ইরানে হামলা মনিটর করছেন ট্রাম্প, কথা বলছেন নেতানিয়াহুর সঙ্গে: হোয়াইট হাউস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডায় নিজ বাসভবন মার-এ-লাগো থেকে ইরানে হামলা মনিটর করছেন। তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হামলা নিয়ে কথাও বলছেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট আজ শনিবার এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের বিরুদ্ধে “বড় আকারের সামরিক অভিযান” শুরু করে, তখন থেকেই সারারাত ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা দলের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।'
লেভিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টূইটার) এক পোস্টে বলেন, 'হামলা চলার সময় ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ইসরায়েল জানিয়েছে যে তারাও ইরানে হামলা চালাচ্ছে।'
লেভিট লিখেছেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সারারাত তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের সদস্যদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।'
লেভিট জানান, হামলার আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কংগ্রেসের নেতাদের জানানোর জন্য যোগাযোগ করেছিলেন।
রুবিও কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ আটজন সদস্যের মধ্যে সাতজনের সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম হন।
লেভিট আরও বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার জাতীয় নিরাপত্তা দল সারাদিন পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।'
ইরানে শনিবার সকালে ‘বড় সামরিক অভিযান’ শুরুর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলেন ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে।
ইরানে সামরিক অভিযান ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের উদ্যোগের ফলাফল কী হবে—তা নিয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, 'আমি শুধু (ইরানের) জনগণের জন্য স্বাধীনতা চাই।'
এর আগে, ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। জাহাজ থেকে টমাহক ক্রুজ মিসাইল ছোড়া হয় এবং মার্কিন বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী এসব হামলা পরিচালনা করে। ট্রাম্প প্রশাসন এই হামলাকে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' নাম দিয়েছে।
হামলা শুরুর পরপর এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান এবং ইরানি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, 'আপনারা শাসনভারের নিয়ন্ত্রণ নিন। কয়েক প্রজন্ম পর এটি হয়ত আপনাদের একমাত্র সুযোগ।'