১৯৩০ থেকে ২০২৬: একনজরে ফিফা বিশ্বকাপের সব পোস্টার
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। সেই বছর থেকে প্রতিটি আসরের জন্য আলাদা অফিসিয়াল পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রথম বিশ্বকাপের পোস্টারে সেসময়ের জনপ্রিয় শিল্পরীতিকে তুলে ধরা হয়েছিল।
এসব পোস্টার শুধু টুর্নামেন্টের প্রচারণার মাধ্যম নয়; বরং আয়োজক দেশের সংস্কৃতি, শিল্পধারা, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ফুটবল-উন্মাদনারও প্রতিচ্ছবি।
পরবর্তী কয়েক দশকে পোস্টারগুলোতে ফুটবল ও খেলোয়াড়ের শক্তিমত্তা, জাতীয় পতাকা, স্টেডিয়াম ও দেশীয় প্রতীক গুরুত্ব পায়।
১৯৬০ ও ১৯৭০ এর দশকে পোস্টারগুলোতে আধুনিক গ্রাফিক ডিজাইন ও উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার বাড়ে।
১৯৯৪ সালে পোস্টারের ডিজাইনে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রভাব দেখা যায়।
এরপরের আসরগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক ফুটবল ঐক্যের বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পায়।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের পোস্টারে সোভিয়েত যুগের পোস্টার শিল্পের ছাপ ছিল। সেখানে কিংবদন্তি গোলরক্ষক লেভ ইয়াশিনকে কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের পোস্টারে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতির প্রতিফলন হয়।
২০২৬ বিশ্বকাপের পোস্টার ইতিহাসে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কারণ এবারই প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে।
প্রথমবারের মতো তিনজন শিল্পী (কানাডার কারসন টিং, মেক্সিকোর মিনার্ভা জিএম ও যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাঙ্ক উইলিস থমাস) মিলে অফিসিয়াল টুর্নামেন্ট পোস্টার তৈরি করেন। পোস্টারটিতে ফুটবল কীভাবে ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে।