গোপালগঞ্জের ৩০ প্রার্থীর ২০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, গোপালগঞ্জ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের ৩ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩০ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে প্রার্থী জামানত হারাবেন।

গোপালগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামানের সই করা ফলাফলপত্রে দেখা যায়, গোপালগঞ্জ-১ আসনে ৬ জন, গোপালগঞ্জ-২ আসনে ৯ জন এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ৫ প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

গোপালগঞ্জ-১

মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান, সিপিবির নিরদ বরণ মজুমদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল, এম আনিসুল ইসলাম ও কায়ূম আলী খান জামানত হারিয়েছেন।

গোপালগঞ্জ-২

গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের তসলিম সিকদার, জাকের পার্টির মাহমুদ হাসান, জাতীয় পার্টির রিয়াজ সারোয়ার মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের দীন মোহাম্মদ, গণফোরামের শাহ মফিজ, বিএনপির বিদ্রোহী এম সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্বতন্ত্র প্রার্থী উৎপল বিশ্বাস, রনি মোল্লা ও শিপন ভূইয়া প্রয়োজনীয় ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্জনে ব্যর্থ হন।

গোপালগঞ্জ-৩

টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গঠিত এ আসনে গণঅধিকার পরিষদের আবুল বসার, গণফোরামের দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, ইসলামী আন্দোলনের মো. মারুফ শেখ, এপিপির শেখ সালাহউদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব জামানত হারিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লা ৬৯ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া ট্রাক প্রতীকে পান ৫৪ হাজার ৩২৯ ভোট।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির কেএম বাবর ধানের শীষ প্রতীকে ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএইচ খান মঞ্জু হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী এসএম জিলানী ৬০ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৩৯ ভোট।