মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠক, আরও সহায়তার প্রতিশ্রুতি

স্টার অনলাইন ডেস্ক

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে জেলেনস্কির এটাই সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।

আজ সোমবার বার্তা সংস্থা এপি জানায়, গতকাল রোববার রাতে বিশেষ গোপনীয়তার সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবেদন অনুসারে, ব্লিনকেন ও অস্টিন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ও তার উপদেষ্টাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি সামরিক সহায়তা দেবে। এর সঙ্গে ১৬৫ মিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ বিক্রির অনুমোদনও থাকছে।

তারা আরও জানান, শিগগির মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে একজন কূটনীতিককে নিয়োগ দেবেন।

রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর যেসব মার্কিন কূটনীতিক দেশে ফিরে গেছেন, তারাও আগামী সপ্তাহ থেকে ফিরতে শুরু করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তারা।

ব্লিনকেন ও অস্টিনের সঙ্গে আসা সাংবাদিকদের কিয়েভ সফর সম্পর্কে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পেন্টাগন ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২ মন্ত্রী কিয়েভ ছেড়ে যাওয়ার পরই কেবল তারা সংবাদ প্রকাশের অনুমতি পান। মার্কিন কর্মকর্তারা এ উদ্যোগের পেছনে নিরাপত্তা ঝুঁকিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ব্লিনকেন ও অস্টিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে জেলেনস্কি গণমাধ্যমকে জানান, তিনি চান অস্ত্র ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হোক।

তিনি বলেন, 'আপনারা আমাদের কাছে আজ খালি হাতে আসতে পারেন না। আমরা শুধু উপহার বা কোনো কেকের প্রত্যাশা করছি না। আমাদের প্রত্যাশা হচ্ছে সুনির্দিষ্ট উপকরণ ও অস্ত্র।'

এর আগে সর্বশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি মিউনিখে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন জেলেনস্কি।

পশ্চিমের দেশগুলো ইতোমধ্যে ইউক্রেনে প্রচুর পরিমাণে সামরিক উপকরণ পাঠিয়েছে। তবে জেলেনস্কি ধারাবাহিকভাবে বলে যাচ্ছেন, তাদের আরও ভারী অস্ত্রের প্রয়োজন। বিশেষ করে দূর পাল্লার উড়োজাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান।