কোনো দ্বীপে হামলা হলে ‘সব সংযম ত্যাগ করবে’ ইরান
উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত ইরানের দ্বীপগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কোনো ধরনের আগ্রাসন দেখালে তেহরান ‘সব ধরনের সংযম পরিত্যাগ করবে’ বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ।
আল জাজিরা বলছে, আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত ইরানের দ্বীপগুলোর মধ্যে অন্যতম খারগ দ্বীপ। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির উত্তর-পশ্চিমে ৭ দশমিক ৭ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে দ্বীপটি বিস্তৃত।
এই দ্বীপ ইরানের জ্বালানি রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্য কিছু দ্বীপে ইরানের সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে।
Homeland or Death!
Any aggression against soil of Iranian islands will shatter all restraint.
We will abandon all restraint and make the Persian Gulf run with the blood of invaders.
The blood of American soldiers is Trump's personal responsibility.— محمدباقر قالیباف | MB Ghalibaf (@mb_ghalibaf) March 12, 2026
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই এই দ্বীপের দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নজর পড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস গত ৭ মার্চ এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের ভেতরে ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দ্বীপটি দেশটির মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাত করে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ছোট এ দ্বীপ দখলে চলে গেলে ইরানের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে।