বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার ও এক বিপ্লবী প্রেম

আহমাদ ইশতিয়াক
আহমাদ ইশতিয়াক

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক অবিস্মরণীয় বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার। মাস্টারদা সূর্যসেনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন এই দুঃসাহসী মানুষটি। সূর্যসেনের সঙ্গে রাতে তারও ফাঁসি হয়েছিল চট্টগ্রাম কারাগারে। ফাঁসির আগে কারাগারের কনডেম সেলে তার উপর চালানো হয়েছিল নিষ্ঠুর নির্যাতন। সূর্যসেনের মতো তার লাশেরও শেষ গন্তব্য হয়েছিল ভারত মহাসাগরে।

কিন্তু প্রতিবারই প্রদীপের নিচে অন্ধকারের মতো আড়ালেই ঢাকা পড়ে যান তিনি। তারকেশ্বর দস্তিদার একজন আড়ালে থেকে যাওয়া এক মহানায়কের নাম। জন্ম চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর সারোয়াতলীতে। সহযোদ্ধারা তাকে ডাকতেন 'ফুটুদা' নামে। চট্টগ্রাম বিপ্লবের নেতাদের মধ্যে তারকেশ্বর দস্তিদারের স্থান ছিল সপ্তম।

চট্টগ্রামে যুব বিদ্রোহের এক মাস আগে পাহাড়তলীতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। এক বাড়িতে বসে তৈরি করেছিলেন বোমার পিকরিক পাউডার। যা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল ১৭টি বোমা। তৈরি বোমাগুলো দিয়ে ইউরোপিয়ান ক্লাব ও চট্টগ্রাম অস্ত্রাগারে লুণ্ঠন অপারেশনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।‌ কিন্তু বোমা বানানোর একপর্যায়ে ভয়ঙ্কর এক বিস্ফোরণে মারাত্মক আহত হন তারকেশ্বর দস্তিদার। বিস্ফোরণে তার বুক, হাত ও মুখের একাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

এমন অবস্থায় তারকেশ্বর দস্তিদারের ধরা পড়ার বেশ ঝুঁকি ছিলো। একপর্যায়ে সহযোদ্ধা বিপ্লবী অনন্ত সিংহকে তিনি বলেছিলেন, 'আপনি আমাকে গুলি করে মেরে সংগঠনকে বাঁচান।' কিন্তু মাস্টারদা সূর্য সেনের নির্দেশে সহযোদ্ধারা তাকে গোপনে গ্রামে পাঠিয়ে, চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তুলেছিলেন।

তারকেশ্বর দস্তিদার চেয়েছিলেন তার জীবনের বিনিময়ে হলেও যেন বিপ্লব সুসংগঠিত হয়‌। বিপ্লবীর বেশে তিনি বিপ্লবকে ছড়িয়ে দিয়েছেন গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায়। তার তত্ত্বাবধানেই চট্টগ্রামের প্রায় সব অঞ্চলে গোপনে গড়ে উঠেছিল বিপ্লবী সংগঠনের অসংখ্য শাখা প্রশাখা।

মার্চ, ১৯৩০। কারাগারে আটক বিপ্লবী বন্দিদের মুক্ত করতে চট্টগ্রামের বিপ্লবীরা উদ্যোগ নিলেন ডিনামাইট ও ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের। এই পরিকল্পনার ক্ষেত্রে তারকেশ্বর দস্তিদারের কৌশলী ভূমিকা ভীষণ সফল হয়েছিলো।‌ তিনি একাই ল্যান্ডমাইন তৈরির জন্য প্রচুর পরিমাণে গানকটন তৈরি করেছিলেন। হয়ে উঠেছিলেন পুরোদস্তুর বোমা বিশেষজ্ঞ।

ওই বছরের শুরু থেকেই চট্টগ্রাম নগরীর আসকার দিঘির পশ্চিম পাড়ের কংগ্রেস অফিসে সূর্য সেন এবং অম্বিকা চক্রবর্তী ভবিষ্যতের সশস্ত্র বিপ্লবের রূপরেখা নিয়ে বিভিন্ন নেতা কর্মীদের সাথে আলোচনা করতেন। ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ ও চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন—তারকেশ্বর দস্তিদার ছিলেন এ দুই বৃহৎ অপারেশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

একই বছরের ১৮ এপ্রিল অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের ফলে ১৮ এপ্রিল থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত চট্টগ্রাম কার্যত স্বাধীন ছিল। কিন্তু এর মধ্যেই বিপ্লবীদের খাবার সংকট দেখা দেয়। তখন তারকেশ্বর দস্তিদার ও বিপ্লবীদের কচি আম, তেঁতুল পাতা, কাঁচা তরমুজ এবং তরমুজের খোসা খেয়ে জীবন কাটাতে হয়েছিল। তারকেশ্বর দস্তিদার, মাস্টারদাসহ ৬ জন শীর্ষস্থানীয় বিপ্লবীকে ধরতে ইংরেজ সরকার সেই আমলে ৫০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।

২২ এপ্রিল জালালাবাদ পাহাড়ে অবস্থানরত বিপ্লবীদের সঙ্গে ইংরেজ সেনাদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। দুই ঘণ্টার এই সংঘর্ষে ৭০ জন ইংরেজ সেনা নিহত হয়। অন্যদিকে শহীদ হন ১২ জন বিপ্লবী। সেইবারও আত্মগোপনে চলে যেতে সক্ষম হন তারকেশ্বর দস্তিদার।

১৯৩১ সালের ৩১ মার্চ। চট্টগ্রামের চন্দনাইশের বরমা গ্রামে তখন গোপনে আশ্রয় নিয়েছেন তারকেশ্বর দস্তিদার ও বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী। গুপ্তচরের মাধ্যমে খবর পেয়ে ইংরেজ ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ভরদুপুরে বরমা গ্রামে অভিযান চালায়। পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বিপ্লবীরা। এসময় পুলিশের সঙ্গে বিপ্লবীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে গুরুতর আহত হয় ইংরেজ সেই পুলিশ ইন্সপেক্টর। সেবারও পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন তারকেশ্বর দস্তিদার ও বিনোদ বিহারী চৌধুরী।

জালালাবাদ যুদ্ধে ১২ জন বিপ্লবী শহীদ হওয়ায় বাকিরা তখন ছত্রভঙ্গ। এমন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন তারকেশ্বর দস্তিদার। আহত অবস্থাতেও তিনি ঘুরে ঘুরে আত্মগোপনে থাকা বিপ্লবীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন। মাষ্টারদা সূর্যসেন তখন বোয়ালখালীর কানুনগো পাড়ায় এক নিরাপদ আশ্রয়ে। এসময়ে পুলিশের দারোগা শশাঙ্ক সেই আস্তানার খবর জেনে যান। গোপন সূত্রে সে খবর পেয়ে তারকেশ্বর দস্তিদার তাকে গুলি করে হত্যা করেন।

২৪ এপ্রিল সূর্যসেনসহ ১৬ জন বিপ্লবীকে নিয়ে সারোয়াতলীর নিজ বাড়িতে আসেন তারকেশ্বর দস্তিদার।

এদিকে সূর্যসেনের কোনো খোঁজ না পেয়ে ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ১০,০০০ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করে ইংরেজ প্রশাসন।

১৯৩২ সালের ১৩ জুন রাত ৯টার দিকে মাস্টারদাকে ধরতে পটিয়ার ধলঘাট গ্রামের সাবিত্রী চক্রবর্তীর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। তখন ইংরেজ ক্যাপ্টেন ক্যামেরনকে গুলি করে সূর্য সেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এবং কল্পনা দত্ত পালিয়ে যান। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন বিপ্লবী নির্মল সেন।

এমন অবস্থায় সূর্যসেনকে জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে ইংরেজ পুলিশ। একপর্যায়ে পটিয়ার গৈরলা গ্রামে ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাসের বাড়িতে আত্মগোপন করেন সূর্যসেনসহ বেশ কজন বিপ্লবী।

১৯৩৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়িতে এক বৈঠকে বসেছিলেন কল্পনা দত্ত, শান্তি চক্রবর্তী, মণি দত্ত, ব্রজেন সেন ও সুশীল দাসগুপ্ত। ব্রজেন সেনের ভাই নেত্র সেন এ সময় সূর্যসেনের উপস্থিতির খবর পুলিশকে জানিয়ে দেন। রাত ১০টার দিকে পুলিশ আর সেনারা ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাসের বাড়িটি চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে। শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি। কল্পনা দত্ত, শান্তি চক্রবর্তী, মণি দত্ত আর সুশীল দাসগুপ্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। কিন্তু এদিন রাত ২টার দিকে সশস্ত্র ধরা পড়েন সূর্যসেন এবং ব্রজেন সেন।

সূর্যসেন ধরা পড়ার পর চট্টগ্রামে বিপ্লবের সমস্ত নেতৃত্বভার তারকেশ্বর দস্তিদারের উপর এসে পড়ে। ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মির চট্টগ্রাম শাখারও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তারকেশ্বর দস্তিদার। তারই প্রচেষ্টায় সে বছরের মার্চ মাসে সূর্যসেনকে মুক্ত করতে বিপ্লবীরা একাধিক চেষ্টা চালান। কিন্তু প্রতিবারই তাদের গোপন পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গিয়েছিল।

ওই বছরের ১৯ মে রাউজানের গহিরা গ্রামে পূর্ণ তালুকদারের বাড়িতে গোপন বৈঠকে বসেছিলেন তারকেশ্বর দস্তিদার, কল্পনা দত্ত, মনোরঞ্জন দাস, নিশি তালুকদারসহ বেশ কয়েকজন বিপ্লবী। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মেজর কিমের নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনারা পুরো গ্রাম ঘেরাও করে। একপর্যায়ে বিপ্লবীরাও টের পেয়ে পাল্টা গুলি শুরু করেন। কিন্তু রিভলভার দিয়ে আর কতক্ষণ টেকা যায়!

গোলাগুলির একপর্যায়ে শহীদ হন মনোরঞ্জন দাস, পূর্ণ তালুকদার ও নিশি তালুকদার। আর ধরা পড়েন তারকেশ্বর দস্তিদার, কল্পনা দত্তসহ বিপ্লবীদের বেশ কয়েকজন।

আটকের পর সূর্যসেন, তারকেশ্বর দস্তিদার ও কল্পনা দত্তের বিচারের জন্য গঠন করা হয়েছিল বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। ১৯৩৩ সালের ১৪ আগস্ট মামলার রায় ঘোষিত হয়। রায়ে সূর্যসেন ও তারকেশ্বর দস্তিদারকে ফাঁসি এবং কল্পনা দত্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। একই বছরের ১৪ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের আপিলের রায়েও এই রায় বহাল রাখা হয়েছিল।

বিচারের সময় ও পরবর্তীতে সূর্যসেনের মতো তারকেশ্বর দস্তিদারও কারাগারের কনডেমড সেলে বন্দী ছিলেন। ইংরেজ সেনারা নিয়মিত তারকেশ্বর দস্তিদারের উপর প্রচণ্ড নির্যাতন চালাতো। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েকবার অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন তারকেশ্বর দস্তিদার ও সূর্যসেন।

প্রায় অর্ধমৃত অবস্থায় ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি মধ্যরাতে তারকেশ্বর দস্তিদার ও সূর্যসেনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

মৃত্যুর পর সূর্য সেনের মতো তারকেশ্বর দস্তিদারের লাশও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী পোড়ানোও হয়নি।

ফাঁসির পর জেলখানা থেকে তাদের লাশ ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয় ৪ নম্বর স্টিমার ঘাটে। এরপর সেখানে নোঙর করে রাখা ব্রিটিশ ক্রুজার 'দ্য রিনাউনে' তোলা হয়। তাদের বুকে বেঁধে দেওয়া হয় লোহার টুকরো।

বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মধ্যবর্তী অবস্থানে সাগরের বুকে ফেলে দেওয়া হয় তাদের লাশ। মুহূর্তেই যা ডুবে যায় জলের অতলে। তাদের কীর্তি ঠাঁই নেয় ইতিহাসের পাতায়।

তারকেশ্বর দস্তিদারের বিপ্লবী একপাক্ষিক প্রেম

বিপ্লবী কল্পনা দত্তকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন তারকেশ্বর দস্তিদার। তার ফাঁসি হয়ে গেলেও যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরের সাজা হয়েছিল কল্পনা দত্তের। রবীন্দ্রনাথ, মহাত্মা গান্ধী ও সি.এফ অ্যান্ড্রুজের প্রচেষ্টায় গ্রেপ্তারের ৬ বছর পরে ১৯৩৯ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন কল্পনা দত্ত।

স্মৃতিকথায় প্রেমের বর্ণনা লিখতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, 'ধরা পড়ার পর মাস্টারদা, ফুটুদা আর আমাকে নিয়ে নতুন করে মামলা শুরু হয়েছিল। আমরা কাঠগড়ায় একসঙ্গে দাঁড়াতাম। সেইসময় একদিন ফুটুদা বলেছিলেন, "তোকে ভালো লাগে। যদি ফিরে আসি, আমার জন্য অপেক্ষা করবি?" আমার মৌনতায় হয়তো সম্মতি ছিল।'

সেই স্মৃতিই পরের ১০ বছর নিজের সম্বল করে নিয়েছিলেন বিপ্লবী কল্পনা দত্ত। অপেক্ষায় ছিলেন, যদি কখনো ফিরে আসে তার প্রিয় ফুটুদা। কারাগারে থাকায় সময়ে তিনি জানতেও পারেননি তারকেশ্বর দস্তিদারকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে।

১৯৪৩ সালে বোম্বেতে (মুম্বাই) কমিউনিস্ট পার্টির এক কনফারেন্সে কল্পনা দত্তকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক পূরণচাঁদ জোশী।

সে বিষয়ে স্মৃতিকথায় কল্পনা দত্ত লিখেছিলেন, 'দুর্ভিক্ষের পরে বোম্বেতে একটি কনফারেন্স হয়েছিল। সালটা সম্ভবত ১৯৪৩। আমি চট্টগ্রামের প্রতিনিধি হিসেবে সেই কনফারেন্সে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানেই জোশী আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমি বললাম আই হ্যাভ প্রমিসড্‌ তারকেশ্বর দস্তিদার। জোশী বলল, "তুমি জানো না ওর ফাঁসি হয়ে গেছে। ও তো আর কোনোদিন আসবে না।" তাও আমি দোনামোনা করছিলাম। বিটি রণদিভে, গঙ্গাধর অধিকারী এরা ইনসিস্ট করাতে বিয়ে করলাম।'

শেষপর্যন্ত পূরণচাঁদ জোশীর সঙ্গেই বিয়ে হয়েছিল কল্পনা দত্তের। কিন্তু আমৃত্যু কল্পনা দত্ত আগলে রেখেছিলেন প্রিয় ফুটুদার স্মৃতি। কল্পনা দত্ত মারা গিয়েছিলেন ১৯৯৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।

বিপ্লব আর জীবন নিয়ে প্রায় ৩ হাজার পৃষ্ঠার একটি আত্মজীবনী লিখেছিলেন কল্পনা। যদিও তিনি তা হারিয়ে ফেলেছিলেন। যার দরুন বিপ্লবের অজস্র অজানা নিখুঁত বয়ান হারিয়ে যায় চিরতরে!

এ নিয়ে ভীষণ আক্ষেপ ছিল কল্পনা দত্তের। তবে তার স্মৃতিকথায় রয়ে যায় নিভৃত সেই প্রেমের বিপ্লবী আখ্যান।

৯২ বছর আগে, ১৯৩৪ সালের আজকের দিনেই তারকেশ্বর দস্তিদার ও মাস্টারদা সূর্যসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে ইংরেজ প্রশাসন। প্রয়াণের দিনে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য।

 

সূত্র:

চট্টগ্রাম অভ্যুত্থান/ কল্পনা দত্ত

চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার আক্রমণকারীদের স্মৃতিকথা/ কল্পনা দত্ত

স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম/ পূর্ণেন্দু দস্তিদার

অগ্নিগর্ভ চট্টগ্রাম/ অনন্ত সিংহ