ইরানি হামলায় ৪ মার্কিন সেনা নিহত: প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ

স্টার অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে সম্মিলিত আক্রমণের পর ইরানের পাল্টা হামলায় এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪ সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় পেন্টাগনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

পিট হেগসেথ বলেন, ‘দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একতরফা ও নির্মম যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। বৈরুতে গাড়ি বোমা হামলা, আমাদের জাহাজে রকেট হামলা, আমাদের দূতাবাসে হত্যাকাণ্ড, ইরাক ও আফগানিস্তানে সড়কপথে বোমা হামলার মাধ্যমে তারা এটি করে আসছে।’

‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অধীনে আমরা এটি শেষ করছি,’ বলেন তিনি।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘গত জুনে ১২ দিনের ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানকে সতর্ক করেছিল। কিন্তু তারা ঔদ্ধত্যের সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প, শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার কূটনৈতিক সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শান্তিপূর্ণ ও যুক্তিসঙ্গত চুক্তি করার প্রতিটি সুযোগ থাকলেও তেহরান আলোচনায় আগ্রহী ছিল না।’

অপরেশন এপিক ফিউরির লক্ষ্য সম্পর্কে হেগসেথ বলেন, ‘শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ঢাল তৈরির হুমকি দিয়ে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে চেয়েছিল ইরান। আমাদের লক্ষ্য তাদের আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ও উৎপাদন সক্ষমতা, তাদের নৌবাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা অবকাঠামো ধ্বংস করা। যেন ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।’

‘আমরা তাদের ওপর নিখুঁতভাবে, ব্যাপক মাত্রায় ও বিন্দুমাত্র ক্ষমা না দেখিয়ে আঘাত হানছি,’ বলেন হেগসেথ।

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন বিমান বাহিনীর প্রধান ও জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ অভিযান এক রাতের কোনো একক মিশন নয়।’

‘আমরা আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি, তবে সবসময়ই আমরা মার্কিন ক্ষতি কমিয়ে আনার চেষ্টা করব,’ বলেন কেইন।