ইরানে সীমিত সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার চুক্তিতে রাজি করাতে দেশটির ওপর সীমিত সামরিক হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা হামলার সম্ভাবনার কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পর এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নেবে নাকি কোনো চুক্তি হবে—আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিশ্ব জানতে পারবে।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা সন্দেহ করছে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগোচ্ছে। তবে ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে বৈঠক করেছেন। তারা আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বিবিসি জানায়, শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইরান 'সম্ভাব্য একটি চুক্তির খসড়া' প্রস্তুত করছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা চলাকালে ইরানের আশপাশে মার্কিন বাহিনী তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করে। বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকেও ওই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের সংখ্যা বৃদ্ধি।
বিবিসি জানিয়েছে, ইরানও তাদের সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীকে হুমকি দিয়ে বার্তা পোস্ট করেছেন।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি মন্তব্য করেছেন—পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো চাইলে ‘সমুদ্রের তলদেশে ডুবিয়ে দেওয়া’ সম্ভব।