পুরান ঢাকার জানালা: কবাট খুললেই আসে যে গল্প
পুরান ঢাকার কোনো এক রোদচটা দুপুরে শাঁখারীবাজার কিংবা আমতলির অলিগলি ধরে নিভৃতে হাঁটতে শুরু করলে খেয়াল করবেন, পায়ের নিচের লাল ইটের সুরকির চেয়ে বারবার চোখ কাড়বে মাথার ওপরের দেয়ালগুলো। বিশেষ করে, সেই দেয়ালগুলোর বুক চিরে বাইরে তাকিয়ে থাকা প্রাচীন জানালাগুলো। মনে হবে, শত বছরের গল্প জমিয়ে রাখা একেকটি জীবন্ত চোখ।
ওয়ারীর জোরপুল লেন দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কোনো এক পুরোনো বণিকবাড়ির বিশাল ফ্রেঞ্চ উইন্ডো দেখে হয়তো আপনার পা থেমে যাবে। জানালার বাইরে লোহার রেলিংঘেরা ছোট্ট এক চিলতে ব্যালকনি। দূর ইউরোপের রোমিও-জুলিয়েট নাটকের সেই বিখ্যাত ব্যালকনির কথা মনে পড়তে বাধ্য। মনে হবে, এই তো একটু আগেই কেউ ভারী সিল্কের শাড়ি সামলে এসে সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন!
আর একটু এগোলেই বদলে যাবে দৃশ্যপট। কড়া রোদ থেকে ঘরকে বাঁচাতে কিংবা অন্দরমহলকে কৌতূহলী চোখের আড়ালে রাখতে কাঠের পাতে তৈরি ক্রাঙ্ক লাগানো জালুজি উইন্ডো বা খড়খড়ি দেওয়া জানালার সারি। সেগুলোর ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢোকে, কিন্তু বাইরের রোদের তেজ কিংবা প্রতিবেশীর কৌতূহলী নজর সহজে ভেতরে পৌঁছাতে পারে না।
চলুন পদব্রজে এই অলিগলির আরও গভীরে ঢুকে দেখা যাক, জানালার কপাট খুললে কোন কোন যুগ আর কোন কোন মানুষের গল্প বেরিয়ে আসে।
জেনিথ থেকে জেনানা: মুঘল আমলের জালি ও গোপনীয়তার আখ্যান
মুঘল আমলের কোনো প্রাচীন ইমারত বা দেউড়ির সামনে দাঁড়ালে আধুনিক কাচের জানালার বদলে চোখ আটকে যাবে সূক্ষ্ম পাথরের কিংবা টেরাকোটার জালিতে মোড়া ছোট ছোট খিলানযুক্ত জানালায়।
এই জানালাগুলোর দিকে তাকালে ইতিহাসের পাতাও যেন একটু একটু করে খুলতে থাকে। মুঘল স্থাপত্য ও ইতিহাস নিয়ে গবেষক পার্সি ব্রাউন তার বিখ্যাত গ্রন্থ ইন্ডিয়ান আর্কিটেকচারে দেখিয়েছেন যে, ভারতীয় উপমহাদেশের এই ক্রান্তীয় তীব্র রোদ ও বর্ষার হাত থেকে রক্ষা পেতেই মুঘল স্থপতিরা জানালার আকৃতি ছোট রেখেছিলেন এবং দেয়ালের পুরুত্ব বাড়িয়েছিলেন।
‘জালি’ মূলত ছিদ্রযুক্ত বা জালির মতো নকশা করা পাথরের পর্দা। এর নকশায় জ্যামিতি ও অলংকরণের পাশাপাশি আলোকে নিয়ন্ত্রণ করার এক বিশেষ কৌশলও কাজ করে। নাভিনা নাজাত হায়দারের ‘জালি: ল্যাটিস অব ডিভাইন লাইট ইন মুঘল আর্কিটেকচার’ বইয়ে দেখানো হয়েছে, জালি স্থাপত্যে আলোকে ছেঁকে ভেতরে আনার পাশাপাশি গোপনীয়তা রক্ষার কাজও করত।
মুঘল স্থাপত্যে এই জালির ব্যবহার শুধু সৌন্দর্যের জন্য ছিল না। রাজপ্রাসাদ ও অভিজাত অন্দরমহলে এটি বাইরের দৃষ্টি থেকে ভেতরের মানুষকে আড়ালে রাখত। ভেতর থেকে আলো-বাতাস ও বাইরের দৃশ্য দেখা যেত, কিন্তু বাইরে থেকে অন্দরমহলের দৃশ্য দেখা কঠিন ছিল।
একটি জানালা একইসঙ্গে হয়ে উঠেছিল আলো, বাতাস, সৌন্দর্য ও গোপনীয়তার মাধ্যম। লেখক-গবেষক রুবি লালের মুঘল হারেম, মুঘল সম্রাট বাবরের কন্যা গুলবাদান বেগমসহ আরও অনেক লেখকের বইয়ে মুঘল স্থাপত্যের সঙ্গে সামাজিক ও ধর্মীয় নিয়ম, রাজনীতি এসবের বর্ণনা পাওয়া যায়।
মুঘল স্থাপত্যের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতে গেলে আরও একটি বিষয় চোখে পড়ে। জালির নকশা কেবল ব্যবহারিক প্রয়োজন মেটাত না, এর সঙ্গে যুক্ত ছিল নান্দনিকতা, প্রতীকী অর্থ ও কারিগরি দক্ষতা। এ স্থাপত্যের বিভিন্ন পর্যায় ও নকশার বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে স্থাপত্য-ইতিহাসবিদ ইবা কোচের ‘মুঘল আর্কিটেকচার: অ্যান আউটলাইন অব ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ বইয়ে।
একটি জানালার জালির দিকে তাকিয়েই আপনি মুঘল অন্দরমহল, আলো-বাতাসের স্থাপত্যকৌশল এবং সেই সময়ের সামাজিক কাঠামোর এক ঝলক দেখতে পারেন।
খড়খড়ি আর জালুজির কপাটের আড়ালে
আরমানিটোলা কিংবা ওয়াইজঘাটের দিকে একটু এগোলেই ঔপনিবেশিক আমলের পুরোনো ভবনগুলোর জানালায় চোখে পড়তে পারে কাঠের তৈরি খড়খড়ি বা ভেনেশিয়ান ব্লাইন্ডের মতো নকশা।
ইউরোপীয় স্থাপত্যের বড় কাচের জানালা বাংলার তীব্র রোদ, আর্দ্রতা ও বর্ষার সঙ্গে সব সময় সহজে মানিয়ে নিতে পারত না। ফলে স্থানীয় জলবায়ু ও নির্মাণরীতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন থেকেই জানালার নকশায় নানা পরিবর্তন আসে। কাঠের পাতের খড়খড়ি তারই একটি পরিচিত উদাহরণ।
এই জানালার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ‘জালুজি’ নামটিরও মজার ইতিহাস। ফরাসি ‘Jalousie’ শব্দটির অর্থ ‘ঈর্ষা’। শব্দটির সঙ্গে এমন এক জানালার নকশা যুক্ত হয়েছে, যার আড়ালে থেকে ভেতরের মানুষ বাইরে তাকাতে পারে, অথচ বাইরের মানুষের পক্ষে ভেতরটা দেখা কঠিন।
ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য গবেষক স্টেফান মুথেসিয়াসের ঔপনিবেশিক গৃহস্থালি ও স্থাপত্যের বিবর্তন নিয়ে করা বিভিন্ন গবেষণায় এই মজার ইতিহাসটি পাওয়া যায়। বিশেষ করে তার বই ‘দ্য পোয়েটিক হোম: ডিজাইনিং দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি ডমেস্টিক ইন্টেরিওর’-এ মধ্যযুগে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অভিজাত সমাজে নারীদের আড়ালে রাখতে এমন জানালা তৈরি করা হতো, যেখান দিয়ে ভেতরের মানুষ বাইরে তাকাতে পারলেও বাইরের কোনো কৌতূহলী বা ঈর্ষান্বিত চোখ অন্দরমহলে প্রবেশ করতে পারত না।
যেন অন্যের কৌতূহলী কিংবা ঈর্ষান্বিত চোখকে ঠেকিয়ে রাখার জানালা!
আজকের অফিসে ব্যবহৃত আড়াআড়ি দাগ-কাটা ব্লাইন্ড বা পর্দাগুলোকেও এই একই ধরনের নকশার আধুনিক রূপ হিসেবে দেখা যায়।
পুরান ঢাকার পুরোনো বাড়িগুলোর জানালায় শুধু কাঠ, লোহা বা কাচই নয়, আছে জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কৌশল, ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষার চেষ্টা এবং ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতির স্থানীয় অভিযোজনের গল্প।
ফ্রেঞ্চ উইন্ডো আর জুলিয়েট ব্যালকনি
একটু আগে যে জুলিয়েট ব্যালকনির কথা মনে করেছিলাম, তার পেছনেও রয়েছে আভিজাত্যের ইতিহাস।
আহসান মঞ্জিল কিংবা তৎকালীন কোনো বনেদি জমিদার বাড়ির সামনে দাঁড়ালে চোখে পড়বে ছাদ থেকে প্রায় মেঝে পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা ফ্রেঞ্চ উইন্ডো। ওয়ারীর জোরপুল লেনের পুরোনো বাড়িগুলোর মধ্যেও এমন নকশার দেখা মেলে।
বিশাল আকৃতির এই দরজা-জানালার বাইরে অনেক সময় থাকে ছোট্ট রেলিংঘেরা ব্যালকনি। দূর থেকে দেখলে সেটিই হয়ে ওঠে এক ধরনের জুলিয়েট ব্যালকনি।
বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন তার ‘স্মৃতি বিস্মৃতির ঢাকা’ এবং ঢাকাভিত্তিক বিভিন্ন গবেষণাগ্রন্থে দেখিয়েছেন যে, উনিশ ও বিংশ শতকের শুরুর দিকে ঢাকার নবাব, জমিদার ও অভিজাত পরিবারগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় রীতির নানা উপাদান যুক্ত হয়েছিল। ফ্রেঞ্চ উইন্ডোও তার একটি অংশ।
দিনের আলো যখন বড় জানালা পেরিয়ে ঘরের ভেতরে ঢুকত, বিশেষ করে রঙিন কাচ থাকলে, তৈরি হতো অন্য রকম এক আবহ। ফলে জানালা তখন আর শুধু আলো-বাতাস ঢোকার পথ নয়, হয়ে উঠত বাড়ির সামাজিক মর্যাদা ও রুচির প্রকাশও।
কৌণিক লুভার্ড জানালা
বাংলার উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় অতিরিক্ত রোদ এবং মৌসুমি বৃষ্টির হাত থেকে ঘরকে রক্ষা করতে জানালার নকশায়ও নানা পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
এর মধ্যে কৌণিক বা বাইরের দিকে হেলানো লুভার্ড জানালার কথা বলা যায়। এমন নকশায় সরাসরি রোদ কিছুটা ঠেকানো যায়, আবার বাতাস চলাচলের পথও খোলা থাকে।
পুরোনো ভবনগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায়, স্থাপত্য কখনো কেবল সৌন্দর্যের বিষয় ছিল না। স্থানীয় আবহাওয়া, আলো, বাতাস, বৃষ্টিসহ সবকিছুর সঙ্গে সমঝোতা করেই তৈরি হয়েছে জানালার নকশা।
গথিক রিভাইভাল ও জালুজির মিশেল
সদরঘাট এলাকার লালকুঠি, নর্থব্রুক হল কিংবা কার্জন হলের মতো স্থাপনার জানালার দিকে তাকালেও চোখে পড়বে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতির নানা প্রভাব।
কোথাও গথিক রিভাইভালের দীর্ঘায়িত আকৃতি, কোথাও খিলান, আবার কোথাও কাঠের কপাটে জালুজির মতো নকশা। ফলে একই জানালার মধ্যে যেন একাধিক স্থাপত্যরীতির দেখা মেলে।
লালকুঠির জানালাগুলো দেখলে গথিক রিভাইভাল স্থাপত্যের কথা মনে হতে পারে, গথিকের পুরোনো ভাষাকে অপেক্ষাকৃত নতুন সময়ে নতুনভাবে ব্যবহার করার এক উদাহরণ।
পুরান ঢাকার স্থাপত্যের সৌন্দর্য এখানেই। একই শহরের কয়েকটি গলির মধ্যে হাঁটতে হাঁটতেই চোখের সামনে বদলে যায় স্থাপত্যের ভাষা।
গির্জার রোজ উইন্ডো ও লোকজ বিশ্বাসের ছায়া
ডিসেম্বর এলেই পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার যেন অন্যরকম হয়ে ওঠে। উনিশ শতকের স্কুল-কলেজ, মিশনারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর গির্জাগুলো বড়দিনের আগে নতুন আবহ পায়।
ভিক্টোরিয়া পার্কের দিক থেকে সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রালের দিকে তাকালে পুরান ঢাকার স্থাপত্যে ইউরোপীয় প্রভাবের আরেকটি অধ্যায় চোখে পড়ে।
প্রখ্যাত শিল্প ইতিহাসবিদ আরভিন প্যানোফস্কির গথিক আর্কিটেকচার ও স্কলাস্টিসিজম নিয়ে করা গবেষণায় উঠে এসেছে, গথিক স্থাপত্যের বিখ্যাত ‘রোজ উইন্ডো’ বা বৃত্তাকার রঙিন কাচের জানালা এই স্থাপত্যরীতির অন্যতম পরিচিত বৈশিষ্ট্য। রঙিন কাচের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো যখন গির্জার ভেতরে প্রবেশ করে, তখন তৈরি হয় এক ধরনের আধ্যাত্মিক আবহ।
এখানেও জানালা শুধু জানালা নয়। আলোকে একটি বিশেষ অভিজ্ঞতায় রূপ দেওয়ার মাধ্যম।
তবে পুরান ঢাকার জানালার গল্প শুধু রাজপ্রাসাদ, জমিদারবাড়ি কিংবা গির্জায় শেষ হয় না। অলিগলির সাধারণ পুরোনো বাড়িগুলোর জানালাতেও ছড়িয়ে আছে নানা লোকজ বিশ্বাস।
কোনো কোনো বাড়ির জানালার কাঠের ফ্রেম কিংবা ওপরের অংশে দেখা যায় অদ্ভুত জ্যামিতিক নকশা, পোড়ামাটির অলংকরণ কিংবা ছোট মুখাবয়ব। এসব নকশাকে ঘিরে কুদৃষ্টি বা অশুভ শক্তি ঠেকানোর মতো নানা লোকবিশ্বাসের কথাও প্রচলিত আছে।
এসব বিশ্বাসের সবকিছুর পেছনে লিখিত ঐতিহাসিক বা প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায় না। কিন্তু মানুষের ভয়, বিশ্বাস, শুভকামনা ও নান্দনিকতার যে মিশেল এসব নকশায় দেখা যায়, সেটিও পুরান ঢাকার স্থাপত্য-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যেন স্মৃতির টাইম মেশিন
লেখাটি পড়তে পড়তে অনেকটা পথই তো হাঁটা হলো পুরান ঢাকায়।
গলি থেকে গলি, পুরোনো বাড়ি থেকে আরেক পুরোনো বাড়ি। কোথাও জালি, কোথাও খড়খড়ি, কোথাও ফ্রেঞ্চ উইন্ডো, কোথাও রঙিন কাচ। প্রতিটি জানালাই যেন সময়ের আলাদা একটি দরজা।
গলি ঘুরে ঘুরে যখন আপনি ক্লান্ত, তখন কোনো পুরোনো জানালার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ মনে হতে পারে, এটি আসলে একটি জীবন্ত টাইম মেশিন।
এর একেকটি পাল্লা খুললে বেরিয়ে আসে মুঘল অন্দরমহলের গোপনীয়তা, ইউরোপীয় স্থাপত্যের প্রভাব, ঔপনিবেশিক সময়ের রুচি ও কৌশল, স্থানীয় কারিগরের দক্ষতা আর মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস।
আর কখনো কখনো বেরিয়ে আসে আরও ব্যক্তিগত কিছু, কোনো অচেনা মানুষের অপেক্ষা, কোনো হারিয়ে যাওয়া দুপুর, কিংবা পুরোনো ঢাকার গলিতে হাঁটতে হাঁটতে ফেলে আসা এক টুকরো নস্টালজিয়া।
পুরান ঢাকার জানালাগুলোকে শুধু জানালা হিসেবে দেখলে হয়তো শহরটির অর্ধেক গল্পই দেখা হবে। একটু থেমে, একটু তাকিয়ে দেখলেই বোঝা যায়, এই জানালাগুলোর প্রতিটির ওপাড়ে দাঁড়িয়ে আছে ফেলে আসা সময়।
রেফারেন্স
পার্সি ব্রাউনের ইন্ডিয়ান আর্কিটেকচার
নাভিনা নাজাত হায়দারের বিভিন্ন গবেষণাপত্র, জালি: ল্যাটিস অব ডিভাইন লাইট ইন মুঘল আর্কিটেকচার
ইবা কোচের মুঘল আর্কিটেকচার: এন আউটলাইন অফ ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট
স্টেফান মুথেসিয়াসের ঔপনিবেশিক গৃহস্থালি ও স্থাপত্যের বিবর্তন নিয়ে লেখা বই, দ্য পোয়েটিক হোম: ডিজাইনিং দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি ডমেস্টিক ইন্টেরিওর
লেখক-গবেষক মুনতাসির মামুনের বিভিন্ন বই
