তোলারাম কলেজে শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৫
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় সরকারি তোলারাম কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুর বারোটার দিকে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসিনুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।’
‘দেড় ঘণ্টা পর ফতুল্লা থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা উভয়পক্ষকে চাষাঢ়ার কলেজ রোডে মুখোমুখি অবস্থান থেকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর নয়,’ বলেন তিনি।
জানতে চাইলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান বলেন, ‘তোলারাম কলেজের ভেতরে আমাদের নেতাদের মারধর করেছে। গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক উত্তাপকে ঘিরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রদল। আমরা সেখানে গেলে লাঠিসোঁটা দিয়ে আমাদের কয়েকজনকেও আঘাত করেছে। আমিও মাথায় আঘাত পেয়েছি।’
ছাত্রদল তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি মনির হোসেন জিয়া বলেন, ‘তোলারাম কলেজে সভা চলছিল। সেখানে ওরা উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য দিচ্ছিল। আমরা বলেছি, এ ক্যাম্পাস সহাবস্থানে ছিল সহাবস্থানে আছে, কোনো উচ্ছৃঙ্খলতা চলবে না। এজন্য আমাদের ছাত্রদলের দুজনকে ওরা মারধর করেছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসিনুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘তদন্ত করে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর এ এলাকায় যারা সন্ত্রাস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল, যারা এ কাজ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, দেড়টার পর পুলিশ ছাত্রশিবিরের নেতাদের সরিয়ে দিলে তারা সেখান থেকে চলে যান। তবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কলেজ রোড, জামতলা, চাষাঢ়া ও কালিরবাজার এলাকায় মিছিল করেন। দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের বিভিন্ন সড়কে মহড়া দিতে দেখা গেছে।