তাইওয়ানে চীনের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা
স্বঘোষিত স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানে চীনের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনে ইকোনমিক ক্লাব সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান এই বার্তা দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি জানায়, হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুলিভান বলেন যে, চীন যেন কখনোই তাইওয়ানে হামলা না চালাতে পারে তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র 'প্রতিটি উদ্যোগ' হাতে নেবে।
ওয়াশিংটনে ইকোনমিক ক্লাব সম্মেলনে সুলিভান আরও বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর যা যা ঘটছে চীন তা 'নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ' করছে।
'এসব ঘটনা থেকে চীন শিক্ষা নিচ্ছে' উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এর মধ্যে আছে তাইওয়ানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষাও।'
তার মতে, 'ইউক্রেনের অবস্থা আর তাইওয়ানের অবস্থা এক নয়। তবে ইউরোপে যে ঘটনা ঘটেছে তা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও ঘটতে পারে।'
'তাই দায়িত্বশীল দেশগুলোর কর্তব্য হচ্ছে—কোনো আগ্রাসনই গ্রহণযোগ্য নয় তা যেখানেই ঘটুক না কেন—এই বার্তাটি সুস্পষ্টভাবে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া,' যোগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
চীন যদি তাইওয়ানে হামলা চালায় তাহলে মার্কিন সরকারের করণীয় সম্পর্কে সুলিভান বলেন, 'আমাদের সরকারের নীতি হচ্ছে এমন ঘটনা যেন না ঘটে তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সব কিছু করা।'
১৯৪৯ সালে মূল ভূখণ্ড চীন থেকে নিজেদের আলাদা ও স্বাধীন ঘোষণা করে তাইওয়ান দ্বীপ। চীন এই দ্বীপটিকে তার নিজ দেশের অংশ মনে করে।
সম্প্রতি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, তাইওয়ান যদি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করতে চায় তাহলে বেইজিং শক্তি প্রয়োগ করবে।
তবে, শান্তিপূর্ণভাবে তাইওয়ান সমস্যার সমাধান চীনের কাছে অগ্রাধিকার পাবে বলে আরটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।