ছুরিকাঘাতের পর পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া সেই ‘গ্রাম্য চিকিৎসক’ মারা গেছেন
শরীয়তপুরে ছুরিকাঘাত ও পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া 'গ্রাম্য চিকিৎসক' খোকন চন্দ্র (৪৫) মারা গেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকালে তিনি মারা যান।
ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের কেউরভাঙ্গা এলাকায় হামলার শিকার হন খোকন। নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাঘাতে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায় এবং পেট্রোলের আগুনে তার মুখমণ্ডল ও ডান হাত ঝলসে যায়।
পুলিশ জানায়, দুর্বৃত্তরা খোকনের তলপেটে ছুরি মেরে তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর তার শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রাণ বাঁচাতে খোকন পানিতে ঝাঁপ দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
ওসি জানান, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে খোকন দাসের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে কনেশ্বর এলাকার সোহাগ খান (২৭), রাব্বি মোল্যা (২১) ও পলাশ সরদারের (২৫) বিরুদ্ধে মামলা করেন।
খোকনের স্বজন প্রান্ত দাস মুঠোফোন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'তিনি আজ সকাল ৭টা ২০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে মারা গেছেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে আমার মামার কোনো শত্রুতা ছিল না।'
