মিডিয়া কমিটি থেকে বাদ পড়ার পর বিসিবি পরিচালক আমজাদের পদত্যাগ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-র পরিচালক পদ  আমজাদ হোসেন  পদত্যাগ করেছেন। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

​গত রবিবার রাতে বিসিবির একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আমজাদ হোসেনের পরিবর্তে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আরেক পরিচালক মো. মোখসেদুল কামালকে। এর ঠিক এক দিন পরেই এই নাটকীয় পরিবর্তন এল।

​আমজাদ হোসেন জানান, তার পদত্যাগ ব্যক্তিগত কারণে হলেও মিডিয়া কমিটির পদ হারানোই এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কাজ করেছে।

​তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'কারণগুলো ব্যক্তিগত। আপনারা জানেন, গভর্নিং কাউন্সিল চাইলে একটি স্ট্যান্ডিং কমিটি পুনর্গঠন করতে পারে। সম্ভবত গভর্নিং কাউন্সিল মনে করেছে যে কমিটির দায়িত্বে আমি ছিলাম, সেটি পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। যেহেতু তারা অনুভব করেছেন যে আমার সেবার আর প্রয়োজন নেই, তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'

​তিনি আরও যোগ করেন, তাকে সরিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ তাকে জানানো হয়নি।


​তিনি বলেন, 'কেন এমনটি ঘটল তা আমাকে সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি। এটি বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছিল, যা আমি সম্মান করি। সম্ভবত একটি অনলাইন কলের মাধ্যমে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।'

​চলতি মাসের শুরুর দিকে, গত বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে আমজাদ বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হতে পারত।


​তার মতে, 'সব নির্বাচন নিয়েই অনেক উদ্বেগ, সুবিধা-অসুবিধা এবং বিতর্ক থাকে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে এটি আরও স্বচ্ছ হতে পারত। তবে আমি এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ নই।'

​রবিবার দেওয়া বিবৃতিতে বিসিবি মিডিয়া কমিটির নেতৃত্বে পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'মিস্টার কামাল, যিনি আগে এই কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি আমজাদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আমজাদ হোসেন ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন এই দায়িত্বের পাশাপাশি মোখসেদুল কামাল বিসিবির ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও তার দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন।'

বর্তমান নির্বাচন বোর্ডে ইশতিয়াক সাদেক এর আগে পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। আমজাদ সেদিক থেকে দ্বিতীয়।