পাবনায় দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে তুলে যায় দৃর্বৃত্তরা, সরিষা খেতে মিললো মরদেহ
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
আজ শনিবার সকালে উপজেলার ভবানীপুর গ্রাম থেকে পুলিশ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তারা হলেন—সুফিয়া বেগম সুফি (৭০) ও তার নাতনি জামিলা খাতুন (১৬)।
পুলিশের ধারণা, শুক্রবার দিবাগত রাতে কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটেছে।
হত্যার আগে জামিলাকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে, মনে করছে পুলিশ।
এদিন সকালে ভবানীপুর গ্রামের বাড়ি থেকে সুফিয়ার ও ৫০০ গজ দূরে একটি খেতে জামিলার মরদেহ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের জন্য দুজনের মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ওই বাড়িতে বৃদ্ধা তার নাতনিকে নিয়ে বসবাস করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে সুফিয়া বেগমকে হত্যা করে এবং তার নাতনিকে তুলে নিয়ে যায়। সকালে বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে একটি সরিষা খেত থেকে জামিলা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তাদের দুজনেরেই মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যার আগে জামিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কি না সেটা ময়নাতদন্তে উঠে আসবে।’
‘কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে কেউ বলতে পারেনি। পুলিশ তদন্ত করছে, দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে,’ বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।