জাম্বিয়ার জালে আর্জেন্টিনার ৫ গোল
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৩ নম্বর বনাম ৯১ নম্বর—শক্তির এই বিস্তর ব্যবধান মাঠের লড়াইয়েও স্পষ্ট হয়ে উঠল। র্যাঙ্কিংয়ে ৮৮ ধাপ পিছিয়ে থাকা জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোলের দাপুটে জয় পেয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনার মাটিতে সম্ভবত নিজেদের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে নামা লিওনেল মেসি ও নিকোলাস ওতামেন্দি দুজনেই গোল করে দিনটিকে স্মরণীয় করে রেখেছেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই জাম্বিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে আলবিসেলেস্তেরা। তবে প্রথম গোলের দেখা পেতে কিছুটা অপেক্ষা করতে হয়। গোলশূন্য অবস্থায় লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মেসি পাস দেন হুলিয়ান আলভারেজকে। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আলভারেজ।
দ্বিতীয় গোলটিতেও ছিল মেসির জাদু। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান খেলে বক্সের খুব কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন এলএমটেন। এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে মাঠ মাতান তিনি। দলের স্কোর যখন ২-০, তখন থিয়াগো আলমাদাকে বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। মেসি উদারতা দেখিয়ে পেনাল্টি শটটি নিতে বলেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে। গোলকিপারকে পরাস্ত করে ব্যবধান ৩-০ করেন ওতামেন্দি।
এরপর বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন রদ্রিগো ডি পল, ভালেন্তিন বার্কো ও নিকোলাস গঞ্জালেজ। থিয়াগো আলমাদার একটি পাস জাম্বিয়ার ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ালে আত্মঘাতী গোলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ দিকে নিকোলাস গঞ্জালেজের পাস থেকে তরুণ তুর্কি ভালেন্তিন বার্কো গোল করলে ৫-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয়।
ম্যাচের শেষ ভাগে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ঘরের মাঠে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলে মাঠ ছাড়েন ওতামেন্দি। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন লুকাস মার্তিনেজ কুয়ার্তা। এ ছাড়া গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের বদলে হুয়ান মুসো এবং এনজো ফার্নান্দেজের জায়গায় মাক্সিমো পেরোনেকে সুযোগ দেন কোচ।