ভোটের ফল নিয়ে ২৯ প্রার্থীর নির্বাচনী মামলা শুনানির অপেক্ষায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টে পৃথক ২৯টি নির্বাচনী মামলা দায়ের হয়েছে।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির জন্য আদালত মে ও জুন মাসের বিভিন্ন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
গত বুধবার পর্যন্ত ২২ প্রার্থী ও গতকাল বৃহস্পতিবার সাত প্রার্থী মামলার আবেদন করেন।
তারা গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ব্যালট পেপার পুনরায় গণনার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিতে ও তাদের জয়ী ঘোষণার আবেদন জানিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সাতটি রিটের সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এই প্রার্থীরা হলেন ঢাকা-১১ এর বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম, মাদারীপুর-১ এর বিএনপির নাদিরা আক্তার, চুয়াডাঙ্গা-১ এর বিএনপির মো. শরীফুজ্জামান, বরগুনা-২ এর বিএনপির ডা. সুলতান আহমদ, নীলফামারী-২ এর বিএনপির শাহরিন ইসলাম, পিরোজপুর-২ এর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী শামীম সাঈদী, খুলনা-৫ এর জামায়াত প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ঢাকা-১১ আসনে এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সৈয়দ উদ্দিন আহমদ হানজালা, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের মো. মাসুদ পারভেজ, বরগুনা-২ আসনে বিএনপির মো. নুরুল ইসলাম, নীলফামারী-২ আসনে জামায়াতের আলফারুক আব্দুল লতিফ, পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপির আহমদ সোহেল মনজুর ও খুলনা-৫ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আলী আসগর জয়লাভ করেছেন।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, মোহাম্মদ শিশির মনির, পলাশ চন্দ্র রায়, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, আবদুল্লাহ সাদিক ও আখতারুন নাহার।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নির্বাচনী পিটিশন গ্রহণ ও শুনানির জন্য বিচারপতি জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ গঠন করে দেন।