সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন গড়ে মৃত্যু ৬

নিজস্ব সংবাদদাতা, সাতক্ষীরা

করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসের ২৯ দিনে ১৮৪ জন মারা গেলেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি মাসে সাতক্ষীরা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে গড়ে মারা গেছেন ছয় জন। চিকিৎসকরা বলছেন, সময় মতো চিকিৎসা না নেওয়া ও শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাব দূষিত হয়ে পড়ায় গত পাঁচ দিন ধরে নমুনা পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। নাগরিকদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য বিভাগ শুধু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে মৃত্যুর হিসাব তালিকভুক্ত করছে। বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া রোগীর তথ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না। ফলে সরকারি হিসাবের চেয়ে মৃত্যু অনেক বেশি।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, জুলাই মাসের ২৯ দিনে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০ জন। এ পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫৩৩ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৪ জন।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ গুহ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, আশা করা হচ্ছে দুই-একদিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা করা যাবে। 

হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডা. কুদরত-ই-খোদা ডেইলি স্টারকে বলেন, অধিকাংশ রোগী উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরও চিকিৎসা নেয় না। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বা অক্সিজেন লেভেল কমে এলে তখন হাসপাতালে আসে। তখন তাদের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা কঠিন হয়ে যায়। আমাদের আইসিইউ ইউনিটে শয্যা সংখ্যা আটটি। যে কারণে প্রয়োজন থাকলেও অনেক রোগীকে আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া যায় না।