সাত হাজারি ক্লাবে বাংলাদেশের প্রথম তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডে সংস্করণের ক্রিকেটে সাত হাজার রান পূর্ণ করার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তামিম ইকবাল।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁহাতি তারকা ওপেনার গড়েছেন দারুণ কীর্তি। ইনিংসের ২৭তম ওভারের পঞ্চম বলে দারুণ এক বাউন্ডারি মেরে সাত হাজারি ক্লাবে ঢুকে পড়েন তিনি। জিম্বাবুয়ের পেসার ডোনাল্ড টিরিপানোর ডেলিভারিকে আপার-কাটে সীমানাছাড়া করেন তামিম। দর্শনীয় শটটি ছিল তার ইনিংসের ত্রয়োদশ চার। বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম তিন হাজার, পাঁচ হাজার ও ছয় হাজার রানের রেকর্ডও তামিমের।

সাত হাজার থেকে ৮৪ রান দূরে দাঁড়িয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছিলেন তামিম। ব্যাট হাতে সাম্প্রতিক হতাশাজনক অধ্যায় ঝেড়ে ফেলে এদিন নান্দনিক ব্যাটিং উপহার দিয়ে মাইলফলক পেরিয়ে গেছেন তিনি। এই ইনিংস খেলার পথে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৮তম হাফসেঞ্চুরির স্বাদও নিয়েছেন দেশসেরা ওপেনার।

২০৬ ওয়ানডের ২০৪তম ইনিংসে সাত হাজার রান পূর্ণ হলো ৩০ বছর বয়সী তামিমের। ভারতের সাবেক তারকা রাহুল দ্রাবিড় ও পাকিস্তানের কিংবদন্তি জাভেদ মিয়াঁদাদও সমানসংখ্যক ইনিংস খেলে সাত হাজারি ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলেন।

ওয়ানডেতে সবচেয়ে কম ইনিংস খেলে সাত হাজার রান ছোঁয়ার বিশ্বরেকর্ড হাশিম আমলার দখলে। সাবেক এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানের লেগেছিল ১৫০ ইনিংস। ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ১৬১ ইনিংসে। আমলার স্বদেশী এবি ডি ভিলিয়ার্সের লেগেছিল ১৬৬ ইনিংস।

তামিমের এক থেকে সাত হাজার

শূন্য থেকে এক হাজার– ৩৭ ইনিংস

এক থেকে দুই হাজার- ৩৩ ইনিংস

দুই থেকে তিন হাজার– ৩২ ইনিংস

তিন থেকে চার হাজার– ৩৫ ইনিংস

চার থেকে পাঁচ হাজার– ২১ ইনিংস

পাঁচ থেকে ছয় হাজার– ১৭ ইনিংস

ছয় থেকে সাত হাজার- ২৯ ইনিংস।