ওয়ানডে মেজাজে শান্তর সেঞ্চুরি, তৃতীয় উইকেটে মুমিনুলের সঙ্গে রেকর্ড জুটি
মোহাম্মদ আব্বাসের মিডিয়াম পেস এগিয়ে মিড অন দিয়ে উড়িয়ে ছক্কায় নব্বুই পেরিয়ে যান শান্ত। সেই আব্বাসকেই পরের ওভারে কাভার দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে স্পর্শ করেন তিন অঙ্ক। ১২ চার, ২ ছক্কায় আশির কাছাকাছি স্ট্রাইকরেটে নবম টেস্ট সেঞ্চুরি পান বাংলাদেশ অধিনায়ক। অবশ্যই সেঞ্চুরি তুলেই থেমে গেছেন তিনি।
দলের বিপর্যয়ে ক্রিজে এসেছিলেন শান্ত। শুরুতে দুই অন ড্রাইভে বুঝিয়ে দেন বিপদ উড়িয়ে দিনটি নিজের করে নিতে এসেছেন তিনি, হলোও তাই। ঝমমলে ব্যাটিংয়ে স্ট্রোকের পসরায় করেন টেস্ট শতক। টেস্টে শান্তর এটি নবম সেঞ্চুরি, এই সংস্করণে ফিফটি আছে তার ছয়টি। অথাৎ ফিফটি পেরুলে বেশিরভাগ ইনিংস তিন অঙ্কে নিয়ে যাওয়ার সামথ্য দেখিয়েছেন শান্ত।
১২৯ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন শান্ত, কিন্তু শতক ছোঁয়ার পরের বলেই ফিরতে হয় তাকে। আব্বাসের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরত যান তিনি। ১৩০ বলে ১০১ রানে থামেন বাঁহাতি ব্যাটার।
তার আগেই অবশ্য মুমিনুল হককে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের জুটিও হয়ে গেছে। দুজন মিলে তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ১৭০ রান।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে আগের সর্বোচ্চ ছিলো জাভেদ ওমর বেলিম ও মোহাম্মদ আশরাফুলের। সেই ২০০৩ সালে পেশোয়ারে ১৩০ রান যোগ করেছিলেন তারা। শান্ত-মুমিনুল সেটা ছাড়িয়ে আরও অনেক বড় করে ফেললেন রেকর্ড।
বাংলাদেশের তৃতীয় উইকেট পতনের খানিক পরই শেষ হয়েছে দিনের দ্বিতীয় সেশন। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথম দুই সেশনে স্বাগতিকরাই এগিয়ে। টস জিতে বাংলদেশকেই ব্যাট করতে দিয়েছিলো সফররত পাকিস্তান। চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২০১ রান।