীবুল্লাহ্ বাহার পরিচালিত মোহামেডান স্পোর্টিং-এর বিজয়াভিযানও একসূত্রে গ্রথিত।” মূল্যায়নটি বিখ্যাত সাংবাদিক আবুল কালাম শামসুদ্দীনের। নজরুলের কবিতা ও আব্বাসউদ্দীনের গানের সাথে মোহামেডান স্পোর্টিং-এর তুলনা করা চাট্টিখানি কথা নয়। অর্থাৎ, ত্রিশের দশকে বাংলার মুসলমান সমাজে যে জাগরণের ডাক উঠেছিল তার পেছনে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল। কেমন ছিল সে ভূমিকা? জানবো বিস্তারিত।
১৫ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন