এক্সপ্লেইনার

এপ্রিল ফুল: বোকা বনতে পারেন এই লেখা পড়েও

দুলি মল্লিক
দুলি মল্লিক

বিবিসির ডকুমেন্টারি মুভি ‘মিরাকলস অব ইভোলিউশন’ এর ট্রেলার দেখেছেন?

আজ থেকে ১৮ বছর আগে ২০০৮ সালে বিবিসির ইউটিউব চ্যানেলে ট্রেলারটি প্রকাশিত হয়। ভিডিওতে দেখা যায় চলচ্চিত্র নির্মাতা টেরি জোন্স বরফে ঢাকা অ্যান্টার্কটিকায় এমন একদল পেঙ্গুইনের সন্ধান পেয়েছেন, যারা বিশ্বের অন্য সব পেঙ্গুইনের মতো নয়।

উড়ন্ত পেঙ্গুইন

 

অ্যাডেল নামের এই পেঙ্গুইনরা দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে এক পর্যায়ে উড়তে শুরু করে। টেরি জোন্সের মাথার উপর দিয়েও উড়ে চলে যায় তারা। শীত বাড়লে অ্যান্টার্কটিকা ছেড়ে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আমাজন বনে গিয়ে পৌঁছায় অ্যাডেলরা।

অবিশ্বাস্য চমকপ্রদ এই ঘটনা দেখে অবাক হন অনেকে। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম বিবিসির এই আবিষ্কারের প্রশংসা করে আর্টিকেলও প্রকাশ করে।

আপনি চাইলে ইউটিউবে ‘ফ্লাইং পেঙ্গুইনস বিবিসি’ নামে সার্চ দিয়েও দেখতে পারেন।

এখন বলুন বিবিসির এই ট্রেলারের সঙ্গে ‘এপ্রিল ফুল’-এর সম্পর্ক কি?

বোকা বনে গেলেন? আপনার মনে একবারও প্রশ্ন আসেনি—এটা কি সত্যি? পেঙ্গুইন কি আসলেই উড়তে পারে?

উত্তর হলো ‘না’।

পহেলা এপ্রিল ট্রেলারটি প্রকাশের পর অনেকেই বিশ্বাস করেছিলেন যে, পেঙ্গুইনরা হয়তো আসলেই উড়তে পারে। দর্শকদের বোকা বানানোর জন্য ইতিহাসে অন্যতম সফল ও বিখ্যাত ‘এপ্রিল ফুল প্র্যাঙ্ক’ এটি।

১ এপ্রিল, বুধবার ২০২৬ সালের সেই বিশেষ দিন, যেদিন মানুষ বোকা হতে ভালোবাসে। এ দিনে নির্দোষ ধোঁকায় আনন্দ দেওয়া অপরাধ নয় বরং রীতি।

আপনি যেন নিজে ‘বোকা’ না হন কিংবা অন্যকে টেক্কা দিতে পারেন বা প্রিয় বন্ধু বা কলিগকে বোকা বানাতে পারেন—সেজন্য জেনে নিন এপ্রিল ফুলের আদ্যোপান্ত।

‘এপ্রিল ফুল’ কী

কৌতুক বা মজার ছলে মানুষকে বোকা বানানোর একটি ঐতিহ্যবাহী দিন। এই দিনে বন্ধু, পরিবার কিংবা সহকর্মীদের মধ্যে চলে একে অপরকে বোকা বানানোর নিরন্তর প্রতিযোগিতা। নিয়মমাফিক জীবনযাপন করা মানুষটিও এদিন সরল দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে।

এপ্রিল ফুল

 

অনেক সংবাদ মাধ্যম ‘বিবিসির উড়ন্ত পেঙ্গুইনের’ মতো অবিশ্বাস্য কোনো খবর প্রকাশ করে মানুষকে বোকা বানিয়ে নির্ভেজাল আনন্দ দেয়।

কখনো ছোট কৌতুক, আবার কখনো সুপরিকল্পিত বড়সড় প্র্যাঙ্ক হতে পারে। সবকিছু মিলিয়ে হাসি-ঠাট্টা আর চমকের এক অনন্য সমাহার ‘এপ্রিল ফুল’।

কীভাবে এলো, কেন ১ এপ্রিল

এপ্রিল ফুল'স ডে বহু শতাব্দী ধরে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে উদযাপিত হয়ে আসছে, তবে এর সঠিক সূচনা আজও রহস্য রয়ে গেছে। সঠিক উৎস নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো একক ব্যাখ্যা না থাকলেও, বিভিন্ন তত্ত্ব ও ঐতিহাসিক ঘটনা মিলিয়ে এই দিনের উৎপত্তি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

মার্কিন পত্রিকা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক বা ন্যাট জিও’র প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথাটি ৬০০ বছরের বেশি পুরোনো হতে পারে। লোকসংগীত বিশেষজ্ঞ স্টিফেন উইনিকের মতে, তিন ধরনের মতবাদ রয়েছে—যার একটি ইংল্যান্ডের ও অপর দুটি ফ্রান্সের। সবচেয়ে জনপ্রিয় ষোড়শ শতাব্দীর ফ্রান্সের ক্যালেন্ডার বিভ্রাট।

ক্যালেন্ডার বিভ্রাট

১৫৬৪ সালে ফ্রান্সের কিশোর সম্রাট নবম চার্লস রাজ্য ভ্রমণে বের হন এবং দেখেন যে একেক অঞ্চলে নববর্ষ একেক দিনে পালিত হচ্ছে। বিশৃঙ্খলা দূর করতে তিনি ‘এডিট অব রুসিলন’ জারি করেন, যেখানে ঘোষণা করা হয়—এখন থেকে ফ্রান্সে নববর্ষ শুরু হবে ১ জানুয়ারি।

ইতিহাস

 

পরবর্তীতে ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণের ফলেও একই ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

রাজকীয় আদেশের পরও অনেকে ১ এপ্রিলেই নববর্ষ পালন করতে থাকেন। যারা নতুন নিয়ম মেনে নিয়েছিলেন, তারা পুরোনোদের ‘বোকা’ বলে উপহাস করতে শুরু করেন। সেই থেকেই ১ এপ্রিলকে কেন্দ্র করে বিদ্রূপ ও কৌতুকের এই প্রথাটি পুরো ইউরোপ ও পরবর্তীতে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

চসারের কাব্য ও মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডের তত্ত্ব

১ এপ্রিল কাউকে বোকা বানানোর রীতি মধ্যযুগ থেকে শুরু হয়ে থাকতে পারে। ১৩৯০ সালের দিকে ইংরেজি কবি জিওফ্রে চসার তার ‘নান্স প্রিস্টস টেল’ গল্পে একটি মোরগ ও একটি শিয়ালের কাহিনীর উল্লেখ করেন, যেখানে তারা একে অপরকে বোকা বানানোর চেষ্টা করে। তিনি কবিতায় উল্লেখ করেন, এই ঘটনাটি ঘটেছিল মার্চ মাস শুরুর ঠিক ৩২ দিন পর—হিসাব অনুযায়ী যা ১ এপ্রিল।

নান্স প্রিস্টস টেল

 

ফরাসি ‘এপ্রিল ফিশ’ এর গল্প

ফ্রান্সে বহু শতাব্দী ধরে ১ এপ্রিল ‘পোয়াসঁ দা’ভপ্রিল’ বা ‘এপ্রিল ফিশ’ পালিত হয়ে আসছে। আজও সেখানে কৌতুকপ্রিয়রা গোপনে অন্যের পিঠে কাগজের মাছ সেঁটে দেয় এবং ধরা পড়লে চিৎকার করে বলে ওঠে ‘এপ্রিল ফিশ!’

এপ্রিল ফিশ

ফরাসি কবি ও সুরকার এলোয় দ্য’আমেরভাল ১৫০৮ সালে তার ‘বুক অব ডেভিলট্রি’ কবিতায় ‘এপ্রিল ফিশ’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। এই শব্দটি সম্ভবত বোকা মানুষদের মাছের সঙ্গে তুলনা করার ইঙ্গিত দেয় অথবা ষোড়শ শতাব্দীর আগেই এমন কোনো উৎসব প্রচলিত ছিল বলে প্রমাণ দেয়।

অন্য তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রাচীন রোমান উৎসব ‘হিলারিয়া’ বা বসন্তের খামখেয়ালি প্রকৃতির (কখনো রোদ, কখনো তুষারপাত) সাথেও এই দিনটির সম্পর্ক থাকতে পারে।

কীভাবে পালিত হয়

বিশ্বজুড়ে এপ্রিল ফুলের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য রয়েছে। স্বাভাবিক রীতি অনুযায়ী—বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোটখাটো প্র্যাঙ্ক করা, ভুয়া খবর বা মজার গল্প ছড়ানো, অফিস বা স্কুলে কৌতুকপূর্ণ আয়োজন।  

সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশে নানা রীতিতে পালিত হয় দিনটি। অনেক দেশের গণমাধ্যম পর্যন্ত এই দিনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া খবর প্রকাশ করে, পরে জানানো হয় এটি শুধুই মজা ছিল।

বিভিন্ন দেশে।

 

ফ্রান্স ও ইতালি: এখানে একে বলা হয় ‘এপ্রিল ফিশ’। মানুষের অগোচরে তাদের পিঠে কাগজের মাছ সেঁটে দেওয়া এখানে প্রধান মজা।

যুক্তরাজ্য: এখানে মজার একটি নিয়ম আছে। সব প্র্যাঙ্ক বা কৌতুক দুপুর ১২টার মধ্যে শেষ করতে হয়। ১২টার পরে কেউ কাউকে বোকা বানাতে গেলে সে নিজেই ‘বড় বোকা’ হিসেবে গণ্য হয়।

স্কটল্যান্ড: এখানে উৎসব চলে টানা দুদিন। প্রথম দিনকে বলা হয় ‘হান্টিগাওক ডে’ এবং দ্বিতীয় দিনটি হলো ‘টেইলি ডে’। প্রচলিত আছে যে, মানুষের পিঠে ‘কিক মি’ (আমাকে লাথি দাও) সাইন ঝোলানোর প্রথা এখান থেকেই শুরু।

ইরান: এখানে দিনটি ‘সিজদাহ বে-দার’ হিসেবে পালিত হয়। এটি পারস্য নববর্ষের ১৩তম দিন, যেখানে মানুষ বনভোজন করে এবং একে অপরকে নিয়ে নির্দোষ মিথ্যা বলে আনন্দ পায়।

ইতিহাসে বিখ্যাত এপ্রিল ফুল প্র্যাঙ্ক

এপ্রিল ফুল'স ডে-র সঙ্গে জড়িয়ে আছে দারুণ সব ঐতিহাসিক গল্প ও বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা বিখ্যাত কিছু কৌতুক। বড় বড় মিডিয়া ও বিভিন্ন কোম্পানির এপ্রিল ফুলের ধোঁকায় পড়ে লাখ লাখ মানুষ বোকা বনে গিয়েছিল।

বিবিসি-র 'স্প্যাগেটি গাছ'

বিবিসি-র 'স্প্যাগেটি গাছ'

 

টেলিভিশনের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এপ্রিল ফুল কৌতুক এটি। ১৯৫৭ সালের ১ এপ্রিল বিবিসি তাদের বিখ্যাত নিউজ শো 'প্যানোরামা'-তে একটি প্রতিবেদন প্রচার করে যে, সুইজারল্যান্ডের কৃষকরা গাছে হওয়া 'স্প্যাগেটি' (এক ধরনের নুডলস) ফসল কাটছে। ভিডিওতে দেখানো হয় কৃষকরা গাছ থেকে লম্বা লম্বা স্প্যাগেটি নিয়ে এসে রোদে শুকাতে দিচ্ছে। সেসময় ব্রিটেনে স্প্যাগেটি খুব একটা পরিচিত ছিল না। প্রতিবেদনটি দেখে হাজার হাজার দর্শক বিবিসিকে ফোন করে জানতে চায়—‘কীভাবে তারা নিজেদের বাগানে স্প্যাগেটি গাছ লাগাতে পারবে?’

টাকো বেলের 'লিবার্টি বেল' কেনা

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ফাস্ট ফুড চেইন 'টাকো বেল' ১৯৯৬ সালের ১ এপ্রিল দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্টসহ ৬টি বড় পত্রিকায় একটি পাতার পুরোটা জুড়ে বিজ্ঞাপন দেয়—‘আমেরিকার জাতীয় ঋণ কমানোর জন্য তারা ফিলাডেলফিয়ার ঐতিহাসিক 'লিবার্টি বেল' কিনে নিয়েছে এবং এর নতুন নাম দিয়েছে ‘টাকো লিবার্টি বেল’।

ট্যাকো বেল

 

ওই খবর পড়ে হাজার হাজার ক্ষুব্ধ নাগরিক প্রতিবাদ শুরু করে। এমনকি হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি মজা করে বলেন, ‘লিঙ্কন মেমোরিয়ালও ফোর্ড কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে!’

পরদিন জানানো হয়— এটি এপ্রিল ফুলের মজা ছিল।

বার্গার কিং-এর 'বাঁহাতি বার্গার'

ফাস্ট ফুড চেইন বার্গার কিংও একই ধরনের মজা করেছিল ১৯৯৮ সালে। ইউএসটুডে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনে—‘যুক্তরাষ্ট্রের ৩ কোটি ২০ লাখ বাঁহাতি মানুষের জন্য বিশেষ ‘লেফট-হ্যান্ডেড বার্গার’ তৈরি করেছে। বার্গারের ভেতরের সব উপাদান ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে বাঁহাতিদের কামড় দিতে সুবিধা হয়।

বাহাতি বার্গার

 

এই বিজ্ঞাপন দেখে হাজার হাজার ক্রেতা রেস্টুরেন্টে গিয়ে বাঁহাতি বার্গার অর্ডার করতে শুরু করে। এমনকি ডানহাতিরা দাবি করে তাদের ‘ডানহাতি বার্গার’ দিতে হবে।

গুগলের 'সত্যি' জোক

২০০৪ সালের ১ এপ্রিল গুগল তাদের ইমেইল সার্ভিস 'জিমেইল' লঞ্চ করে। তারা ঘোষণা দেয় যে জিমেইলে ১ জিবি ফ্রি স্টোরেজ দেওয়া হবে। সে সময়ে হটমেইল বা ইয়াহু মাত্র ২ থেকে ৪ মেগাবাইট স্টোরেজ দিতো। ১ জিবি স্টোরেজ তখন এতটাই অবিশ্বাস্য ছিল যে, সারা বিশ্বের মানুষ ধরে নিয়েছিল গুগল এপ্রিল ফুলের বিশাল কোনো মজা করছে।

জিমেইল

 

কিন্তু পরের দিন মানুষ বুঝতে পারে, এটি কোনো কৌতুক ছিল না, জিমেইল সত্যিই ১ জিবি স্টোরেজ দিচ্ছে! এটি ছিল এমন এক এপ্রিল ফুল জোক, যা আসলে সত্যি ছিল।

বিতর্ক ও সমালোচনা

যদিও এপ্রিল ফুল মূলত হাস্যরসের জন্য, তবে এ নিয়ে সমালোচনাও আছে।

এপ্রিল ফুল নিয়ে বিতর্ক

 

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুয়া খবরের যুগে এপ্রিল ফুলের প্র্যাঙ্ক অনেক সময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে, একটি ‘মজা’ খুব দ্রুত ভুল তথ্যে পরিণত হতে পারে।

ডিজিটাল যুগে ‘এপ্রিল ফুল’

ইন্টারনেটের কারণে এপ্রিল ফুল এখন আরও বিস্তৃত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউব, এমনকি বড় বড় টেক কোম্পানিও এই দিনে মজায় অংশ নেয়। তবে একই সঙ্গে ‘ফেক নিউজ’ বা ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকিও বেড়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এপ্রিল

 

কেন এখনো জনপ্রিয়?

এপ্রিল ফুল এখনো জনপ্রিয় কারণ এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে হাস্যরস ও হালকা বিনোদন যোগ করে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মজা করার সময় সীমা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখা জরুরি।

সতর্কতা

অনেক দেশে অনলাইনে কোনো মিথ্যা তথ্য ছড়ালে বা এর ফলে জনজীবনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে আইনি ব্যবস্থার বিধান রয়েছে।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এপ্রিল ফুলের রসিকতার অংশ হিসেবেও কেউ যদি অনলাইনে মিথ্যা তথ্য পোস্ট বা শেয়ার করে, তাহলে মোটা অঙ্কের জরিমানা এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে।

মিথ্যা তথ্য ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা

 

দেশটির পাবলিক প্রসিকিউটর এক জনসচেতনতামূলক বার্তায় জানায়, আমিরাতের আইনে রসিকতার জন্য শেয়ার করা ভুল তথ্য ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয় না এবং উভয়কেই ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মনে রাখবেন

এপ্রিল ফুলস ডে-তে কৌতুক করার সময় মনে রাখবেন—আপনার কৌতুক যেন হালকা মেজাজের হয় এবং কারও জন্য অস্বস্তি বা ক্ষতি না করে। কৌতুকটি যেন উপভোগ করতে পারে এবং শেষে অবশ্যই প্রাণ খুলে হাসতে পারে।