জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রণালয়

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

কেউ জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে বা সরকার নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো পেট্রোল পাম্প সরকার নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত দামে কোনভাবেই তেল বিক্রি করতে পারবে না।

'বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে' এবং 'অনেক ফিলিং স্টেশনে গিয়ে বাধ্য হয়ে বেশি দামে পেট্রোল ও অকটেন কিনতে হচ্ছে' এসব বক্তব্যকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় জানায়, ডিপোর ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অকটেন প্রতি লিটার ৮৯ টাকা এবং পেট্রোল প্রতি লিটার ৮৬ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীন বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে সারা দেশে নিরবিচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ অব্যাহত আছে।

'বর্তমানে দেশে অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত আছে' উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৯ নভেম্বর দেশে অকটেন ও পেট্রোলের মোট মজুত ছিল ৫৫ হাজার ৮০০ মেট্রিক টনের বেশি। চলতি মাসে প্রায় ১৯ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানি করা হয়েছে এবং ২০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি অকটেন আমদানি করা হচ্ছে।

এছাড়া, ডিসেম্বর মাসে ৬৫ হাজার মেট্রিক টনের বেশি অকটেন আমদানি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের স্বাভাবিক গড় মাসিক চাহিদা যথাক্রমে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন এবং ৩৩ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমান মজুত, আমদানি পরিকল্পনা ও দেশীয় উৎপাদন দিয়ে এই চাহিদা সহজেই পূরণ করা সম্ভব।