ফরিদগঞ্জে থানায় নেওয়ার আগেই ধর্ষণ মামলার আসামির মৃত্যু
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি থানায় নেওয়ার আগেই মারা গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত মিজানুর রহমান (৫৫) উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের কড়ৈতলী গ্রামের বাসিন্দা।
ওসি এরশাদ উল্যাহ বলেন, শিশু ধর্ষণ মামলায় বুধবার দিবাগত রাতে মক্তবশিক্ষক মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। থানায় নেওয়ার পথে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল ডেইলি স্টারকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মিজানুরের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।
ওই শিশুর বাবা ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গত সোমবার আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে মিজানুর। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হলে তিনি থানায় যেতে বলেন। পরে গতকাল রাতে থানায় মামলা করি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে শিশুটির বাবাকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত মিজানুরের শ্যালক সাবেক ইউপি সদস্য আলী হায়দার উজ্জ্বল। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ওই শিশুর পরিবার গতকাল রাতে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা করে।
ওসি এরশাদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।