৩১ ছক্কার রেকর্ডের ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে বিধ্বস্ত করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওয়েস্ট ইন্ডিজ আড়াইশ ছাড়ানো পুঁজি গড়ার পর ম্যাচের ফল নিয়ে বোধহয় কারোরই সংশয় ছিল না। শেমরন হেটমায়ার, রভম্যান পাওয়েলদের তাণ্ডবে ১৯ ছক্কায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ রেকর্ড পুঁজি গড়ার পর দেড়শোর আগেই থেমেছে জিম্বাবুয়ে, তবে তারাও মেরেছে ১২ ছক্কা। এতে হয়ে গেছে এক রেকর্ড।
মুম্বাইতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানরা জিতেছে ১০৭ রানের বিশাল ব্যবধানে। হেটমায়ারের ৩৪ বলে ৮৫ ও পাওয়েলের ৩৫ বলে ৫৯ রানে ২৫৪ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ; যা এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ দলীয় পুঁজি। অসম্ভবের পিছু ছুটে ১৪৭ পর্যন্ত যেতে পারে সিকান্দার রাজার দল। আটে নেমে তাদের হয়ে ২১ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন ব্র্যাড ইভান্স।
জিম্বাবুয়ের ইনিংস মূলত মুড়ে দেন দুই ক্যারিবিয়ান বাঁহাতি স্পিনার। ২৮ রানে ক্যারিয়ার সেরা ৪ উইকেট নেন গুডাকেশ মোটি, আকিল হোসেন সমান রান দিয়ে পান ৩ উইকেট। তাদের দাপুটে বোলিংয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা।
টস জিতে বোলিং বেছে ১৭ রানে ব্র্যান্ডন কিং আর ৫৪ রানে শেই হোপকে তুলে নিয়েছিলো জিম্বাবুয়ে। তিনে নেমে শুরুতেই ক্যাচ দিয়ে বাঁচেন হেটমায়ার। এরপর উত্তাল হয়ে উঠে তার ব্যাট। মাত্র ১৯ বলে স্পর্শ করেন ফিফটি, যা এই বিশ্বকাপের দ্রুততম। ফিফটির পর আবার ক্যাচ দিয়েছিলেন। দুইবারই তার সহজ ক্যাচ ফেলে দেন তাসিঙ্গা মুসেকিওয়া। যার খেসারত কড়ায় গণ্ডায় দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ৭টি করে চার-ছক্কায় ৮৫ রানে গিয়ে থেমেছেন তিনি।
পাওয়েল ৩৫ বলে ৫৯ রান করলেও হেটমায়ারের ঝড়ে তাকেও মনে হয়েছে মন্থর। শেষ দিকে শেরফাইন রাদারফোর্ড ১৩ বল ৩১, রোমারিও শেফার্ড ১০ বলে ২১ করলে আড়াইশ ছাড়িয়ে যায় ক্যারিবিয়ারা।
এত বড় সংগ্রহের পর দেখার ছিলো জিম্বাবুয়ে কতদূর যায়। সেই পথে তারা ৩ ওভারের মধ্যেই ২০ রানে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। পঞ্চাশ পেরুতে পড়ে ৪ উইকেট। ১০৩ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর শেষ উইকেটে হারের ব্যবধান কমান ইভান্স। পেসারদের বলে একের পর এক ছক্কায় বিনোদন দেন তিনি। ম্যাচের ফলে আর বিন্দুমাত্র কোন প্রভাব ছিলো না।