‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির পরও আগামী বাজেটে ভর্তুকি লাগবে ৪১ হাজার কোটি টাকা’
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির পরও আগামী বাজেটে এই খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
আজ শনিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
জাহেদ বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সব শ্রেণির গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল। সরকার উদ্যোগ নিয়ে দুটি শ্রেণি—শূন্য থেকে ৫০ ও শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য আগের দাম বহাল রেখেছে।
তিনি জানান, সরকার নিজ উদ্যোগে আপিল করে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বর্ধিত ট্যারিফের আওতামুক্ত রাখার ব্যবস্থা করেছে। এই দুই শ্রেণির ব্যবহারকারী মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের ৬৫ শতাংশ।
জাহেদ আরও বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা করা হয়েছে।
‘বিদ্যুতে যে পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে, এরপরও আগামী বাজেটে ৪১ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি দিতে হবে। জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ টাকা বৃদ্ধির পরও বড় ভর্তুকি দিতে হচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।
জাহেদ বলেন, ‘কিছু অলিগার্ককে সুবিধা দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর করে রাখা হয়েছিল। আমাদের গ্যাস অনুসন্ধান প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা এখন অপসোর গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি। সৌর বিদ্যুৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো স্কুল যদি বৈদ্যুতিক বাস আনতে চায়, সে ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতা করবে।’