স্বাধীনতার ৫০ বছরেও অরক্ষিত পদুয়া গণকবর
একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হাজারো মুক্তিযোদ্ধাকে সহযোদ্ধারা নিরুপায় হয়ে ধর্মীয় আচার মেনে-না মেনে ঝোপ-ঝাড়, খাল-বিলসহ বিভিন্ন স্থানে সমাহিত করেছিলেন। এমন ঘটনা সারা দেশেই ঘটেছে। যারা দেশ ও দশের জন্যে জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের গণকবর কোথাও কোথাও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও সংরক্ষণ করা হয়নি।
২১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
করোনা: চলে গেলেন মনজুরে মওলা
করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক কবি, রবীন্দ্র গবেষক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক মনজুরে মওলা মারা গেছেন।
২০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
আবদুল কাদির: কম চেনা বড় মানুষ
কীর্তিমানরা সৃষ্টিসুখের বিচিত্র ব্যবহারে, নানামুখী কাজে জীবন রাঙায় আত্মত্যাগের সাজে। সময়ের বেড়াজালে আটকে থাকা সম্ভাবনাকে দেখিয়ে দেন পথ। নির্মাণ করেন নতুন মতের। নিজেকে সমর্পণ করে ভাসিয়ে দেয় স্বপ্নের নৌকো! নিস্তরঙ্গে তা চলে সাহিত্য সংস্কৃতি সমাজে। তেমনি একজন— বাংলাসাহিত্যে কম চেনা বড় মানুষদের মধ্যে অন্যতম আবদুল কাদির। তিনি কবি, সমালোচক, গবেষক, সম্পাদক ও ছন্দবিজ্ঞানী। তার জীবন ও কর্মে বলা যায়— কবিতাচর্চা, ছন্দবিশ্লেষণ, সমালোচনা, গবেষণা ও সম্পাদনার যোগ্যতা ছিল অসাধারণ। অত্যন্ত নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে কাজ করে গেছেন এক জীবন।
১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
১৯৭১: এক গ্রামে ৩৭ জনকে হত্যা
১৯৭১ সালের মার্চের পর থেকেই সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা চালিয়েছিল ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা। নয় মাসে দেশে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩০ লাখ মানুষ।
১৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সমাধিসৌধ ও একজন মধু মিয়া
লাখো বাঙালির অশ্রু আর রক্তে সিক্ত হয়েছিল যে মাটি, সেই মাটির বুকে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ। বিজয়ের উল্লাসে মেতে উঠলেও সেই আনন্দের মধ্যেও মিশে ছিল চাপা কান্না, স্বজন হারানোর বেদনা। এমন শত বেদনার কথা আছে ইতিহাসের পাতায়, কখনোবা চাপা পড়ে গেছে কিছু অজানা অধ্যায়। আঞ্চলিক ইতিহাসে বিচ্ছিন্নভাবে এলেও জাতীয় ইতিহাসের পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি সুনামগঞ্জের ডলুরার ৪৯ বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা। তবে তাদের জন্য স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা নির্মাণ করেছেন সৌধ। যাকে গবেষকরা বলছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অনন্য সমাধিসৌধ। যেখানে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় হিন্দু-মুসলমান এক মাটিতে।
১৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
তারাশঙ্করের ১৯৭১: বাংলাদেশ ভারতের অস্থির সময়!
‘কানে বাজছে শেখ মুজিবুর রহমানের সেই আশ্চর্য কণ্ঠ— ঘরে ঘরে তোমরা দুর্গ গড়ে তোল। যা পাও হাতের কাছে তাই নিয়ে যুদ্ধ কর। আমাদের সংগ্রাম চলছে— চলবে। আমাদের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম— আমাদের এ সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
১০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
পাথরচাপা সময়ে ‘সওগাত’ ও কালোত্তীর্ণ নাসিরউদ্দীন
পাথরচাপা সময় আঠারো-উনিশ শতকে চলছিল আমাদের আত্মপরিচয়ের সংকট ও বাঙালি মুসলমান সমাজে সামাজিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সেই সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতিতে স্বাতন্ত্র্যের অনুসন্ধান করে সমাজ যখন দিশাহারা, ঠিক তখনি প্রকাশিত হয় বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবনায় কিছু পত্রিকা ও সাময়িকী।
২ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
আত্মপরিচয়ের বিদ্যাপীঠ জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাক
ইতিহাস বলে বাঙালি মুসলমানের জাগরণ উনিশ শতকের শুরুতেও ঠিকঠাক ঘটেনি, যেমনটা ঘটেছিল হিন্দু ব্রাহ্মণদের। কারণ তাদের ছিল রামমোহন, বিদ্যাসাগর, মধুসূদন, বঙ্কিমচন্দ্র, বিহারীলাল ও রবীন্দ্রনাথ। আমাদের মূলত জাগরণ শুরু হয় মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, আবুল মনসুর আহমদ, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ও কাজী নজরুল ইসলামের হাত ধরে। তারা গতানুগতিক ভাবনা সরিয়ে বিভিন্ন সংস্কারধর্মী, উদ্দীপনাময় রচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া ও অনগ্রসর গোষ্ঠীকে জাগিয়ে তুলতেও আন্তরিক হন। যদিও তার আগে গদ্যে মীর মশাররফ হোসেন, কাব্যে কায়কোবাদ ও সামাজিক জাগরণে মুনসী মেহেরুল্লাহ ও ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভূমিকা রেখেছেন। তাদেরই হালাল উত্তরাধিকার হিসেবে মাটি মানুষের গন্ধ নিয়ে আসেন আবদুর রাজ্জাক।
২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
‘অপ্রত্যাশিত, বিস্ময়ের ঘোর এখনো কাটেনি’
নব্বই দশকের অন্যতম কথাসাহিত্যিক শাহীন আখতার তার ‘তালাশ’ উপন্যাসের জন্য এ বছর ‘এশিয়া লিটারেরি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত তালাশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখো বাঙালি নারীর ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর অমানুষিক নির্যাতন তথা মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাক্রান্ত মানুষ। কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া লিটারেচার ফেস্টিভ্যালের শেষ দিন এ পুরস্কার ঘোষিত হয়।
৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
বাংলার সামাজিক মুক্তি ও শেরে বাংলার প্রাসঙ্গিকতা
আঠারো ও উনিশ শতকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক মুক্তির জন্য অনেকে কাজ করেছেন। আত্মপরিচয় নিয়ে ভেবেছেন বিদগ্ধ সামাজিক ও রাজনৈতিক চিন্তাশীলরা। বাঙালি সংস্কৃতিতে নানান মানুষের সমন্বয়ে হাজারো বছর ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ে উঠা বন্ধন নিয়ে চূড়ান্তভাবে মনোযোগ দিয়েছেন। সময়, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ভাষাসহ সামগ্রিক সংস্কৃতিতে অবদান রেখেছেন কালজয়ীরা।
২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
অজানা ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ‘রামমালা গ্রন্থাগার’
মানব জীবনে জ্ঞানই শক্তি। অজ্ঞানতাই সর্ববিধ দুঃখের মূল উৎস। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য গ্রন্থাগার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনি একটি অসামান্য গ্রন্থাগার অখণ্ড ভারতের বাতিঘর, ঐতিহ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুমিল্লার ‘রামমালা গ্রন্থাগার’। প্রতিষ্ঠাতা দানবীর মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য। গ্রন্থাগারের নামের পাশে তার নামও নন্দিতভাবে উচ্চারিত হচ্ছে পাঠকের কাছে।
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
প্রেমে বিপ্লবে প্রাসঙ্গিক হেলাল হাফিজ
কাব্য মনীষী মেকলে বলেন, ‘কবিতা হচ্ছে সেই রচনা যেখানে শব্দ এমন ভাবে ব্যবহৃত হয়, যাতে পাঠকের কল্পলোকে ঐ শব্দ একটি চিত্রিত সৌন্দর্যের বিশ্ব উন্মুক্ত করে দিতে পারে। শিল্পী রঙ দিয়ে যে কাজ করে, কবি ব্যবহারের মাধ্যমে তাই করে থাকেন।’
৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
পুঁথিসাহিত্যের আলোকবর্তিকা: আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
সাহিত্যের ইতিহাসে নিজের একটা জায়গা করে নেওয়া বেশ কঠিন। তার উপর গুরুত্বপূর্ণ (সিরিয়াস) ধারায় নিজেকে অপরিহার্য করে তোলার ব্যাপারে খুব কম সাধকই কৃতিত্বের দাবি করতে পারেন। আবদুল করিম সৃজনশীল লেখক ছিলেন না হয়তো- কিন্তু নিরলস শ্রমে মননে সাহিত্যের নতুন দিগন্ত আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যাপন করেছেন জীবন। বিলুপ্ত প্রায় জীবনের গল্পকে (পুঁথিসাহিত্য) সবার সামনে এনে প্রাণদান করেছেন।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
জাতীয় ইতিহাসে অপরিহার্য্য নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী
সমাজ, রাষ্ট্র যখন হুজুগে তখন প্রজন্মের অধিকাংশ হুজুগে হবে না কেন? বাংলা ও বাঙালির পাঠক সাময়িক-পার্বণের তাই পারম্পর্য নেই! অহেতুক আলাপ নিয়ে বছরওয়ারি হট্টগোল আছে, কাজের কাজ নেই। বিশেষ করে বাংলার আদর্শদের শতবর্ষ, সার্ধশতবর্ষ, দ্বিশতবর্ষ এলেই তাদের নিয়ে হট্টগোল তুঙ্গে ওঠে এবং যথারীতি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুধু ‘গরজন ও তরজন’ সঙ্গে ব্যাকুলতায় হয় অশ্রু ‘বরষণ’।
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
মুজতবা আলীর জীবনবোধে দেশ বিদেশ
সাধারণ মানুষের মাঝে থেকে চিন্তার মন মননে উচ্চগ্রামে যারা বাস করেন ইতিহাস তাদের অসাধারণ বলে মনে রাখে। সমাজের স্রোত ও জীবনবোধের আকাশে তারা নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে কাল থেকে কালান্তরে। পৃথিবীতে তাদের জন্ম-মৃত্যুর মাঝের সময়কাল ইতিহাসের অসামান্য দলিল বলে আখ্যায়িত হয়। সৈয়দ মুজতবা আলীর জীবন ও কীর্তি তেমনি একটি অধ্যায়।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
জাতীয় কবির শেষ দিকের কম জানা অধ্যায়
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রতিভা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সাহিত্যের এই দিকপাল, সৃজন সংসারে সক্রিয় ছিলেন মাত্র ২২ বছর। বেঁচে ছিলেন ৭৭ বছর। কিন্তু, এর মধ্যে ৩৫ বছর ছিল বেদনা-বিধূর। আর কবিরাই পারে শত বেদনায় সবসময় নিজের কথা সাবলিলভাবে তুলে ধরতে। যেমন: ‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিবো না, সারাদিনমান কোলাহল করি কারো ধ্যান ভাঙিবো না।… নিশ্চল-নিশ্চুপ আপনার মনে পুড়িবো একাকী গন্ধবিধুর ধূপ’।
২৭ আগস্ট ২০২০, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
আড়ালের সূর্য মওলানা আকরম খাঁ
এক সময়ের বাঙালি মনীষী হিসেবে অবিভক্ত বাংলায় যারা অসামান্য অবদান রেখেছেন— আজ তারা আড়াল হয়ে গেছেন। জনসাধারণের কাছে তেমন পরিচিত নন। তার জন্য সাধারণ মানুষ কখনো দায়ীও না। আপামর জনতা ভূমিকা রাখে হয়তো কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, কে সিলেবাসে থাকবে কে থাকবে না। আর এমনটা হয় শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি সমাজে উদার চিন্তায় কীর্তিমানদের জীবন ও কর্মের আলোচনা অপ্রতুলতার কারণে। এভাবেই অবহেলা আর অনাগ্রহে পড়ে আছেন উনিশ শতকের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করা নাম না জানা বহু গুণীজন। অনেক সময় দেখা যায়— কেন তাদের দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে, তার ঠিকঠাক কোনো যুক্তিও নেই।
১৮ আগস্ট ২০২০, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর ৩টি বইয়ের অনুবাদেই তার মানসকে ধরতে চেয়েছি: অধ্যাপক ফকরুল আলম
অধ্যাপক ফকরুল আলম শিক্ষক পরিচয়ের বাইরে একজন প্রথিতযশা অনুবাদক। বাংলা সাহিত্যকে পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন তিনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই দুটি অনুবাদ করে শুধু খ্যাতিই অর্জন করেননি, আমাদের ইতিহাস ও সংগ্রামকে পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের জানার সুযোগ করে দিয়েছেন। এসব নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এই অধ্যাপক মুখোমুখি হয়েছেন দ্য ডেইলি স্টারের।
১৪ আগস্ট ২০২০, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
ঈশ্বর, বিদ্যাসাগরের আড়ালে দয়ার সাগর
পৃথিবীতে কিছু মানুষের জন্ম সাদামাটা হলেও তারা নতুন সভ্যতা, নতুন অধ্যায়ের সূচনায় চিহিৃত হন! তেমনি বাংলা ও বাঙালির মাঝে ঈশ্বরচন্দ্রের আবির্ভাব সমগ্র পিছিয়াপড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক মুক্তি ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের পথনির্দেশ দিয়েছেন।
২৯ জুলাই ২০২০, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
‘গরিব মানুষের শ্রমের ওপরই দেশ টিকে আছে’
সমাজ পরিবর্তনের আবশ্যকতায় বিশ্বাসী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। বাকস্বাধীনতা, মানবিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক আন্দোলনের পুরোধা তিনি। দীর্ঘকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্য যাদের অবদানে উজ্জ্বল, তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
২৬ জুলাই ২০২০, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন