আহমেদ মাওলা
শতবর্ষে / মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও শিখাগোষ্ঠীর শিখা
প্রজ্ঞাবান মানুষের উচিত নিরর্থক জীবনকে সার্থক করে তোলা। সেটাই প্রগতি।
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
দেশভাগের ৭৫ বছর: সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিবেচনা
‘তেলের শিশি ভাঙল বলে/খুকুর পরে রাগ করো/তোমরা যে সব বুড়ো খোকা/ভারত ভেঙে ভাগ করো!’
১৯ আগস্ট ২০২২, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
সৈয়দ আবুল মকসুদ ও তার ওয়ালীউল্লাহ চর্চা
এক দুঃসময়ে সৈয়দ আবুল মকসুদ চলে গেলেন যে তার বিদায়ে উপযুক্ত শোক প্রকাশের অবকাশও পাননি তার পাঠক ও প্রীতিভাজনেরা। তার কণ্ঠস্বর ছিল শান্ত কিন্তু শানিত। প্রখর ব্যক্তিত্ব ও দীপ্তি ছিল তার কথায় ও কাজে। হয়তো সে কারণে তার বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা ছিল সীমিত। পেশাগত পরিচয়ে তিনি সাংবাদিক, কলাম লেখক, তথ্যানুসন্ধানী একজন উঁচুমানের গবেষক ছিলেন। তার প্রাত্যহিক জীবনে গান্ধীবাদের প্রভাব আমরা দেখতে পাই। গান্ধীর অহিংস নীতিতে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন। গান্ধীর ওপর লিখেছেন একাধিক গ্রন্থ। আবার মাওলানা ভাসানীরও ভক্ত ছিলেন তিনি। আপোষকামিতার যে বর্তমান সমাজ, তার থেকে সৈয়দ আবুল মকসুদ ব্যতিক্রম এবং একধরনের প্রতিবাদী জীবনই বেছে নিয়েছিলেন।
২৩ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৭ অপরাহ্ন