বিশ্বকাপের ৩২ দিন বাকি

মাঠের লড়াই ছাপিয়ে যখন আকর্ষণের কেন্দ্রে চুলের স্টাইল

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবল মানে প্রতি চার বছর অন্তর মাঠের লড়াই ছাপিয়ে এক রঙিন উৎসব। তবে এই আসরের উন্মাদনা কেবল গোল বা শিরোপা জয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং বিশ্বসেরা ফুটবলারদের চুলের স্টাইল বিশ্বজুড়ে পুরুষদের ফ্যাশনে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে দেয়। প্রিয় দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশে হোক কিংবা নিজের লুকে ভিন্নতা আনা— ভক্তরা সব সময়ই মুখিয়ে থাকেন মাঠের তারকাদের নতুন কোনো হেয়ারকাট বা বৈচিত্র্যময় রঙের অনুকরণ করতে।

কখনও ফুটবলাররা ফিরিয়ে আনেন হারিয়ে যাওয়া কোনো ক্ল্যাসিক স্টাইল, আবার কখনও একদমই নতুন কোনো ট্রেন্ডের শুরুটা হয় তাদের হাত ধরেই। ফিফা বিশ্বকাপের এই বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ফুটবলাররা কেবল খেলার মাঠ হিসেবে নয়, বরং নিজেদের স্টাইল স্টেটমেন্ট জানান দেওয়ার এক গ্লোবাল গ্যালারি হিসেবেও ব্যবহার করেন। সময়ের সাথে সাথে ফ্যাশন বদলে গেলেও ফুটবলারদের সেট করে দেওয়া ট্রেন্ডগুলোই দিনশেষে সাধারণ মানুষের হেয়ারস্টাইলের নতুন সংজ্ঞা হয়ে দাঁড়ায়।

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে নজরকাড়া হেয়ারস্টাইলগুলোর তালিকায় ঠাঁই করে নিয়েছে মোহক, মালেট, মাউসটেইল কিংবা পনিটেইলের মতো বিচিত্র সব ছাঁট। বাদ যায়নি চুলে স্প্যাগেটির মতো লুক কিংবা চোখ ধাঁধানো রঙের খেলাও। এ যেন মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি চুলের স্টাইলেরও এক বর্ণিল প্রদর্শনী।

লিওনার্দো কুয়েলার, মেক্সিকো (১৯৭৮ সালের আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ)

কার্লোস ভালদেরামা, কলম্বিয়া (১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপ)

ক্রিস ওয়াডেল, ইংল্যান্ড (১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপ)

অ্যালেক্সি লালাস, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ)

রবার্তো ব্যাজ্জিও, ইতালি (১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ)

টারিবো ওয়েস্ট, নাইজেরিয়া (১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপ)

রোমানিয়া দল (১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপ)

ডেভিড বেকহ্যাম, ইংল্যান্ড (২০০২ সালের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপ)

ক্লিন্ট ম্যাথিস, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২ সালের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপ)

কাজুয়ুকি তোদা, জাপান (২০০২ সালের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপ)

উমিত দাভালা, তুরস্ক (২০০২ সালের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপ)

রোনালদো, ব্রাজিল (২০০২ সালের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপ)

আসামোয়াহ জিয়ান, ঘানা (২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ)

রদ্রিগো পালাসিও, আর্জেন্টিনা (২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ)

ওয়েস্টন ম্যাককিনি, যুক্তরাষ্ট্র (২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ)