দেশের জন্য যুদ্ধে যেতে চাওয়া ইউক্রেনীয়দের দীর্ঘ সারি

স্টার অনলাইন ডেস্ক

কয়েক সপ্তাহ ধরে ন্যাটো বাহিনীর কাছ থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, সাইবার ও যোগাযোগের উপকরণ নিয়ে ক্রমাগত যানবাহন আসছে ইউক্রেনের কিয়েভসহ বিভিন্ন স্থানে। সূত্র: বিবিসি। 

তবে, ইউক্রেনের মাটিতে কোনো ন্যাটো সেনা না থাকায় সেখানকার মানুষের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে। ইউক্রেনীয়রা বুঝেছেন এবং রাষ্ট্রপতি প্রায়শই এটা বলেছেন যে, 'যুদ্ধ শুরু হলে ইউক্রেনীয়রাই সেটা করবে। আমাদের কাছে ন্যাটোর সবচেয়ে উন্নত অস্ত্র আছে কিন্তু তারপরও সবচেয়ে মৌলিক যে বিষয়, দেশপ্রেমের সংকল্প আছে।'

স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিবন্ধনের জন্য পরিচালিত এই ধরনের অফিসে ইউক্রেনীয়দের দীর্ঘ লাইন থাকে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় খোলা মাঠে পুরুষদের বিশাল লাইন দেখা গেছে। সেখানে তারা তাদের পাসপোর্ট দেখাচ্ছেন এবং বাহুতে টেপ বেঁধে নিচ্ছেন। প্রায় কোনো যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নেই, শুধু পরিবারকে রক্ষা করার জন্য, দেশকে রক্ষার জন্য তাদের মধ্যে যুদ্ধে যাওয়ার সংকল্প দেখা যাচ্ছে।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুশপন্থী বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের দুই অঞ্চল দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করেন। সেখানে 'শান্তি রক্ষায়' সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি। এরপর উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। একই সঙ্গে 'প্রজাতন্ত্র' দুটিতে রুশ সেনাদের 'শান্তিরক্ষী' হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি। পুতিনের এই পদক্ষেপের পর পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে দিয়েছে। এখন ইউক্রেনে একটি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু সময়ের ব্যাপারমাত্র।

এরপর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দনবাস অঞ্চলে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন।