পতাকা বৈঠকে সমাধান আসেনি, রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চয়তায় ৯ জন
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চয়তার মধ্যে অবস্থান করছেন ৯ নারী, পুরুষ ও শিশু।
বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকে কোনো সমাধান না আসায় আজ রোববার রাত তাদের সীমান্তরেখাতেই কাটাতে হবে।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান ঘটনার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। কিন্তু ওই ৯ জনের বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।'
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোরে রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের গয়টাপাড়া সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬০ নম্বর মেইন পিলারের ১ নম্বর সাব-পিলার এলাকা দিয়ে ভারতের ঝালোড়চর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ১ নারী, ৩ পুরুষ ও ২ শিশুসহ মোট ৬ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
একইসময়ে উপজেলার ভন্দুরচর সীমান্তের ১০৬৫ নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে আরও ৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।
এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে ৯ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে বিজিবি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
গয়টাপাড়া সীমান্তের বাসিন্দা আওলাদ হোসেন (৫৫) ডেইলি স্টারকে জানান, 'সীমান্তে ওই নারী-শিশুরা ভোর থেকে খুবই কষ্টে ছিলেন। রাতেও তাদের সীমান্তের শূন্যরেখায় কাটাতে হবে।'
লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, 'সীমান্তে নিয়ে আসা ওই ৯ জন ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। বিএসএফের পুশ-ইন ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।'
