‘বাঙালি মুসলমানের বুদ্ধিবৃত্তিক বিভ্রম ও বিশ্বাসহীনতা’ ইতিহাসের অসামান্য দলিল
সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার অসামান্য মানুষ সৈয়দ আবুল মকসুদের দেহান্তর ঘটেছে, কিন্তু রয়ে গেছে বেশ কিছু সৃষ্টি। সৃজন সংসারে মানুষের কাজ এমনই হয়। কীর্তি, স্মৃতি, দর্শন বিষয়ক চিন্তা কাল থেকে কালান্তর থেকে যাবে। বিশেষ করে তার প্রবন্ধসমূহ দেশের সংকট সম্ভাবনা, রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতে সক্ষম হবে প্রজন্মের মাঝে। কেবল তাই নয়, খ্যাতিমান সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখেছেন। যা যেকোনো পাঠকদের পাঠে আগ্রহী করে তুলবে। বিষয়ভিত্তিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পাশাপাশি কাব্যচর্চাও করেছেন। তার রচিত বইয়ের সংখ্যা চল্লিশের ওপর। তার লেখা রয়েছে জার্নাল অব জার্মানি ভ্রমণকাহিনী। এই নিবন্ধে সংক্ষেপে আলোচনা করব গবেষণামূলক ‘বাঙালি মুসলমানের বুদ্ধিবৃত্তিক বিভ্রম ও বিশ্বাসহীনতা’ বইটি নিয়ে।
২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
জীবনানন্দের ‘বনলতা সেন’ একটি কাল্পনিক চরিত্র মাত্র: ফয়জুল লতিফ চৌধুরী
লেখক ও গবেষক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা কথাসাহিত্যিক ইফফাত আরা। কর্মজীবনে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অবসর নিয়েছেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে। এসবের বাইরে কবি জীবনানন্দ দাশের একনিষ্ঠ সাহিত্য গবেষক হিসেবে পেয়েছেন পরিচিত। ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন জীবনানন্দ দাশের পঞ্চাশটি কবিতা।
১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:২২ অপরাহ্ন
কবিতা, সাংবাদিকতায় ঋদ্ধ ফজল শাহাবুদ্দীন
কবিতা শিল্পের এমনি এক মাধ্যম যা গতানুগতিকভাবে বিচার করা যায় না। অসংজ্ঞায়িত ও অমীমাংসিত শিল্পের কঠিন এই মাধ্যম নিয়ে যিনি কাজ করেন তিনি কবি। কাব্য মনীষী মেকলে বলেছেন, কবিতা হচ্ছে সেই রচনা যেখানে শব্দ এমনভাবে ব্যবহৃত হয়, যা পাঠকের কল্পলোকে ঐ শব্দ একটি চিত্রিত সৌন্দর্যের বিশ্ব উন্মুক্ত করে দিতে পারে। শিল্পী রঙ দিয়ে যে কাজ করেন, কবি শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে তাই করে থাকেন।
৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
নৃত্যচর্চার অনবদ্য দলিল: সুন্দর এই পৃথিবী আমার
উপমহাদেশের স্বনামধন্য নৃত্যগুরু ও নৃত্যাচার্য বুলবুল চৌধুরীর সহধর্মিণী নৃত্যশিল্পী আফরোজা বুলবুলের আত্মকথা ‘সুন্দর এই পৃথিবী আমার’। বইকে এ অঞ্চলের নৃত্যচর্চার অনবদ্য দলিল হিসেবে দেখা যায়।
২৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
বাংলা ভাষার প্রথম বিদ্রোহী মধুসূদন
মধুসূদন জন্মেছিলেন শহর থেকে দূরে। অজ পাড়াগাঁয়ে নগরের ব্যস্ততা বর্জিত শান্ত সবুজ তটে। মূল্যবোধ মধ্যযুগের, যুগের ঘুমে কাতর সাগরদাঁড়িতে। কিন্তু বাবার যাতায়াত ছিল কলকাতায়, বয়ে নিয়ে আনতেন নগরীর জানা অজানা খবরের ডালী। এসবে অনুপ্রাণিত হয়ে একান্নবর্তী পরিবারে থেকে সাহিত্যের গতানুগতিক ধারা উপধারার বিরুদ্ধে হাঁটার সংকল্প করেন।
২৪ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
ঢাকায় প্রথম মুক্তচিন্তা চর্চার আন্দোলন
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীজুড়ে যখন আর্থ-সামাজিক বিন্যাস-বণ্টন বাস্তবতার নিরিখে স্বীকৃতি কিছুটা পায়, তখনো বাংলা মুল্লুকে সামাজিক মুক্তির চিন্তার বীজ বপন করা হয়নি।
১১ জানুয়ারী ২০২১, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
বইয়ের আলো ছড়ানো অদম্য এক তরুণের গল্প
যখন অধিকাংশ মানুষ নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়েও কেউ কেউ সমাজে জন্মায় পরের জন্য। কাজ করে যায় আপন আলোয় সামাজিক মুক্তির জন্য। এটাই কারো কারো সারাজীবনের ব্রত। মামুন তেমনি একজন। উত্তরবঙ্গের উত্তম আলো হয়ে সমাজ আলোকিত করে যাচ্ছেন প্রায় এক দশক ধরে। তার পরো নাম মাহমুদুল ইসলাম মামুন। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছোট। বাবা মৃত আজহারুল ইসলাম, মা মাহমুদা বেগম। রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন মামুন।
২৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
স্বাধীনতার ৫০ বছরেও অরক্ষিত পদুয়া গণকবর
একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হাজারো মুক্তিযোদ্ধাকে সহযোদ্ধারা নিরুপায় হয়ে ধর্মীয় আচার মেনে-না মেনে ঝোপ-ঝাড়, খাল-বিলসহ বিভিন্ন স্থানে সমাহিত করেছিলেন। এমন ঘটনা সারা দেশেই ঘটেছে। যারা দেশ ও দশের জন্যে জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের গণকবর কোথাও কোথাও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও সংরক্ষণ করা হয়নি।
২১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
করোনা: চলে গেলেন মনজুরে মওলা
করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক কবি, রবীন্দ্র গবেষক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক মনজুরে মওলা মারা গেছেন।
২০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
আবদুল কাদির: কম চেনা বড় মানুষ
কীর্তিমানরা সৃষ্টিসুখের বিচিত্র ব্যবহারে, নানামুখী কাজে জীবন রাঙায় আত্মত্যাগের সাজে। সময়ের বেড়াজালে আটকে থাকা সম্ভাবনাকে দেখিয়ে দেন পথ। নির্মাণ করেন নতুন মতের। নিজেকে সমর্পণ করে ভাসিয়ে দেয় স্বপ্নের নৌকো! নিস্তরঙ্গে তা চলে সাহিত্য সংস্কৃতি সমাজে। তেমনি একজন— বাংলাসাহিত্যে কম চেনা বড় মানুষদের মধ্যে অন্যতম আবদুল কাদির। তিনি কবি, সমালোচক, গবেষক, সম্পাদক ও ছন্দবিজ্ঞানী। তার জীবন ও কর্মে বলা যায়— কবিতাচর্চা, ছন্দবিশ্লেষণ, সমালোচনা, গবেষণা ও সম্পাদনার যোগ্যতা ছিল অসাধারণ। অত্যন্ত নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে কাজ করে গেছেন এক জীবন।
১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
১৯৭১: এক গ্রামে ৩৭ জনকে হত্যা
১৯৭১ সালের মার্চের পর থেকেই সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা চালিয়েছিল ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা। নয় মাসে দেশে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩০ লাখ মানুষ।
১৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সমাধিসৌধ ও একজন মধু মিয়া
লাখো বাঙালির অশ্রু আর রক্তে সিক্ত হয়েছিল যে মাটি, সেই মাটির বুকে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ। বিজয়ের উল্লাসে মেতে উঠলেও সেই আনন্দের মধ্যেও মিশে ছিল চাপা কান্না, স্বজন হারানোর বেদনা। এমন শত বেদনার কথা আছে ইতিহাসের পাতায়, কখনোবা চাপা পড়ে গেছে কিছু অজানা অধ্যায়। আঞ্চলিক ইতিহাসে বিচ্ছিন্নভাবে এলেও জাতীয় ইতিহাসের পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি সুনামগঞ্জের ডলুরার ৪৯ বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা। তবে তাদের জন্য স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা নির্মাণ করেছেন সৌধ। যাকে গবেষকরা বলছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অনন্য সমাধিসৌধ। যেখানে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় হিন্দু-মুসলমান এক মাটিতে।
১৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
তারাশঙ্করের ১৯৭১: বাংলাদেশ ভারতের অস্থির সময়!
‘কানে বাজছে শেখ মুজিবুর রহমানের সেই আশ্চর্য কণ্ঠ— ঘরে ঘরে তোমরা দুর্গ গড়ে তোল। যা পাও হাতের কাছে তাই নিয়ে যুদ্ধ কর। আমাদের সংগ্রাম চলছে— চলবে। আমাদের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম— আমাদের এ সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
১০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
পাথরচাপা সময়ে ‘সওগাত’ ও কালোত্তীর্ণ নাসিরউদ্দীন
পাথরচাপা সময় আঠারো-উনিশ শতকে চলছিল আমাদের আত্মপরিচয়ের সংকট ও বাঙালি মুসলমান সমাজে সামাজিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সেই সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতিতে স্বাতন্ত্র্যের অনুসন্ধান করে সমাজ যখন দিশাহারা, ঠিক তখনি প্রকাশিত হয় বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবনায় কিছু পত্রিকা ও সাময়িকী।
২ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
আত্মপরিচয়ের বিদ্যাপীঠ জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাক
ইতিহাস বলে বাঙালি মুসলমানের জাগরণ উনিশ শতকের শুরুতেও ঠিকঠাক ঘটেনি, যেমনটা ঘটেছিল হিন্দু ব্রাহ্মণদের। কারণ তাদের ছিল রামমোহন, বিদ্যাসাগর, মধুসূদন, বঙ্কিমচন্দ্র, বিহারীলাল ও রবীন্দ্রনাথ। আমাদের মূলত জাগরণ শুরু হয় মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, আবুল মনসুর আহমদ, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ও কাজী নজরুল ইসলামের হাত ধরে। তারা গতানুগতিক ভাবনা সরিয়ে বিভিন্ন সংস্কারধর্মী, উদ্দীপনাময় রচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া ও অনগ্রসর গোষ্ঠীকে জাগিয়ে তুলতেও আন্তরিক হন। যদিও তার আগে গদ্যে মীর মশাররফ হোসেন, কাব্যে কায়কোবাদ ও সামাজিক জাগরণে মুনসী মেহেরুল্লাহ ও ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভূমিকা রেখেছেন। তাদেরই হালাল উত্তরাধিকার হিসেবে মাটি মানুষের গন্ধ নিয়ে আসেন আবদুর রাজ্জাক।
২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
‘অপ্রত্যাশিত, বিস্ময়ের ঘোর এখনো কাটেনি’
নব্বই দশকের অন্যতম কথাসাহিত্যিক শাহীন আখতার তার ‘তালাশ’ উপন্যাসের জন্য এ বছর ‘এশিয়া লিটারেরি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত তালাশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখো বাঙালি নারীর ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর অমানুষিক নির্যাতন তথা মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাক্রান্ত মানুষ। কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া লিটারেচার ফেস্টিভ্যালের শেষ দিন এ পুরস্কার ঘোষিত হয়।
৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
বাংলার সামাজিক মুক্তি ও শেরে বাংলার প্রাসঙ্গিকতা
আঠারো ও উনিশ শতকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক মুক্তির জন্য অনেকে কাজ করেছেন। আত্মপরিচয় নিয়ে ভেবেছেন বিদগ্ধ সামাজিক ও রাজনৈতিক চিন্তাশীলরা। বাঙালি সংস্কৃতিতে নানান মানুষের সমন্বয়ে হাজারো বছর ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ে উঠা বন্ধন নিয়ে চূড়ান্তভাবে মনোযোগ দিয়েছেন। সময়, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ভাষাসহ সামগ্রিক সংস্কৃতিতে অবদান রেখেছেন কালজয়ীরা।
২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
অজানা ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ‘রামমালা গ্রন্থাগার’
মানব জীবনে জ্ঞানই শক্তি। অজ্ঞানতাই সর্ববিধ দুঃখের মূল উৎস। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য গ্রন্থাগার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনি একটি অসামান্য গ্রন্থাগার অখণ্ড ভারতের বাতিঘর, ঐতিহ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুমিল্লার ‘রামমালা গ্রন্থাগার’। প্রতিষ্ঠাতা দানবীর মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য। গ্রন্থাগারের নামের পাশে তার নামও নন্দিতভাবে উচ্চারিত হচ্ছে পাঠকের কাছে।
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
প্রেমে বিপ্লবে প্রাসঙ্গিক হেলাল হাফিজ
কাব্য মনীষী মেকলে বলেন, ‘কবিতা হচ্ছে সেই রচনা যেখানে শব্দ এমন ভাবে ব্যবহৃত হয়, যাতে পাঠকের কল্পলোকে ঐ শব্দ একটি চিত্রিত সৌন্দর্যের বিশ্ব উন্মুক্ত করে দিতে পারে। শিল্পী রঙ দিয়ে যে কাজ করে, কবি ব্যবহারের মাধ্যমে তাই করে থাকেন।’
৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
পুঁথিসাহিত্যের আলোকবর্তিকা: আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
সাহিত্যের ইতিহাসে নিজের একটা জায়গা করে নেওয়া বেশ কঠিন। তার উপর গুরুত্বপূর্ণ (সিরিয়াস) ধারায় নিজেকে অপরিহার্য করে তোলার ব্যাপারে খুব কম সাধকই কৃতিত্বের দাবি করতে পারেন। আবদুল করিম সৃজনশীল লেখক ছিলেন না হয়তো- কিন্তু নিরলস শ্রমে মননে সাহিত্যের নতুন দিগন্ত আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যাপন করেছেন জীবন। বিলুপ্ত প্রায় জীবনের গল্পকে (পুঁথিসাহিত্য) সবার সামনে এনে প্রাণদান করেছেন।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন