পটুয়াখালীতে যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়ায় এক যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলেছে পরিবার।
নিহত রিপন কাজী (৩৫) আমতলী উপজেলার কালিবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পেশায় কৃষক ও গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন।
তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ বুধবার সকালে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হত্যার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।
নিহতের চাচাতো ভাই রাজীব কাজী ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমি ও রিপন মোটরসাইকেলে মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের গগন খাঁ বাজারে যাই। ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ বাজারঘোনা এলাকায় ৮-১০ জন আমাদের ওপর হামলা করে। আমি দৌড়ে পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়েছিলাম। পরে সেখান থেকে উঠে দেখি রিপন মাটিতে পড়ে আছে।’
‘স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়,’ বলেন তিনি।
নিহতের মা আমেনা বেগমের অভিযোগ, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে রাসেল কাজী, রিফাত কাজী, সোহাগ কাজী, রাহাত কাজীর নেতৃত্বে রিপনকে হত্যা করা হয়েছে।
আমতলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম সোহাগ ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি রিপন কাজীকে হত্যার নিন্দা ও বিচারের দাবি জানাই।’
ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, 'পরিবারের তথ্য অনুযায়ী জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।'
নিহত রিপন আমতলী থানার বাসিন্দা বলে ওই থানার একটি টিম সদর থানা পুলিশকে সহায়তা করছে বলে জানান আমতলী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন।